মামাতো বোনের ফুলের বাগান পরিদর্শন
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগের বন্ধুরা আপনারা সবাই কেমন আছেন ?আশা করছি সবাই সুস্থ আছেন, ভালো আছেন।আমিও আল্লাহর রহমতে মোটামুটি ভাল আছি।
বন্ধুরা কয়েকদিন আগে একটি বিশেষ কারণে আমি আমার নানু বাড়িতে গিয়েছিলাম । যা ইতিমধ্যে আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করেছি । সেদিন নানু বাড়িতে আমার মামাতো বোন বলল , সে বেশ কিছু ফুলের গাছ দিয়ে একটি বাগান বানিয়েছে । আমাকে দেখার জন্য বলল , তারপর আমিও বেশ আগ্রহ নিয়ে তার ফুলের বাগান দেখতে গেলাম । কেননা ফুল আমার বরাবরই ভীষণ পছন্দের । আর বাগান করতে আমিও বেশ ভালবাসি । আমারও একটি ফুলের বাগান রয়েছে । তবে সেটি ছাদ বাগান । আর এই বাগান টি গ্রামীন পরিবেশে তৈরি । তারপরেও আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে । চলুন আপনাদের কেউ বাগানটি দেখিয়ে আনি ।
মামাতো বোনের ফুলের বাগান পরিদর্শন
বাগানে ঢুকতেই প্রথমেই যে গাছটি আমার চোখে পড়লো সেটি হচ্ছে সম্ভবত একটি লাউয়ের গাছ । গাছটিতে সাদা রঙের একটি ফুল ফুটেছিল । এটি লাউয়ের ফুলই হবে । দেখতে ভীষণ ভালো লেগেছিল । আসলে গ্রামীণ পরিবেশে এ ধরনের গাছ গুলো দেখতে আমার কাছে বেশ ভালো লাগে । দীর্ঘদিন পর লাউয়ের ফুল দেখে আমার কাছে বেশ ভালো লাগলো । তাই তো তার একটি ফটোগ্রাফি করলাম ।
এই ফুলের গাছ দুটির একটি হচ্ছে পাথরকুচি গাছের ফুল । আর দ্বিতীয় ফুল টি হচ্ছে চন্দ্রমল্লিকা ফুল । চন্দ্রমল্লিকা ফুল গুলো দেখতে বেশ ভালই লাগে ।বিভিন্ন কালার হয়ে থাকে । আর পাথরকুচি তো দেখতে বরাবরই খুব সুন্দর ।
উপরের গাছ দুটির প্রথমটি হচ্ছে গোলাপ ফুলের গাছ । আর দ্বিতীয় গাছটি হচ্ছে সন্ধ্যামালতী । সন্ধ্যামালতী বেশ ঝোপালো হয়েছে দেখছি । এই গাছটি আমার ছাদ বাগানে লাগিয়েছি কিন্তু ঝোপালো হচ্ছে না । আর এই গোলাপের গাছটি ডাল ভেঙে লাগানো হয়েছিল সেটি এখন অনেক বড় হয়েছে । আসলে মাটিতে গাছ লাগালে সেই গাছগুলো অনেক বেশি সুন্দর হয় । আর টবে লাগানো গাছগুলো তুলনামূলকভাবে এতটা বাড়ে না ।
এই ফুল দুটির প্রথমটি হচ্ছে মোরগ ফুল ও দ্বিতীয়টি হচ্ছে গাঁদা ফুল । মোরগ ফুলটি দেখতে বেশ সুন্দর ।আর এই গাঁদা ফুলটিও খুব সুন্দর । এটি একটু ভিন্ন ধরনের গাঁদা ফুল ।
এই গাছগুলো হচ্ছে পাতাবাহার জাতীয় গাছ । বিভিন্ন ধরনের পাতাবাহার গাছ গুলো লাগানো হয়েছে এখানে । আমার কাছে গাছগুলো দেখে বেশ ভালো লাগলো। আমার মামাতো বোন বেশ সুন্দর সুন্দর গাছের কালেকশন করেছে দেখে আমার কাছে বেশ ভালো লাগলো ।
সবশেষের গাছটি হচ্ছে ক্যাকটাস গাছ । যেটি আমাদের সবারই কমবেশি পরিচিত । এই ছিল আমার আজকের আয়োজন । আশা করছি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে ।
আজকের মতো এখানেই শেষ করছি ।আগামীতে আবার দেখা হবে নতুন কোন লেখা নিয়ে ।সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন ।আমার ব্লগ টি পড়ার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
| ফটোগ্রাফার: | @wahidasuma |
|---|---|
| ডিভাইস: | স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৪০ |
🔚ধন্যবাদ🔚
@wahidasuma
আমি ওয়াহিদা সুমা।আমি 🇧🇩বাংলাদেশি🇧🇩।বাংলা আমার মাতৃভাষা।আমি বাংলায় কথা বলতে ও লিখতে ভালোবাসি।ধন্যবাদ আমার বাংলা ব্লগকে এই সুযোগটি করে দেওয়ার জন্য।
