আলু দিয়ে ডিমের তরকারি রান্নার রেসিপি ||১০% বেনিফিসিয়ারি আমার প্রিয় @shy-fox এরজন্য
হ্যালো বন্ধুরা, আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি আপনারা সবাই খুব খুব ভালো আছেন ।আমিও আল্লাহর রহমতে বেশ ভাল আছি ।
আজ আমি আপনাদের সামনে একটি সহজ ও মজার রেসিপি নিয়ে এসেছি। আর সেটি হচ্ছে আলু দিয়ে ডিমের তরকারি রান্নার রেসিপি।আলু ও ডিম দুটোই আমাদের খুবই প্রিয় একটি খাবার ।আমাদের যে কোন তরকারিতে আলু না হলে চলে না। আর সেই আলু দিয়ে যদি ডিম রান্না করা হয় তাহলে তরকারিটা যেমন অনেক স্বাদের হয়, তেমনি অনেক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ও হয়। তাহলে আর কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করি আমার আজকের রেসিপি, আলু দিয়ে ডিমের তরকারি রান্নার রেসিপি।
আলু দিয়ে ডিমের তরকারি রান্নার রেসিপি
👇উপকরণ👇
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| ডিম | ৩টি |
| আলু | ২টি |
| পেঁয়াজ কুচি | ২টি |
| কাঁচা মরিচ | ৪টি |
| পেঁয়াজ বাটা | ৩টেবিল চামচ |
| আদা বাটা | ১চা চামচ |
| রসুন বাটা | ১চা চামচ |
| হলুদ গুঁড়া | ১চা চামচ |
| ধনিয়া গুড়া | ১চা চামচ |
| লাল মরিচ গুড়া | ১চা চামচ |
| জিরা গুড়া | ১চা চামচ |
| লবণ | স্বাদমতো |
| সয়াবিন তেল | পরিমাণমতো |
👇প্রস্তুত প্রণালীঃ👇
১ম ধাপ
প্রথমে ডিমগুলোকে সিদ্ধ করে খোসা ছাড়িয়ে নেই।
২য় ধাপ
একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে দেই ।তেল গরম হলে ডিমে সামান্য হলুদ, লবণ মাখিয়ে তেলের মধ্যে দিয়ে দেই।
৩য় ধাপ
ডিম ভাজা হয়ে গেলে ডিম তুলে রাখি ।তারপর ওই তেলের মধ্যে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে দেই ।পেঁয়াজ বাদামি করে ভাজা হলে পেঁয়াজ বাটা দিয়ে দেই।
৪র্থ ধাপ
তারপর আদা বাটা, রসুন বাটা দিয়ে দেই। এখন হলুদ গুঁড়া, লাল মরিচ গুড়া, ধনিয়া গুড়া দিয়ে দেই।
৫ম ধাপ
তারপর কিছুক্ষণ রান্না করে মশলা টা ভালো করে কষিয়ে নেই। তারপর লবণ দিয়ে দেই।
৬ষ্ঠ ধাপ
এখন ভালো করে নেড়ে চেড়ে কেটে রাখা আলু গুলো দিয়ে দেই।
৭ম ধাপ
তারপর আলু মসলার সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নেই ।তারপর সামান্য একটু পানি দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করি।
৮ম ধাপ
তারপর আরো একটু বেশি পানি দিয়ে দেই। তারপর কাঁচা মরিচ দিয়ে দেই। এখন ঢাকনা দিয়ে ঢেকে কিছুক্ষণ রান্না করি, আলু সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত।
৯ম ধাপ
আলুসিদ্ধ হয়ে পানি কমে আসলে, ঝোলের জন্য বেশি পানি দিয়ে দেই।
১০ম ধাপ
এখন ভেজে রাখা ডিমগুলো দিয়ে ,ঢাকনা দিয়ে ঢেকে বেশ কিছুক্ষণ রান্না করি।
১১ম ধাপ
এখন জিরা গুড়া দিয়ে দেই ও আরো কিছুক্ষণ রান্না করি ।এভাবেই হয়ে গেল আমার আলু দিয়ে ডিমের তরকারি রান্না।
১২ম ধাপ
এখন একটি বাটিতে তুলে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে ।এভাবে খেয়ে দেখবেন খুবই মজা লাগবে।
