শেষ মুহূর্তে রোমাঞ্চ এবং হোয়াইটওয়াশের মাধ্যমে সিরিজ জয়!
| হ্যালো বন্ধুরা, আশা করি সবাই ভালো আছেন। সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে আজকের ব্লগটি শুরু করছি। |
|---|
Image Created by OpenAI
আজকে আপনাদের সাথে খেলাধুলা বিষয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করে নেবো। গতকাল ইংল্যান্ড আর নিউজিল্যান্ড এর মধ্যে তৃতীয় একদিনের ম্যাচ ছিল। ইংল্যান্ড বর্তমানে ভালো একটা টিমে পরিনত হয়েছে। তবে নিউজিল্যান্ডও কম না, তবে নিউজিল্যান্ড এর একটা ব্যাপার হলো, ওদের বর্তমানে ব্যাটিং অনেকটা ডাউন অর্থাৎ আগে যেমন ব্যাটিং এর দিক থেকে একটু শক্তিশালী ছিল, এখন এতটাও না। আগের মতো ব্যাটিং লাইন নেই তেমন একটা। তাও মোটামুটি রান চেজের ক্ষেত্রে খারাপ ব্যাটিং করে না, চেজ করার মতো ক্ষমতা রাখে। তবে এদের ফিল্ডিং মারাত্মক লেভেলের, যেকোনো বাউন্ডারি এর বল উড়ে হোক বা ঝাঁপিয়ে হোক, কভার করে ফেলবে।
বোলিংও খারাপ না, ভালোই করে থাকে। যাইহোক, এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ড আগে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। ইংল্যান্ড শুরুই করতে পারেনি ঠিক করে। কোনো ব্যাটসম্যান আসলে মাঠে নামার পরে যদি সেট হতে না পারে, তাহলে নিশ্চিত আউট এর পর্যায়ে চলে যাবে। এটা ব্যাটিং করার ধরণ কয়েক ওভার দেখলেই বোঝা যায়। আর ওপেনে ব্যাট করতে আসলে কিন্তু একটু বল বুঝে শুনে না খেললে খুবই সমস্যা, কারণ নতুন বলে লেন্থ, পেচ সবকিছুই চলতে থাকে। আউট হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে, যদি বুঝে না ব্যাট করা হয়। আর যেকোনো পর্যায়ে ওপেন আর অন ডাউনে আসা ব্যাটসম্যান যদি কোনো রানের ভীত না গড়ে দিয়ে আউট হয়ে যায়, তাহলে পরের ব্যাটসম্যানরা বিপাকে পড়ে যায়।
তখন তাদের মধ্যেও টেনশন ঢুকে যায়। এখানে ইংল্যান্ড প্রথমেই সেই ভীত নষ্ট করে ফেলেছে, ওপেনার থেকে শুরু করে টানা ৪-৫ জন ব্যাটসম্যান ২,৪,৬ এইরকম রান করে আউট হয়ে গেছে। রুট একটা গুরুত্বপূর্ন ব্যাটসম্যান, সেই রুটই পর্যন্ত আউট হয়ে গেছে। তাহলে খেলার আর জায়গা থাকে কোথায়। এক বাটলার কিছুক্ষণ ধরে খেলছিলো, কিন্তু সেও বোল্ড আউট শিকার হয়ে গেছে। তারপর ম্যাচে একটু সমতা আসে জেমি ওভারটন নামের এক ব্যাটসম্যানের জন্য। প্রথমের দিকে সব গণহারে আউট হয়েছে। আর শেষের দিকে কয়েকজন হাল টেনে তুলেছে। নাহলে এই রান ১৫০ রান বা তারও আগে গুটিয়ে যেত। আর নিউজল্যান্ডও যে খুব ভালো খেলেছে এই রানে, তাও কিন্তু না।
নিউজল্যান্ড প্রথমের দিকে শুরু করলেও কিন্তু মাঝ পথে ঝিমিয়ে পড়েছিল। ওপেনার দুইজন শুরুটা ভালো করেছিল, কিন্তু বেশিদূর স্থায়ী হয়নি এই পার্টনারশীপ। পরে যদিও আরো একজন এসে তার সাথে পার্টনারশীপ বিল্ড করেছিল, কিন্তু এরপরে সবাই ঝিমিয়ে পড়েছিল অর্থাৎ রান আর হয় না, লাস্ট ৬-৭ ওভার কোনো বাউন্ডারি যায়নি, এইরকম একটা পরিস্থিতি হয়েছিল। তবে এই ২২২ রান চেজ করতেও তাদের প্রচুর কষ্ট করতে হয়েছে। টেনেটুনে এই ম্যাচ নিউজল্যান্ড অবশেষে জিতেছে। ম্যাচে কনটেস্ট বেধেছিলো লাস্টের দিকে এসে।
শুভেচ্ছান্তে, @winkles
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |


