নাটক রিভিউ:- আরমান ভাই দ্যা জ্যান্টলম্যান,শেষ পর্ব।
আসসালামু আলাইকুম। আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধুগন আমি @tuhin002 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৭ - ০৮ - ২০২৩)
আসলামু আলাইকুম,আমার স্ট্রিম বন্ধুগন। আশা করি আল্লাহুর রহমতে আপনারা সবাই অনেক ভালো আছেন। আপনাদের দোয়ায় আমিও ভালো আছি। আমি @tuhin002। আজকে আমি খুব সুন্দর একটি নাটক রিভিউ করতে ইচ্ছা পোষণ করেছি। আর তাই আজকে আমি যে নাটকটি শেয়ার করতে যাচ্ছি, সেই নাটকের নাম" আরমান ভাই দ্যা জ্যান্টলম্যান, পর্ব- শেষ পর্ব " নিচে স্ক্রিনশটের মাধ্যমে ধাপে ধাপে তুলে ধরা হলো ....
নাটকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য। |
|---|
| নাটকের নাম | আরমান ভাই দ্যা জ্যান্টলম্যান,শেষ পর্ব। |
|---|---|
| পরিচালক | সাগর জাহান। |
| অভিনয় | জাহিদ হাসান, তিশা, আরফান,মুনিরা,মিঠু, বাদল,আরো অনেকে। |
| দৈর্ঘ্য | ২৪ মিনিট ২৬ সেকেন্ড |
| ভাষা | বাংলা |
| মুক্তির তারিখ | ৩০ জুলাই ২০১৮ ইং। |
নাটকের সারসংক্ষেপ । |
|---|
আপনারা যারা আমার এই গত নাটকের রিভিউটা দেখেছেন, তারা নিশ্চয়ই জানেন যে খাবারের সময় তিশা চলে আসে এবং তিশা আসলে এই দিন খাওয়ার দিকে কোন মনোযোগ ছিল না, ছিল হুমায়ন ফরিদীর দিকে। সে দৌড়ে এসে তাকে সালাম করে। এবং অনেকক্ষণ ধরে তার সাথে সবাই মিলে গল্প করে।
এরপরে কথা বলতে বলতে কথার মাঝে হুমায়ুন ফরিদী বলেন যে, এভাবে শুধু আমরা কথাই বলে যাব না কিছু খাওয়া-দাওয়া করবো। এই কথা শোনার পরে জাহিদ হাসান হেসে পড়ে এবং বলে অবশ্যই আমরা এখন সবাই মিলে খেতে বসব তাই তারা সবাই মিলে খাওয়া শুরু করেন।
হুমায়ুন ফরিদের বাসায় যে সবাই মিলে খাওয়া-দাওয়া করছে এই বিষয়টা তিশা জানতে পারে বাদলের কাছ থেকে। আর এই কথাটা তিশা সবার মধ্যে কথা বলতে বলতে এই কথাটা বলে যে বাদল আমাকে বলেছে যে তোমরা সবাই এখানে আছো। আর এটা জানার পরে আরফান এ বাদলকে বালির মধ্যে চাপা দিয়ে গলা পর্যন্ত ঢেকে রাখে।
বরাবরের মতো এই বাসায় একজন মহিলা থাকে সে আছে জাহিদ হাসানের গায়ে হাত দেয় আর এটা জাহিদ হাসান খুব বিরক্ত এবং নিজের কাছে খুব কষ্টবোধ করে। ঐদিন ঐ মহিলা ওর গায়ে হাত দিছে আর এটা দেখে জাহিদ হাসান দৌড়ে পালাইছে।
এই বিষয়টা হওয়ার পরে সবাই ছাদে বসে এই কথাগুলো আলোচনা করছে। যে এই মহিলাটা কেন এমন করে তখন পাশের একজন বলে ভাই এই মহিলাটার অনেক কষ্ট। তার স্বামী বিদেশে থাকে এবং তার মেয়ে বিদেশে থাকে তারা কখনো এখানে আসতে চায় না। এই কথা শুনে জাহিদ হাসান একটু কষ্ট পায়।
এরপরে নিজ ইচ্চায় জাহিদ হাসান বাসায় যায় এবং তাকে হাত ধরে বলে আপু আপনি আমার বড় বোনের মত আমি অবশ্যই আপনার মেয়ে এবং আপনার স্বামীকে এদেশে ফিরিয়ে আনব। এই কথা শোনো মাত্র এই মহিলাটি হেসে পড়ে এবং জাহিদ হাসানকে বলে ভাই তুমি অনেক ভালো একটা মানুষ।
হঠাৎ করে জাহিদ হাসানের প্রচন্ড পরিমাণ জ্বর আসে আর এই খবরটা তিশা তার স্বামীর সাথে যারা থাকে তাদেরকে বলে তারা দৌড়ে চলে আসে এবং তাকে অনেক সেবা যত্ন করেন। সারারাত তার বাসায় থেকে তার দেখাশোনা করে।
এই পুরা নাটকের আরফান খুবই সুন্দর অভিনয় করেছেন তার অভিনয় গুলো নিখুঁত ভাবে তিনি এখানে ফুটে তুলেছে। ছোটবেলা থেকে জাহিদ হাসানের কাছে থেকেই তারা মানুষ হয়েছে তাই জাহিদ হাসানের এই কষ্টটা সে মেনে নিতে পারছে না। সে রীতিমতো কেঁদেই পড়েছে।
