হাসপাতালে ঘুরাঘুরি করে কিছু জানার ও শিখার অনুভূতির গল্প শেয়ার || ১০% প্রিয় লাজুক-খ্যাক🦊এর জন্য
আসসালামু-আলাইকুম / নমস্কার
হ্যালো বন্ধুরা, সবাই কেমন আছেন? আশা করি সবাই অনেক ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ আমিও অনেক ভালো আছি। প্রতিদিন চেষ্টা করি কোনো না কোনো ইউনিক পোস্ট আপনাদের মাঝে নিয়ে আসতে। আজও তার ব্যতিক্রম নয় তবে জানিনা কতটা ইউনিক নিয়ে আসতে পেরেছি। কোনো ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। আজ আমি আপনাদের সাথে হাসপাতালে ঘুরাঘুরি করে কিছু জানা ও শিখার অনুভূতির গল্প শেয়ার করব।আমার খালাতো বোনের স্বামী মানে আমার দুলাভাই খুবই অসুস্থ তাকে নিয়ে আজ সারাদিন হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করেছি। আমার সেই হাসপাতালে ঘুরা ঘুরি করে অনেক নতুন অভিজ্ঞতা হলো। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।
প্রথমে আমরা বাংলামটর পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে গিয়েছি। তারপর সেখানে কিছু কাজছিল তা শেষ করে আবার আমরা অন্য হাসপাতালের উদ্দেশ্য রওনা দিলাম। তারপর প্রায় দুই ঘণ্টা পর আমরা শ্যামলী পপুলার ডায়াগনস্টিক জেনারেল হাসপাতালে পৌঁছাই।
এরপর রিসিপশনে গিয়ে আমার সব কাগজ গুলো সেখানে জমা দিয়েছি। আপনাদের আরো একটা কথা বলি এর আগেরদিন তারা বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষাকরে গিয়েছিল। কিন্তু CT-Scan করা হয়নি তার জন্য এত দৌড়াদৌড়ি। আমি আজ রোজা রেখে সারাদিন দুলাভাইকে নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করেছি। অবশেষে সবগুলো পরীক্ষা করে রিপোর্ট নিয়ে এসেছি। এর আগে রিপোর্টের মধ্যে ধরা পড়েছে লিভারের টিউমার হয়েছে। ডাক্তার আরো ক্লিয়ার করার জন্য আজ CT-Scan করতে বলে। তাহলে একদম সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।
আমার জীবনে এই প্রথম এরকম অভিজ্ঞতা। এমন কাজ করতে পেরে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগছে। আমরা যখন বাসায় থাকি তখন বুঝতে পারিনা মানুষ কি পরিমান অসুস্থ হয়। হাসপাতালে গেলে দেখা যায় কত ধরনের রোগী আছে। মাঝেমধ্যে হাসপাতালের এমন করূন দৃশ্য দেখে খুবই খারাপ লাগে।আমি আজ হাসপাতালে এভাবে ঘুরা ঘুরি করে অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পেয়েছি।
আপনারা সবাই আমার দুলাভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন। যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যায়। আজ এ পর্যন্তই। আবার নতুন কোনো অনুভূতির গল্প শেয়ার করার জন্য চলে আসবো সে পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিরাপদে থাকবেন।
আমি তানজিমা। আমি একজন বাংলাদেশী। আমার মাতৃভাষা বাংলা বলে আমি নিজেকে নিয়ে অনেক গর্ববোধ করি। আমি ফিন্যান্স বিভাগ থেকে বিবিএ শেষ করেছি।
আমি ছবি আঁকতে, পড়তে, লিখতে ফটোগ্রাফি, রেসিপি এবং ডাই বানাতে খুব পছন্দ করি। আবার আমি ভ্রমণ বা ঘুরাঘুরি করতে খুব পছন্দ করি। এছাড়াও আমি বিভিন্ন ধরনের রেসিপি তৈরি করতে খুব পছন্দ করি। আমি চেষ্টা করি সব সময় যেন নতুন কোনো কিছু করা যায়।
Twitter Share
https://twitter.com/tanjima_akter16/status/1511517951341473792?s=20&t=Huf9bdz_cKc3rHlWys-gSw
আপু আপনি ঠিক বলেছেন, বাসায় থাকলে বোঝাই যায়না যে মানুষ কি পরিমান অসুস্থ থাকে। হাসপাতালে গেলে বোঝা যায় মানুষের কি অবস্থা। আর কি পরিমান অসুস্থ। তাদের কে দেখে নিজের খুব খারাপ লাগে। আপু আপনার দুলাভাই যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠতে পারে এই প্রার্থনা করি। আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা রইল আপু।
সবসময় দোয়া করবেন ভাইয়া। আর ঠিকই বলছেন বাসায় থাকলে বুঝা যায় না মানুষ কত কষ্টে থাকে বাইরে। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
প্রথমেই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাই আপনার প্রথম অভিজ্ঞতাটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য। আমাকে হাসপাতালে যেতে ইচ্ছে করে না কারণ সেখানে গেলে অনেক ধরণের রোগির কান্না দেখলে আমি নিজেকে সহ্য করতে পারিনা। সেখানে গেলে আমার অনেক কষ্ট হয়। তাই বেশী হাসপাতালে যাওয়া হয়না। দোয়া করি প্রথম উদ্দেশ্যে যেন সম্পন্ন হয়।
যখন কাছের মানুষ অসুস্থ হয়ে যায় তখন যাওয়া লাগে ভাইয়া, আর তখনই দেখা যায় মানুষের কষ্ট গুলো। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
প্রথমত আপনার দুলাভাইয়ের জন্য অনেক দোয়া রইল উনি যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যান। এরকম একটা অভিজ্ঞতা আপনি শেয়ার করেছেন আমার কাছে ভালো লাগলো। আর সত্যিই তাই আমরা ঘরে বসে দেখতে পারিনা কে কিরকম আছে। বিশেষ করে হাসপাতালে গেলেই বোঝা যায় মানুষ কতটা কষ্টে এবং অসুস্থ আছে। আপনি নিজে সবগুলো কাজ করেছেন দেখে ভালো লাগলো। আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপু সব সময় দোয়া করবেন দুলাভাইয়ের জন্য। আর ঠিকই বলছেন বাইরে মানুষ কত কষ্টে আছে তা ঘরে থেকে দেখা যায় না। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
আপনার অভিজ্ঞতার বিষয় গুলো শেয়ার করাতে আমরাও অনেক কিছু শিখতে পারলাম। আসলেই আপু হাস্পাতালে গেলে অনেক নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জানা যায়। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য।
হাসপাতালে গেলে আসলেই অনেক নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়। আপনি সুন্দর মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
ঠিকই বলেছেন আপু আমরা বাসায় থাকি তো আর প্রতিদিন কত মানুষ যে অসুস্থ হয় তা হসপিটালের না গেলে দেখাই যায়না। সুস্থতা আল্লাহর নেয়ামত সবাই সুস্থ থাকুক এই কামনাই করি ।সারাদিন আপনি আপনার দুলাভাইকে নিয়ে অনেক ঘোরাঘুরি করলেন নতুন অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন পড়ে ভালো লাগলো। দোয়া করি আপনার দুলা ভাই যেন তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ওঠেন।
আপু দোয়া করবেন সবসময় আমার দুলাভাইয়ের জন্য যেন খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে যায়। আর ঠিকই বলছেন হসপিটালে গেলে অনেক কিছুই দেখা যায়। আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।