অবশেষে বেঁচে গেল ইংল্যান্ড থেকে আনা আপেল ও পিয়ার গাছ
বন্ধুরা, সকলে কেমন আছেন ? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুল্লিাহ ভাল আছি।
অনেক আগে আমার একটি পোস্টে দেখিয়েছিলাম হাসব্যান্ড কিছু আপেল ও পিয়ারের চারা এনেছে বাংলাদেশে নেওয়ার জন্য।এতদিন হাজব্যান্ড অনেক যত্ন করেছিল গাছগুলোকে বাংলাদেশে নিয়ে আসবে বলে।অবশেষে চারাগুলো সুন্দরভাবে প্রসেস করে লাগেজে করে বাংলাদেশে আনা হয়েছে।গাছগুলোর শিকড়ের মাটি গুলো ফেলে হালকা কিছু মাটি রাখা হয়েছিল শিকড়ের সাথে। আমি তো ভেবেছিলাম গাছগুলোর বাঁচা সম্ভব নয়, কিন্তু গাছগুলো একেবারে তরতাজা রয়েছে।প্রথমে যখন লাগেজ থেকে বের করা হয়েছিল তখন পাতাগুলো একেবারে শুকিয়ে ছিল, মনে হচ্ছিল আর বাঁচা সম্ভব নয়।কিন্তু মাটিতে লাগানোর পর পরের দিন দেখি একেবারে তরতাজা হয়ে উঠেছে।মোট পাঁচটি গাছ আনা হয়েছিল, তার মধ্যে তিনটি আপেল গাছ, আর দুটি পিয়ার গাছের চারা।
আপেল গাছ।
পিয়ার গাছ।
তিনটি আপেল গাছের মধ্যে একটি আপেল গাছ আমার বাড়িতে নিয়ে যাব।জানিনা এই গাছগুলোতে আদৌও আপেল ধরবে কিনা? তারপরও মনে সান্তনা। আসলে আমার হাসব্যান্ডের অনেক দিনের শখ ইংল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে আপেল গাছ নিয়ে লাগাবে।আর সে আপেল আমার শাশুড়ি সহ পরিবারের সকলকে খাওয়াবে।আসলে আপেল গাছ তো বাংলাদেশেও পাওয়া যায়, কিন্তু এটি ছিল তার শখ। যেহেতু আমার বাগানের আপেল গুলো অনেক টেস্ট, খুব মিষ্টি তাই ভেবেছে এই আপেল গুলোও তেমনি টেস্ট হবে।কিন্তু আমার টেনশন হচ্ছে এক দেশের গাছ অন্য দেশের মাটিতে হবে কি না? আর হলেও কি একই স্বাদ থাকবে কিনা? কারণ এর আগে আমরা বাংলাদেশ থেকে পিয়ারা ও লেবুর গাছ এনেছিলাম।কিন্তু গাছগুলো বাঁচানো সম্ভব হয়নি।এক এক দেশের পরিবেশ ও আবহাওয়া এক এক ধরনের।বাংলাদেশে যেমন বেশিরভাগ সময় গরম থাকে আর ইংল্যান্ডে থাকে বেশিরভাগ সময় ঠান্ডা আবহাওয়া।যাইহোক চেষ্টা করে দেখা তো আর দোষের কিছু নয়, হয়তো হতেও পারে।
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 15 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হবো আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
[
Wow, @tangera, this post is absolutely heartwarming! The dedication of your husband to bring apple and pear trees all the way from England to Bangladesh is incredibly touching. The photos are beautiful, and the story of how the seemingly lifeless saplings revived after planting is truly inspiring. It really speaks to the power of hope and the will to make a dream come true! I am equally curious to know if the apples will retain their delicious English taste in the Bangladeshi soil. I hope your husband’s dream comes true, and your family gets to enjoy the fruits of his labor. Thank you for sharing this personal and fascinating journey with us. I am sure many readers will be eagerly waiting for an update on the trees' progress! All the best!
আজকাল অনেক বিদেশী ফলই বাংলাদেশে চাষ করা হয়। এমকি এভোকাডোও চাষ করা হয় । কিন্তু দেশ ভেদে স্বাদ ভিন্ন হয়। যে দেশের গাছ সেই দেশেই ভালো হয়। তবে আপনার আনা গাছে আপেল ও পিয়ার ফল হলেও সেই দেশের মতো স্বাদের হবে কিনা তাই দেখার বিষয়। তবে সখ করে এনেছেন যখন ভাইয়া তখন দেখা যাক।
কোন গাছের মধ্যে কেমন ফল হবে সেটা নির্ভর করে মাটির গুনাগুনের উপর যেমন আমাদের রংপুরের আমগাছ আমাদের বাংলাদেশেরই বেশ কিছু জেলা রয়েছে যেগুলোতে রোপন করলে কখনোই আম আসবে না এমনকি গাছ বাঁচবেও না। যাই হোক প্রার্থনা করছি আপনার ইংল্যান্ড থেকে নিয়ে আসা আপেল এবং পিয়ার গাছ গুলো যেন সঠিকভাবে বাচে এবং যথেষ্ট পরিমাণে ফল আসে।
গাছগুলো মাটি পেয়ে তাজা হয়ে উঠলো দেখে ভীষণ ভালো লাগলো আপু। যত্ন করে যদি টিকিয়ে রাখা যায় তবে মিষ্টি আপেল গাছে ধরলে সবাই খেয়ে বুঝতে পারবে আপেল গুলো সত্যি ই সুস্বাদু। গাছ গুলো এ দেশের মাটিতে বেঁচে থেকে ফল দিক এটাই দোয়া করি।ধন্যবাদ আপু অনুভূতি গুলো শেয়ার করে নেয়ার জন্য।