ফরিদপুর স্লুইসগেটে কিছুক্ষণ
বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুল্লিাহ ভাল আছি।
এখনও আমাদের ফরিদপুরে রয়েছি। লাস্ট দুই দিন খুবই ব্যস্ত ছিলাম কারণ সিলেট থেকে আমাদের ১২-১৩ জন আত্মীয়-স্বজন এসেছিল।তাদেরকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম।তাদের মধ্যে দুই একজন ছাড়া কখনো কেউ ফরিদপুরে আসেনি? এই প্রথম এসেছিল।।তাদের খুব শখ ছিল ফরিদপুর শহরটি দেখা, স্পেশালি পর্দা সেতু।সকালে তারা আবার সিলেটে ফিরে যায়। এদিকে আমার বাবার বাড়িটি একেবারে খালি হয়ে পড়ে রয়েছে, কারণ আমার মেঝ বোন ও ছোট বোন তাদের ফ্যামিলি নিয়ে আজ ঢাকায় চলে গিয়েছে, শুধু রয়েছে সেঝ বোন।বাসা একেবারেই ফাঁকা হয়ে গিয়েছে, বাচ্চারাও খুব মিস করছে তাদের কাজিনদেরকে।আমাদেরও আর মাত্র দুটি দিন রয়েছে, এরপর চলে যাব ঢাকায়। ইংল্যান্ডে যাওয়ার আগে আর এখানে আসা হবে না, একবারে সবার সাথে কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে যাব।যাইহোক বাচ্চাদের খুব বোরিং লাগছিল ঘরে বসে থেকে। তাই আমরা যে কয়জন বাসায় ছিলাম চলে গেলাম একটু ঘুরতে।সকলে মিলে স্লুইসগেটে গিয়েছিলাম।কিন্তু প্রবলেম হল এখনকার রাস্তা ঘাট এত খারাপ তা বলার মত না। ছোট্ট একটি রাস্তা, কিন্তু সেই রাস্তা দিয়ে এত ট্রাক চলে বলার মত নয়। ধুলাবালিতে ভরা পুরো রাস্তা।
ঠিকমত নিঃশ্বাস ও নেওয়া যায়না এই রাস্তায়।গিয়ে দেখলাম অনেক ভীর সেখানে।লোকজন খুব ইনজয় করছে।যাইহোক বেশিক্ষণ সেখানে থাকিনি কারণ মাগরিবের টাইম হয়ে গিয়েছিল।আগে প্রতিবছর সেখানে যেতাম। খুব বেশি ইনজয় করতাম সেখানে।নৌকা ভাড়া করতাম সকলে মিলে ঘন্টা হিসেবে।এখন দেখলাম সেই ব্যবস্থাগুলো আর নেই।লোকজন শুধু দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে।এখানে এসে ছোটবেলার স্মৃতিগুলো মনে পড়ে গেল।
স্লুইসগেটে যাওয়ার পথে এই ফটোগ্রাফি গুলো নিয়েছিলাম।অনেক সুন্দর লাগছিল দৃশ্যগুলো দেখতে।
সকলে মিলে রিকশায় করে গিয়েছিলাম। মেয়েরা রিকশা খুব লাইক করে।আমার রিকশায় আমার বড় মেয়ে ছিল।যাওয়ার পথে আমার মেয়েকে আমি যে স্কুলে পড়তাম তা দেখালাম, তার মামার স্কুল দেখালাম।মেয়ে তো তা দেখে খুব খুশি। এছাড়া আরও কিছু স্থান দেখে অবশেষে ঘরে ফিরলাম।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 15 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
[
সবাই এক সাথে থাকার মজাই অন্য রকম। তারপর সবাই যখন চলে যায় তখন খুব খারাপ লাগে। আর বাচ্চাদেরতো আরও বেশি খারাপ লাগার কথা। বাচ্চাদের নিয়ে বেরিয়ে পরে বেশ ভালো করেছেন। এতে তাদের বোরিংনেস কিছুটা হলেও কমবে। বেশ ভালো সময় কাটান বাংলাদেশে এই দোয়া করি।
আসসালামুআলাইকুম @tangera!
What a beautifully nostalgic post! I loved reading about your family visit to Faridpur and seeing the photos of your trip to the sluice gate. It’s wonderful that you were able to share those childhood memories with your daughter, showing her your old school and her uncle's school. The photos really capture the essence of a family outing, even with the dusty roads. I can almost feel the excitement of the rickshaw ride and the disappointment that the boat rides are no longer available. This post is a great reminder of how important it is to cherish those moments with family and revisit places that hold special memories. Thank you for sharing this personal glimpse into your life! I'm sure others would love to hear about your favorite memory from the sluice gate, so feel free to share in the comments!