দুধ সাদা টগর ফুলের ফটোগ্রাফি।
''নমস্কার''
প্রিয় বন্ধুরা,
আশা করি ঈশ্বরের কৃপায় সবাই ভালো আছেন। আর আমিও ভালো আছি। আপনাদের সাথে আজ আমি প্রথম কোন ফুলের ফটোগ্রাফি নিয়ে পোস্ট শেয়ার করতে চলেছি। ফুল নিয়ে আজকের আলোচনার যে বিষয়টি তা হল টগর ফুলের ফটোগ্রাফি। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
টগর ফুলের ফটোগ্রাফি এবং ফুল সম্পর্কে কিছু তথ্য
আমাদের সিলেট অঞ্চলে টগর ফুলকে কয়েকটি নামে ডাকে যেমন- টেকা ফুল, কাঠমালি ফুল, কাঠমালতি ফুল, খেতা মালি ফুল, দুধ ফুল, এবং সাদা ফুল নামেও ডাকা হয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অন্যতম নিদর্শন হচ্ছে ফুল গাছ। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাথে মিশে আছে ফুলের সৌন্দর্য।
ফুলের সৌন্দর্য আমারা প্রত্যেকটা মানুষ উপভোগ করতে চাই কারণ ফুল অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী। যাই হোক ফুল পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষ পছন্দ করে। আর আমরা বিভিন্ন অনুষ্ঠানে পরিবেশের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলার জন্য বিভিন্ন ফুল দ্বারা সাজাই।
আমরা কাউকে সংবর্ধনা যখন জানাই সেই ফুল দ্বারাই জানাই। সত্যিকার অর্থে ফুলের সৌন্দর্য আমাদের মনে এক অন্যরকম প্রশান্তি নিয়ে আসে। এ প্রশান্তি একমাত্র আমরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝেই পাই। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে উপভোগ করতে হলে খুব কাছ থেকে উপভোগ করতে হবে।
তাহলে আপনি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রেমে পড়বেন এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে অনুভব করতে পারবেন। আজ আমাদের ফ্যাক্টরিতে সাদা রঙ্গের টগর ফুলের ফটোগ্রাফি আমার হাতের স্মার্ট ফোন দ্বারা ক্যামেরাবন্দি করেছি।
এবং এর সাথে আমি অন্য ফুলেরও ফটোগ্রাফিও ধারণ করেছি যা আমি অন্য সময় আপনাদের সাথে শেয়ার করব। আজ যখন ফ্যাক্টরিতে প্রবেশ করি তখন টগর ফুলে সুগন্ধে আমাকে কাছে টেনে নেয়।
যখন আমি এই ফুলটি দেখতে পাই তখন আমার মনে খুব আনন্দ হচ্ছিল। আমার সঙ্গে কয়েক জন কলিগ ছিল তারা আমাকে জিজ্ঞেস করলো টগর ফুলের ফটো দিয়ে কি করব। আমি আমার কলিগদেরকে বললাম আজ টগর ফুল নিয়ে একটু গবেষণা করব।
তারপর আমার আজকের সকালবেলা আমার স্মার্ট ফোন দ্বারা সাদা টগর ফুলের ক্যামেরাবন্দির মাধ্যমে রাঙ্গিয়ে তুলি। আজকের সকালে টগর ফুলের গাছের উপর হালকা বৃষ্টির পানি পড়েছিল এবং তাতে করে গাছের পাতাগুলি খুব সবুজ দেখাচ্ছিল।
এই সবুজ পাতার মধ্যে দুটো তিনটে করে দুধ সাদা টগর ফুল খুব অসহ্যোজ্জ্বল দেখাচ্ছিল। বাগান ছাড়া এই গাছটিকে বনে জঙ্গলের জন্মাতেও দেখা যায়। শীত মৌসুম ছাড়া সারা বছর টগর ফুল হয়। যদিও টগর ফুল বসন্তে পূর্ণতা পায় তবে সারা বছরেই ফুল কম বেশি দেখা যায়।
ফুলটি স্নিগ্ধ সুভাষ যুক্ত পাঁচ পাপড়ি বিশিষ্ট দুধ সাদা টগর ফুল। বাংলাদেশ ও ভারতে দু'রকম টগর পাওয়া যায়। একটি টগরের গুচ্ছ পাপড়ি এবং আরেকটি টগর একক পাপড়ি। এদেরকে বড় টগর এবং ছোট টগর বলা হয়।
বিবরণঃ
সমতল ভূমির গাছ হচ্ছে টগর। টগর গাছের বৈশিষ্ট্য ঝাকরা মাথার জন্য তার সৌন্দর্যতা ব্যাপক হারে ফুটে ওঠে। এবং টগর গাছ সুন্দর করে চেটে দিলে ঝোপের মত আকৃতি হয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যতা বাড়ায়।
