"দেবরের বিয়ের কেনাকাটার ফটোগ্রাফি"
বন্ধুরা
আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, আপনারা সবাই ভালো আছেন। সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। আপনারা সবাই জানেন কিছুদিন আগে আমার একমাত্র দেবরের বিয়ে হয়ে গেল। ভেবেছিলাম বিয়ে নিয়ে প্রতিদিন আপডেট দিবো কিন্তু প্রচণ্ড ব্যাস্ততার জন্য পারিনি। এই কয়টা দিন ভীষণ হৈ হুল্লোর ও ব্যাস্ততার মাঝে কেটে গিয়েছে। কি ভাবে দিন গুলো
কেটে গেল বুঝতেই পারিনি। আমাদের বাড়ির শেষ বিয়ে। এর পরে আমার আর কোন দেবর নেই। আর আপনারা তো জানেন বিয়ে মানে কতটা ব্যস্ততা থাকে। বাড়ির সকলে বিয়ের দিন ও গায়ে হলুদে এবং বৌভাতের দিন কে কি পড়বে সবকিছু নিজে ঠিক করা। তারপর আবার বাড়ীতে আশা সকল আত্মীয় স্বজনের দিকে লক্ষ্য রাখা। বাংলাদেশ এসেই বিয়ের কেনাকাটা ও বিভিন্ন কাজে এতটা ব্যাস্ত হয়ে পড়েছিলাম যে আপনাদের সাথে সেভাবে কিছুই শেয়ার করতে পারিনি।
দীপাবলীর চার দিন পর ছিলো আপনাদের ছোট দাদার বিয়ে। আর দীপাবলীতে আমাদের সবকিছু বন্ধ হয়ে যায়। পূজোর দিনগুলিতে রাস্তায় চলা ফেরা করাই যায় না। তাই দীপাবলীর আগেই সকল কেনা কাটা সেরে রাখার চেষ্টা করলাম। আর একটা বিয়ে মানে হাজার কেনাকাটা। তাই আর দেরি করে বেরিয়ে পড়লাম আপনাদের দুই দাদার জন্য কেনাকাটা করতে। আগে থেকে ঠিক ছিলো বৌভাতের দিন কোট প্যান্ট পড়ার। তবে কিনতে খুব বেশি দূরে যাওয়া লাগে না। কারণ আমাদের শহরে সবকিছু পাওয়া যায়। দোকানে গিয়ে দুই ভাইয়ের জন্য কোট পছন্দ করতে লাগলাম।অবশেষে দুটি কোট পছন্দ হলো। আর ট্রেলার দেওয়ার পর দেখলাম অনেক সুন্দর লাগছিলো।
এই কালারের কোট আপনাদের ছোট দাদার বৌভাতের দিন পড়বে। এটি তার জন্য। এই কোট টি আপনাদের ছোট দাদার গায়ে অনেক সুন্দর লাগছিলো।
এই কালো রঙের কোট টি আপনাদের দাদার। ওর গায়ে কালো কোট লাল টাই সাদা শার্ট দারুন লাগে। তাই ওর জন্য এটাই নিয়েছিলাম।
এরপর দুই ভাইয়ের জন্য বিয়ের দিনে পড়ার জন্য পাঞ্জাবী কিনতে গেলাম। ঠিক হয়েছিলো বিয়ের দিন সকলে পাঞ্জাবী পড়বে।
তাই আপনাদের দুই দাদার জন্য দুটো পাঞ্জাবী নিয়ে নিলাম।
সবার জন্য কেনাকাটা শেষ করে বাবুর আবদারে খাওয়া দাওয়া শেষ করে বাড়ি ফিরলাম। বাকি বিয়ের সব কিছু ধীরে ধীরে আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। আজ এই পর্যন্ত।
বাড়ির একেবারে ছোট ছেলের বিয়ে তার উপর আপনার ছোট দেবর। এইরকম ব্যস্ততা তো হবেই বৌদি। দুই দাদার কোট দেখছি বেশ সুন্দর হয়েছে। যদিও বেশ অনেকগুলো দেখার পর পছন্দ হয়েছে শেষমেশ কোট টা। ধন্যবাদ আপনার পোস্ট টা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য বৌদি।
বৌদি পুরো শপিং এর পোস্ট চাই কিন্তু।বিয়ের কেনাকাটা মানেই আনন্দ।আর বিয়েতে আপনাদের দারুন লেগেছিলো।
পুরো শপিং এর ফটোগ্রাফি করতে পারিনি আপু। বাবুকে নিয়ে শপিং করতে হয়েছে তো তাই তাই খুব বেশি ফটোগ্রাফি করা হয়নি।
