আর ফেরা হলো না!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
গতকাল একটি লেখা পড়ার পরে এবং একটি নিউজ দেখার পরে মন অনেক বেশি খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ভাবলাম, সেই লেখাটি আপনাদের সাথে একটু শেয়ার করি। আসলে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কত কিছু ঘটে যায়, সেটা আমরা অনেক সময় যেন ভাবতেও পারি না। অর্থাৎ, আমরা ভাবতে ভাবতেই যে ব্যাপারটি এতদূর চলে যায়, সেটাকে আর কোনোভাবেই ফিরিয়ে আনতে পারি না। আজকের ঘটনাটিও ঠিক তেমনই। প্রতিবছর এই ব্যাপারটি এত বেশি ঘটে যে এটি আমাদের কাছে এখন একটি সাধারণ ব্যাপার হয়ে গিয়েছে।
কিন্তু কোনো ব্যাপার আমাদের কাছে সাধারণ হয়ে গেলেই যে সেটি সত্যিই সাধারণ হয়ে যায়, তেমন নয়। অনেক সময় দেখা যায়, অনেক পাপ কাজ আমরা এত বেশি সাধারণভাবে, অর্থাৎ দৈনন্দিন জীবনে করতে থাকি যে একটা সময় পরে মনে হয় এটি আর কোনো পাপ কাজ নয়। আজকের ঘটনাটিও তেমনই। আমি কথা বলছি সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে, যা প্রতিনিয়ত এত বেশি বেড়ে চলেছে যে এটি এখন নিয়ন্ত্রণ করা অতীব প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে।
আমি যে ঘটনাটির কথা বলছি, সেটি হলো—এক বড় ভাই ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন। বাড়িতে এসেই একটুও বিশ্রাম না নিয়ে তিনি তার ছোট দুই ভাইকে নিয়ে ঈদের উপহার দিতে যাচ্ছিলেন আতিয়ার বাড়িতে। তখন তাদের মা একটু বলেছিলেন, "একটু ঘুমিয়ে তারপর বের হও।" কিন্তু ঈদের উচ্ছ্বাস এত বেশি ছিল যে ছেলেটি মাকে বললো, "এসে ঘুমাবো।" কিন্তু সেই ফেরা আর হলো না! তবে ঘুমিয়েছে ঠিকই—চিরনিদ্রায়! কারণ, সড়ক দুর্ঘটনায় একসাথে এক বাইকে থাকা তিন ভাই মৃত্যুবরণ করেছে।