বর্ষাকালে টগরের ডাল পুতে রাখলেও গাছ হয়ে যায়। এবং কলম করে টগর গাছের চারা করা যায়। গাছের পাতা বা ডাল ছিঁড়লে সাদা দুধের মত আঠালো টাইপের কস বের হয়। পাতার সাইজ প্রায় ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি লম্বা হয় এবং এক দেড় ইঞ্চি চওড়া হয়।
টগর ফুলের রং দুধ সাদা হয়। টগর ফুল সাদা রঙ্গের কারণে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও আমাদের পরিবেশেকে আরো আলোকিত করে তোলে। তাই বেশি করে ফুলের চারা রোপন করে পরিবেশ ও বাড়ির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করি।
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। আশা করি সকলেই পোস্টটি পড়বেন এবং কমেন্টসে জানাবেন।
ধন্যবাদ।
আপনি দুধ সাদা টগর ফুলের খুব সুন্দর ফটোগ্রাফি করেছেন, আপনার ফটোগ্রাফির ছবিগুলো খুব সুন্দর হয়েছে, ফটোগ্রাফি ফুলের সাথে এই ফুল সম্পর্কে আপনি খুব সুন্দর বর্ণনা করেছেন, অসংখ্য ধন্যবাদ এই সুন্দর পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
আপনি এত সুন্দর করে আমার ফটোগ্রাফি প্রশংসা করেছেন। টগর ফুলের সৌন্দর্যতা আমাদেরকে মোহিত করে। চোখের সামনে ছিল টগর ফুলের গাছটি তাই আমার স্মার্ট ফোন দিয়ে কিছু ছবি তুলে নিয়েছিলাম যাতে করে আপনাদের সামনে এই ফুল সম্পর্কে কিছু তথ্য তুলে ধরতে পারি। ফুল আমাদের পরিবেশের সৌন্দর্যতা বাড়িয়ে তোলে। এ ফুলের সুমিষ্টগ্রাম পরিবেশে ছড়িয়ে মোহিত করে। সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
টগর ফুলের নাম আমি ছোটবেলায় কাঠ মালতি নামেই জানতাম। বড় হয়ে টগর নামে জেনেছি। তবে আপনাদের সিলেটের মতো এতো নামে ডাকা হতো না আমাদের এলাকায়।
আপনার এই বৃষ্টি ভেজা টগর ফুলের ফটোগ্রাফি মন ছুয়ে গেছে আমার।
আসলে প্রকৃতিই পারে মানুষেকে এত মুগ্ধ করতে।
সত্যিকার অর্থে প্রকৃতির মাঝেই আমরা খুঁজে পাই শান্তি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এখন নতুন পরিদর্শন হচ্ছে ফুল। ফুল আমাদের চারপাশে পরিবেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এত সুন্দর করে সাজিয়ে গুছিয়ে রেখেছে যা আমাদেরকে মোহিত করে। ফুলকে আমরা সকলেই ভালবাসি। তাইতো ফুল আমাদেরকে ভালোবেসে কাছে টেনে নেয়। সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
ফুল আমরা সকলেই পছন্দ করি। সেটা যে কোন ধরনের ফুল হতে পারে। আপনার পোস্টে টগর ফুলগুলি সত্যি খুব সুন্দর লাগছে ।আমাদের বাড়িতেও টগর ফুলের গাছ আছে। কিন্তু টগর ফুল টা একটু অন্যরকম। আমাদের বাড়িতে গুচ্ছ পাপড়ি টগর ফুল এছাড়া আপনার পোস্টে দেওয়া ওই টগর ফুল ওআছে।
আপনি সত্যি বলেছেন ফুলকে আমরা সকলেই ভালোবাসি এবং পছন্দ করি। যে ধরনের পোলিও হোক না কেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতে ফুল অতুলনীয়। ফুলের প্রতি সবারই শখ থাকে কেউ ফুলের ডাল নিয়ে এরকম করে কেউ চারা নিয়ে রোপন করে বাড়ির আঙিনায়। আমাদের বাড়ির আঙ্গিনাকে নানান রকম ফুলগাছ রোপন করে থাকি তার কারণ এক হচ্ছে বাড়ির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং যারা হিন্দু ধর্মাবলম্বী আছে তারা নিত্য সে পুজায় ফুল ব্যবহার করে। সুন্দর মন্তব্যটি করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।