ছোট দাদার বিয়ে উপলক্ষ্যে বেশ দারুন কেনাকাটাই তো মনে হয় করলেন। দীপাবলী পর দোকান বন্ধ থাকবে বলে আগে ভাগেই সব শপিং করে নিলেন। আবার দু ভাইয়ের জন্য কোটও কিনলেন। দাদা কে লাল টাই , সাদা শার্ট আর কালো কোটে তো ভালো লাগারই কথা। কারন দাদা তো বেশ হ্যান্ডসাম মনে হয়। তাই না বউদি। সব মিলিয়ে দারুন ফটোগ্রাফি করেছেন তো দেখছি।
বাড়িতে বিয়ে মানেই আনন্দ আর আনন্দ। তাই বিয়ের অনুষ্ঠান কিভাবে শেষ হয়ে যায় টের পাওয়া যায় না। যাইহোক বিয়ে উপলক্ষে আমাদের দুই দাদার জন্য তো বেশ ভালোই শপিং করেছেন বৌদি। বৌভাতের দিন কোট প্যান্ট পড়লে খুব ভালো লাগে। যাইহোক বড় দাদার কোটটা খুব সুন্দর। আশা করি খুব শীঘ্রই কেনাকাটার সব পর্ব আমাদের সাথে শেয়ার করবেন বৌদি। এতো চমৎকার মুহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
বৌদি,
বড় দাদার কোট-টাই প্যান্ট পড়া, ছবিটা দেখার আমার সৌভাগ্য হয়েছিল। দারুন দেখাচ্ছিল বড় দাদাকে। আপনার পছন্দের প্রশংসা করতেই হয়।
আপনার ব্যস্ততা বুঝতে পেরেছি বৌদি। আসলে বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোতে অনেক কাজ থাকে। বিয়ের আরো মুহূর্ত আপনার কাছ থেকে দেখতে চাই। বিয়ে উপলক্ষে অনেক শপিং করতে হয়। আর এখানে আনন্দও আছে। শপিংয়ের মুহূর্তগুলো দেখে খুবই ভালো লাগছে। কোট টি আসলেই খুব সুন্দর হয়েছে। আপনার পছন্দ দারুন।
ছোট দাদার বিয়ের কেনাকাটার বেশকিছু ফটোগ্রাফি শেয়ার করলেন দিদি।আসলে বিয়ের কেনাকাটা তো আর কম নয়।তাই দীপাবলির আগেই সেরে ফেললেন।বৌভাতে সাধারণত কোট ই পরে সবাই।দাদার জন্য ও কালো কালারের কোট নিলেন।মোটামুটি কেনাকাটা শেষ করে টিনটিন বাবুর আবদারে খাওয়া-দাওয়া সেরে বাসায় গেলেন।বাকি বিয়ের আরো কিছু ফটোগ্রাফি দেখার অপেক্ষায় রইলাম দিদি।ধন্যবাদ আপনাকে।
বাড়ির একেবারে ছোট ছেলের বিয়ে তার উপর আপনার ছোট দেবর। এইরকম ব্যস্ততা তো হবেই বৌদি। দুই দাদার কোট দেখছি বেশ সুন্দর হয়েছে। যদিও বেশ অনেকগুলো দেখার পর পছন্দ হয়েছে শেষমেশ কোট টা। ধন্যবাদ আপনার পোস্ট টা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য বৌদি।
বিয়ের শপিং দেখতে খুব ভালো লাগে।আর বিয়ের জন্য শপিং করতেও খুব ভালো লাগে। আপনার দেবরের বিয়ের জন্য আপনার অনেক ব্যস্ততা ছিল সেটা আমরা বুঝতে পারছি বৌদি। কেনাকাটা শেষে টিনটিন বাবুর আবদারে খাবার খেয়ে বাড়ি আসলেন। খুব ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি পড়ে।
বাংলাদেশ থেকে ফিরেই ছোট দাদার বিয়ে নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে গিয়েছেন এবং এক হাতে এতো সব আয়োজন ,বিয়ে উপলক্ষে সব আত্নীয়দের খেয়াল রাখা, দুই দাদার জন্য বিয়ে উপলক্ষে কেনা কাটা এবং এতো ব্যাস্ততার মাঝেও সুন্দর করে ফটোগ্রাফি করে রাখা আমাদের সাথে শেয়ার করবেন বলে।সব কিছুই অসম্ভব কে সম্ভব করার মতো অবস্থা। ঠিক বলেছেন বৌদি বিয়ে মানেই ব্যস্ততা।বিয়ে মানেই হাজারও কেনাকাটা।দাদাকে কালো রঙ্গের কোট,লাল টাইও সাদা শার্টে খুব সুন্দর মানায় জানতে পারলাম আপনার পোস্টের মাধ্যমে।ধন্যবাদ বৌদি এতো সুন্দর পোস্টি কারার জন্য। বিয়ের বাকি সব আনন্দঘন মূহুর্তের পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম।