কেটে গেল প্রচন্ড ঠান্ডার মধ্য দিয়ে একটি দিন
সবাই কেমন আছেন ?আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
প্রচন্ড ঠান্ডার একটি দিন ছিল আজ। আপনারা ইতিমধ্যেই জেনে গিয়েছেন এখন আমাদের এখানে পুরো দমে ঠান্ডা পড়া শুরু হয়ে গিয়েছে। কেন জানি অন্যান্য দিনের তুলনায় আজকে আমার বেশি ঠান্ডা লেগেছে। তাপমাত্রা ছিল ৪ ডিগ্রির মত কিন্তু আমার কাছে মনে হচ্ছিল জিরো ডিগ্রীরও অনেক কম। যেহেতু দুই বাচ্চাকে দুই স্কুল থেকে আমাদের দুজনকে আনতে হয়, সেহেতু ঘর থেকে বের না হওয়ার বিকল্প কিছুই নেই। হ্যান্ড গ্লাভস নিয়ে গিয়েছিলাম না, হাত যেন ঠান্ডা আইস হয়ে যাচ্ছিল। কোটের পকেটে কি সারাক্ষণ হাত দিয়ে বসে থাকা যায়। রাস্তায় হেঁটে যাওয়ার সময় নাক দিয়ে পানি পড়া শুরু হয়ে যাচ্ছিল ঠান্ডায়। ঘরের মধ্যে এত ঠান্ডা অনুভূত হয়না।যদিও ঘর প্রচন্ড ঠান্ডা হয়ে যায় কিন্তু আমরা সব সময় সেন্ট্রাল হিটার অন করে রাখি।একটি টাইমারে দিয়ে রাখলে নির্দিষ্ট টাইম পরপর একাই ঘর গরম হয়ে যায়। তাই শীতের দিন আমার ঘর থেকে বের হতে মন চায় না। কিন্তু কি আর করা? ঘর থেকে তো বের হতেই হবে। যাই হোক আমার আজকের পর্বের মূল টপিক হচ্ছে ফটোগ্রাফি। চলুন চলে যাওয়া যাক তাহলে ফটোগ্রাফি গুলো উপভোগ করা যাক।
স্কুলের গেটের সামনে সবাই লাইন ধরে দাঁড়িয়ে রয়েছে কখন গেট খুলবে। গেট খুললে সবাই গেট দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করছে।
আরেকজন কুকুর নিয়ে চলে এসেছে বাচ্চাকে পিকআপ করতে।
ছোট্ট বাচ্চাকে কোলে নিয়ে এসেছে একজন মা তার আরেকটি বাচ্চাকে পিক আপ করতে।
আপনাদেরকে এর আগেই বলেছিলাম এ দেশে শীতের সময় বেশি বৃষ্টিপাত হয় সামার সিজনের তুলনায়।টানা কয়দিন ধরে বৃষ্টি পড়েই যাচ্ছে। খুব বেশি প্রবলেম হয় বাচ্চাদেরকে স্কুলে আনা নেয়া করতে বৃষ্টির সময়। দেখতে পাচ্ছেন জায়গায় জায়গায় বৃষ্টির পানি জমে রয়েছে।কিন্তু আজকে ভাগ্য ভালো ফেরার সময় তেমন বৃষ্টি পড়েনি, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ছিল।প্রচন্ড ঠান্ডায় যদি বৃষ্টিপাত হয় এবং সাথে যদি বাতাস থাকে তাহলে কেমন অনুভূত হয় তা বুঝতেই পারছেন। চলুন এক নজরে বাকি ফটোগ্রাফি গুলো দেখে নেয়া যাক। সবগুলো ফটোগ্রাফি আজকে করা হয়েছে বাচ্চাকে স্কুল থেকে আনার সময়।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 13 Pro Max |
| Location |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
যেরকম শীতের বিবরণ দিলেন তাতে বোঝা যাচ্ছে কি পরিমানে শীত পরছে আবার এই শীতের মধ্যে যদি বৃষ্টি হয় তাহলে তো অবস্থা খুবই খারাপ। ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার নিচে যদি তাপমাত্রা হয় তাহলে কি পরিমানের শীত সেখানে।
লন্ডনের এই একটি সমস্যা। শীতের সময় বৃষ্টি হওয়া । প্রচন্ড ঠান্ডা এর মধ্যে আবার হঠাৎ করেই বৃষ্টি ঝড়া হাওয়া। আসলে সবাই পরিবেশের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চলতে খাপ খাইয়ে যায়। যাইহোক ফটোগ্রাফি গুলোর মধ্যে অনেক কিছু দেখার সৌভাগ্য হলো।।
আমাদের বাংলাদেশেও শীতকালে বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে বিশেষ করে মাঘ মাসে মাঝে মাঝে সময়ে। তবে বৃষ্টি হওয়াটা যে কতটা কষ্টের ব্যাপার ঠান্ডার মধ্যে যারা পারিবারিক কাজকর্ম করে থাকে তারাই বুঝতে পারে। যাই হোক আপনি ঠান্ডার দিনের বৃষ্টি ভেজা বিষয় তুলে ধরেছেন পোষ্টের মাঝে। এই থেকে জানতে পারলাম বর্তমান পরিস্থিতি আপনাদের ওখানে।