সারারাত ধরে তাকে সেবা করার পরে, জাহিদ হাসান সুস্থ হয়ে ওঠে এবং তিশা তখন বলে যে তোমার ছোট ভাইয়েরা সারারাত তোমাকে যত্ন করেছে এবং তারা ঘরে বাইরে রয়েছে। তখন তাকে বলে যে তাদেরকে তাড়াতাড়ি তুমি এখানে আসতে বল এবং তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে ।
নাটকের শেষের দিকে তিশা বলে যে তুমি ঠিক ছিলে আমি ভুল ছিলাম। যে যেখানে বড় হয় সেখানে তার ভালো লাগে। আর আজকে থেকে আমরা আর এই নতুন ঢাকায় থাকবো না। যেখানে মানুষ মানুষের মন বোঝে না। আমরা আবারো পূরণ ঢাকা চলে যাব। যেখানে মানুষের সাথে আমাদের সম্পৃক্ততা অনেক ভালো।
সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন, আল্লাহ হাফেজ।
এই নাটকে যতগুলো পর্ব ছিল প্রত্যেকটা পর্ব আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছে আর এর মধ্যে সবথেকে ভালো লেগেছে আমার এই শেষ পর্বটি। আসলে এই শেষ পর্বটি না দেখলে বোঝা যাবে না কারণ এই শেষ পর্বের মধ্যে অনেক শিক্ষা রয়েছে যে শিক্ষা গুলো মানুষের দরকার। যদিও আমি শিক্ষা গুলা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করলাম না দয়া করে আপনারা এই নাটকের পর্বটি দেখবেন এবং বুঝবেন যে কতটা শিক্ষণীয় বিষয় রয়েছে এর ভেতর । সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। ভুল ত্রুটি থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন,ধন্যবাদ সকলকে।
ব্যক্তিগত রেটিং । |
|---|
নাটকটিতে আমি আমার ব্যক্তিগত রেটিং পয়েন্ট ১০ এর মধ্যে ৯.৯ দিবো।
👨🦰আমার নিজের পরিচয়👨🦰
আমি আবুল বাশার খায়রুল আলম তুহিন। আমার বাসা মেহেরপুর জেলা,গাংনী থানা, জুগীর গোফা গ্রাম। আমি বিবাহিত। বর্তমানে আমার একটা পুত্র সন্তান আছে। আমি গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি রাজশাহী নিউ গভমেন্ট ডিগ্রী কলেজ থেকে। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ব্লগে কাজ করতে অনেক ভালোবাসি। এই ব্লগে কাজ করার মাধ্যমে আলাদা প্রশান্তি পায়। আমি ছবি আঁকতে,গান গাইতে,কবিতা লিখতে অনেক পছন্দ করি। এছাড়া আমি বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে খুব পছন্দ করি। সংক্ষিপ্ত আকারে আমার নিজের পরিচয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করলাম। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইলো।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/ABashar45/status/1688434314164551680?t=O1AaLY794iwYYe_2Uvbv0Q&s=19
আরমান ভায়ের অনেক গুলো নাটক আছে।এদের কাহিনি গল্প আমার খুবই ভাল লাগে।আপনিও দারুন ভাবে উপস্থাপন করেছেন শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
মামা আপনি আজকে আমাদের মাঝে আরমান ভাই দা জ্যান্টলম্যান দারুন একটি নাটক রিভিউ এর মাধ্যমে শেয়ার করেছেন। আসলে এই নাটক গুলা দেখলে আমার কাছে মনে হয় আদিম যুগের কিছু নাটক। তাই এই নাটকগুলো খুব একটা দেখা হয় না। কিন্তু হুমায়ুন ফরিদকে নাটকের মাঝে দেখতে পেয়ে নাটক দেখার আগ্রহ একটু জাগলো। তবে সময় পেলে অবশ্যই আপনার শেয়ার করা এই নাটকটি দেখার চেষ্টা করব মামা।
জাহিদ হাসান ওই সময় শ্রেষ্ঠতম অভিনেতা ছিলেন। তার নাটক মানে একটা চমক তার নাটক মানে অনেকটা সুন্দর ভাবে কোন কিছু উপস্থাপন করা।
এই নাটকের পর্বগুলো যে খুব সুন্দর তা আমি জানি।তবে শেষ পর্বে যে শিক্ষনীয় অনেক কিছু আছে তাতো বললেন না।তবে তো শেষ পর্বটি দেখতেই হয়।সুন্দর ভাবে নাটকের রিভিউটি শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
আপু এই নাটকে যে শিক্ষনীয় বিষয় গুলো রয়েছে সেগুলো আমি বলে দেই তাহলে তো আপনি নাটকটি দেখবেন না। আপনার আগ্রহ যেন না কমে তার জন্য আমি এটাকে হাইড করে রেখেছি।