আপু গ্রামীন পরিবেশে এত সুন্দর বাগান আপনার ফটোগ্রাফিতে দেখেই আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম। আপনার অবশ্য বাস্তবে দেখে আরও বেশি ভালো লেগেছিল। আপনার মামাতো বোনের ফুলের বাগানে বিভিন্ন ধরনের ফুল দেখতে সত্যি খুবই সুন্দর। প্রতিটা ফুল আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। তবে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে পাথরকুচি গাছের ফুল। আমি এই ফুল প্রথমবার দেখলাম আর আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ আপু আপনার মামাতো বোনের ফুলের বাগানের এত সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপু পাথরকুচি ফুল টি আপনি প্রথমবার দেখেছেন জেনে সত্যি ভাল লাগল । তবুও তো নতুন কিছু দেখাতে পারলাম । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
কথায় আছে নানার বাড়ি মধুর হাড়ি। আবার কেউ কেউ বলে নানা বাড়ির আবদার 😆 নানা বাড়িতে গিয়ে বেশ ভালোই মজা করছেন তাহলে। ফুলের বাগান পরিদর্শন করে বেশ সুন্দর সুন্দর ফুলের ফটোগ্রাফি করেছেন। পাথরকুচি ফুলের সৌন্দর্যটা বেশ ভালো লাগছে আবার মোরগ ফুলটা কিন্তু গ্রামে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। সুন্দর ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
হ্যাঁ ভাই আপনি ঠিকই বলেছেন এই মোরগ ফুলটা গ্রামের দিকে অনেক বেশি পরিমাণে দেখা যায় ।ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।
আপনার মামাতো বোনের বাগানটি বেশ সুন্দর মনে হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ফুল দিয়ে সাজিয়েছে। বিশেষ করে লাউ ফুল আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। এত কাছ থেকে লাউয়ের ফুল কখনো দেখা হয়নি। তাছাড়া মোরগ ফুলগাছ অনেকদিন পর দেখলাম। সেই গোলাপ গাছটি এখনো আছে দেখছি। পুরনো গাছের ডাল ভেঙে নিশ্চয়ই এখানে লাগিয়েছে। অনেক সুন্দর ছিল এই গোলাপ গাছটি। বাগানের ছবিগুলো দেখে খুব ভালো লাগলো।
হ্যাঁ আপু পুরনো সেই গোলাপ গাছের ডাল ভেঙেই এই গাছটি করা হয়েছে । সেই গাছটি এখনো আছে , আগের মতই অনেক ফুল ফোটে । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।
আপনার নানু বাড়িতে গিয়ে মামাতো বোনের ফুলের বাগান পরিদর্শন করেছেন এটা জেনে খুবই ভালো লাগলো আসলেই আপনার মামাতো বোনের এই ছোট্ট ফুলের বাগান দেখতে খুবই চমৎকার দেখাচ্ছে। অনেক প্রজাতির ফুল এখানে দেখতে পারলাম প্রতিটি ফুলের ফটোগ্রাফি আপনি দারুন ভাবে ক্যাপচার করেছেন। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
হ্যাঁ ভাইয়া এই বাগানে বেশ কয়েক ধরনের ফুল ছিল ।ফুলগুলো দেখতেও বেশ সুন্দর ছিল । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।
আমারও বাগান করতে এবং দেখতে বেশ ভালো লাগে।আপনার ছাদ বাগানের কিছু ছবি এর আগেও দেখে ছিলাম।যাই হোক আপনার মামাতো বোনের বাগানে অনেক ফুল গাছ রয়েছে তাতে ফুল ও আছে দেখতে বেশ ভালোই লাগছে।ধন্যবাদ
আপু আপনি আমার ছাদ বাগানের ছবি দেখেছেন জেনে ভালো লাগলো । আসলে বাগান করতে আমার কাছেও ভীষণ ভালো লাগে । ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য ।