এত ঠান্ডা পড়লে আসলেই ঘর থেকে বের হতে ইচ্ছা করে না। কিন্তু বাচ্চাদের স্কুল থেকে আনা নেওয়া করতে হলে তো প্রতিদিন ঘর থেকে বের হতেই হয়। তাছাড়া শীতকালে বৃষ্টি হলে অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যায়। সেরকম বিপত্তিতে আপনি পড়েছেন দেখছি। যাদের ছোট বাচ্চা রয়েছে তাদের জন্য বেশি কষ্টকর। যাইহোক কিছুদিন গেলে হয়তো এই পরিবেশে আবার অ্যাডজাস্ট হয়ে যাবে।
এখন তো অনেক কিছুই বদলে যাচেছ। সেই সাথে যেন বদলে যাচেছ সিজনও । এই যেমন শীতকালে এখন অনেক বেশী বৃষ্টিপাত হয়। আর বর্ষাকালে বৃষ্টি তেমন দেখা যায় না। আপনার আজকের ফটোগ্রাফি দিয়ে আজ আপনাদের ঐখান কার শীতকালের ঠান্ডার পরিস্থিতিটা বেশ দেখতে পেলাম। ধন্যবাদ আপু সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আমাদের সাথে এত কিছু শেয়ার করার জন্য।
আমার তো ভেবেই কেমন একটা লাগছে আপু। আমাদের এদিকে তো ১০° এর নিচে আসলেই আমাদের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। আর ওখানে ৪° তার উপর আবার বৃষ্টি। কিন্তু এরমধ্যেও বাচ্চাদের স্কুল খোলা রয়েছে। এবং সবাই চলে গিয়েছে তাদের বাচ্চাদের নিয়ে আসতে।
৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা ভারতেই অবাক লাগছে আপু। আর এই পরিস্থিতিতে দুই বাচ্চাকে দুই স্কুল থেকে আনা নেয়া করা সত্যি অনেক মুশকিল। সত্যি আপু এরকম পরিস্থিতিতে আপনি অনেক চাপের মধ্যে আছেন বুঝতেই পারছি। তবে কি আর করার সব কিছু তো সামলে নিতেই হবে। যাইহোক আপনি এবং আপনার পরিবারের সবাই যেন এই ঠান্ডাতেও সুস্থ থাকে এই প্রত্যাশাই করি। অনেক অনেক দোয়া এবং ভালোবাসা রইলো আপু।♥️♥️♥️
৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলেও অনেক সময় ঠান্ডা বেশি লাগে যদি বাতাস থাকে তাহলে। তীব্র শীতেও রুমে থাকতে বেশ ভালোই লাগে,কারণ ফ্লোর হিটার থাকে শীতপ্রধান দেশগুলোতে। কিন্তু বাহিরে গিয়ে কিছুক্ষণ থাকলে অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। সবসময় মনে করে হ্যান্ড গ্লাভস নিয়ে বের হবেন আপু। শীতকালে বৃষ্টিপাত হওয়াটা আসলেই খুব বিরক্তিকর। যাইহোক ফটোগ্রাফি গুলো দেখে সত্যিই ভীষণ ভালো লাগলো আপু। যাইহোক এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার পুরো পরিবারের প্রতি অনেক অনেক দোয়া এবং শুভকামনা রইল আপু।
প্রচন্ড ঠান্ডা পড়েছে তাহলে ৷ আসলে আমাদের এদিকেও ঠান্ডা শুরু হয়েছে ৷ দিনের বেলা ততটা ঠান্ডা না করলেও রাতে প্রচন্ড ঠান্ডা পড়ে ৷ আসলে যতই ঠান্ডা পরুক নিত্য প্রয়োজনে বাড়ির বাইরে যেতেই হয় ৷ আজ আপনার অবস্থা তাহলে বেহাল হয়েছে ৷ যাই হোক ফটোগ্রাফি গুলো ভীষণ ভালো হয়েছে ৷ অনেক ভালো লাগলো ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ৷ ধন্যবাদ আপু , আপনার জন্য শুভকামনা রইল
আপু ৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা কিন্তু এতো ঠান্ডায় আপনার মনে হচ্ছিল ০ ডিগ্রির ও কম।আসলে দুই মেয়ে দুই স্কুল থেকে আপনারা দুজন আনানেয়া করেন।এই ঠান্ডার মধ্যে বেশ কষ্টকর বাইরে বের হওয়া।আর যদি বৃষ্টি হয় তবে তো কোন কথাই নেই।আপনার শেয়ার করা ফটোগ্রাফি গুলো দেখে বেশ বুঝতে পারলাম শীত আর বৃষ্টির তীব্রতা। ধন্যবাদ আপু অনুভূতি গুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।