আজকের মত এ পর্যন্তই। আগামীতে দেখা হবে আবার কোনো নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন ,সুস্থ থাকুন। আমার আজকের ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
| ফটোগ্রাফার | @wahidasuma |
|---|---|
| ডিভাইস | স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৪০ |
🇧🇩ধন্যবাদ🇧🇩
@wahidasuma
আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।
ডিম খেতে এমনিতেই অনেক ভালো লাগে সেই সাথে আলু দিয়ে ডিম রান্না যখন করে আমার আম্মু তখন বারবার খেতে মন চায়। আর আপু আপনি এত সুন্দর ভাবে পরিবেশনা করেছেন খুবই মার্জিত ভাষায় আমাদের বুঝতে সক্ষম হয়েছে খুবই ভালভাবে। আপনার জন্য শুভকামনা রইল। রান্নাটি অত্যন্ত সুন্দর হয়েছে এবং খেতে খুবই ভালো লাগে।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
আলু দিয়ে ডিম আমার খুব ভালো লাগে। আমার বাসায় মাঝে মধ্যেই রান্না হয়ে থাকে। আপনার পরিবেশন অনেক সুন্দর হয়েছে। আপনার জন্য শুভ কামনা রইল আপু।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
তরকারির রংটা অনেক সুন্দর হয়েছে দেখে খেতে মন চাইছে। এমনিতেই আলু আমার খুব পছন্দের একটি খাবার তারপর যদি রান্না করা হয় ডিম দিয়ে তাহলে তো কোন কথাই নেই ।অনেক ধন্যবাদ তোমাকে মজাদার একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
অনেক ধন্যবাদ আপু।
আলু দিয়ে ডিম আমার বেশ পছন্দের আমাদের বাসায় প্রতি সপ্তাহে এমন করে রান্না করা হয়।আপনি বেশ চমৎকার উপস্থাপনার মাধ্যমে রেসিপিটা ভাগাভাগি করেছেন।শুভ কামনা।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
আমাদের দেশে এটি একটি সাধারণ এবং অতি জনপ্রিয় রেসিপি। প্রায় সব বাড়িতেই খুব স্বল্প মূল্যে এই রেসিপিটি তৈরি করা সম্ভব এবং অল্প সময়ে।
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য
আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ।
কি আর বলবো হিহিহি
ডিম আমার খুব প্রিয় খাবার। আপনি খুব সুন্দর করে রেসিপি তৈরী করেছেন।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আলু দিয়ে ডিমের তরকারি রান্না অনেক সুন্দর হয়েছে আর খেতে অনেক সুস্বাদু আমি মাঝে মাঝে খেয়ে থাকি তবে আপনার এই রেসিপি অনেক সুন্দর হয়েছে ধন্যবাদ আপনাকে আপু
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাই।
আলু দিয়ে ডিমের তরকারি অনেক স্বাদের হয়, আমি মাঝে মাঝে তৈরি করে খাই। আপনার রেসিপি দারুন হয়েছে।
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।ভালো থাকবেন।
আমি মাত্র কাল রাতেই খেলামে রান্নাটি।
আমার আম্মু রান্না করে প্রায় ই।
যখন হচ্ছে কোনো ভারী কিছু খেতে ইচ্ছে করে না, তখন এই রেসিপিটা খুবই কাজে দেয়।
আমার কাছে এই রেসিপিটা খুবই ভালো লাগে আর আপনার রেসিপিটাও খুবই আকর্ষণীয়। আর দেখতে মনে হচ্ছে খুব মজা হবে।
হ্যা আপু ঠিকই বলেছেন আমারও যখন মাছ,মাংস খেতে ভালো লাগে না ,তখনই আমি এটি রান্না করি।