পছন্দের কদবেল
আসসালামুআলাইকুম,
বন্ধুরা সকলে কেমন আছেন? আশা করি ভালোই আছেন, আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।
আজকে আপনাদের মাঝে হাজির হয়ে গিয়েছি আমার সেই পছন্দের কদবেল মাখা রেসিপি নিয়ে। হ্যাঁ বন্ধুরা কিছুদিন আগে আপনাদের সাথে শেয়ার করেছিলাম হাজব্যান্ড শপ থেকে মোট চারটি কদবেল কিনে এনেছিল।এই অসময়ে যে কদবেল পাওয়া যাবে তা আমি কখনোই ভাবি নি।লন্ডনের বড় বড় বাঙালি শপগুলোতে মাঝে মাঝে কদবেল দেখা যায়।তবে খুবই রেয়ার।এর আগে প্রায় ৩/৪ বছর আগে একবার এনেছিল।বাংলাদেশে থাকতে অনেক খাওয়া হতো এই কদবেল মাখা।বাজার থেকে প্রায় কেনা হতো, আবার কখনো কখনো বাসার সামনে দেখা যেত কদবেল বিক্রেতারা।বিক্রেতাদের কাছ থেকে প্রায়ই কেনা হতো কদবেল।আবার কখনো কখনো এমনও ঘটেছে, আশা করে কদবেল কিনে ভেঙ্গে দেখি ভেতরে পঁচা।তখন কি যে খারাপ লাগত তা আর বলে বোঝাতে পারবো না।তাই কদবেল হাঁতে পেলে প্রথমেই মনে হয় ভেতরে কেমন হবে, ভালো হবে? না খারাপ হবে? মোট চারটি কদবেল ছিল, তার মধ্য থেকে দুটি কদবেল ভেঙে ছিলাম।দুটি কদবেলই ভাল ছিল।একটি ব্রাউন কালারের ছিল, আর অন্যটি হালকা সাদা ভাব ছিল, মনে হচ্ছিল সেটি বেশি কচি।কিন্তু খেতে দারুন স্বাদের ছিল।যাই হোক এই সুদূর সাত সমুদ্র তের নদীর পাড়ে বসে যে কদবেল মাখা খেতে পেরেছি এর চেয়ে বড় ব্যাপার আর কি হতে পারে? তাহলে চলুন এক নজরে দেখে নেয়া যাক আমার কদবেল মাখা রেসিপি।
চলুন দেখে নেয়া যাক রেসিপিটি তৈরি করতে আমাদের কি কি উপকরণ এবং কতটুকু পরিমান লাগবেঃ
| উপকরণ | পরিমাণ |
|---|---|
| কদবেল | ২ টি |
| কাঁচা মরিচ | ২/৩ টি |
| ধনেপাতা কুচি | তিন টেবিল চামচ |
| লবন | স্বাদমতো |
কার্যপদ্ধতিঃ
প্রথমে কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা কেটে নিয়েছি।
কদবেল দুটি রেডি করেছি ভাঙার জন্য।
প্রথম কদবেল ভাঙার পর।
দ্বিতীয় কদবেল।
চামচ দিয়ে বের করে নিয়েছি ভেতরের অংশগুলো।
এরপর ধনেপাতা, কাঁচামরিচ ও লবণ অ্যাড করেছি মাখানোর জন্য।
পরিবেশন এর জন্য রেডি
| Photographer | @tangera |
|---|---|
| Device | I phone 15 Pro Max |
বন্ধুরা এটিই ছিল আমার আজকের আয়োজন।আশাকরি আপনাদের ভালো লেগেছে।
পরবর্তীতে নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব আপনাদের মাঝে।
ধন্যবাদ,
👉 আমাদের discord চ্যানেল এ JOIN করুন :
VOTE @bangla.witness as witness
OR
কদবেল মাখা খেতে ভীষণ মজা লাগে। আগে খাওয়া হতো এখন আর খাওয়া হয়না। আপনি ঠিক বলেছেন আপু কদবেল কিনে পরে যদি সেটা পঁচা হয় তখন ভীষণ খারাপ লাগে। ভাইয়া কদবেল নিয়ে এসেছে এর পরে আপনি কদবেল মাখা তৈরি করেছেন খুব ভালো হয়েছে। আশাকরি খুব মজা করে খেয়েছেন। আপনার পোস্ট দেখে আমিও শিখে নিলাম।
আপনি এত মজাদার ভাবে কদবেল মাখা তৈরি করে খেয়েছেন শুনে ভালো লাগলো। এটা দেখেই তো আমার অনেক বেশি লোভ লেগে গিয়েছে আপু । বুঝতেই পারছি এই কদবেল মাখা খেতে, দারুন লেগেছিল। আপনি এত সুন্দর করে এটা সবার মাঝে শেয়ার করে নিয়েছেন দেখে খুব ভালো লেগেছে। এই স্বাদের কদবেল আপনি দারুণভাবে মেখেছেন।
আপনার কদবের মাখানো দেখে জিভে জল চলে আসলো আপু। আসলেই অসময় কদবেল মাখানো খেতে অনেক ভালো লাগে। শখ করে যদি কোন জিনিস কিনে আনা হয় সেটি যদি পচা হয় তাহলে অনেক খারাপ লাগে ।ধন্যবাদ আপু শুভকামনা রইল।
ইস্ কটবেল। এমনি তো কটবেল দেখলে মুখে জল চলে আসে। তার উপর আবার এমন করে ভর্তা। আমার তো দেখেই অবস্থা খারাপ। বেশ সুন্দর একটি রেসিপি আপনি আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন আপু্ । ধন্যবাদ আপনাকে।
এই কিছুদিন আগেই কদবেল মাথা খেলাম। আমার পছন্দের পথ গুলির মধ্যে অন্যতম এই কদবেল মাথা। আপনি সেটি খুব সুন্দর ধাপে ধাপে ছবির মাধ্যমে দেখালেন। কিন্তু সমস্যা হল এসব ছবি দেখে তো এখনই জিভে জল আসছে।। কিন্তু এখন ছবির মাধ্যমে কি করে এই মাখা খাই। অসাধারণভাবে উপস্থাপনা করেছেন সবটুকু।
এরকম ভাবে কখনো কদবেল মাখা আমার খাওয়া হয়নি। একটা কদবেল দেখছি অনেক বেশি পাকা। আর একটা কিছুটা কচি। তবে মনে হচ্ছে দুইটা একসাথে মাথার উপর খেতে দারুন লেগেছিল। আমার কিন্তু খুবই পছন্দ হয়েছে আপনার তৈরি করা এই কদবেল মাখা। আপনার খাওয়া দেখে আমার নিজেরই খেতে ইচ্ছে করছে।
এখনই তো কদবেলের সিজন চলছে। আমাদের এখানে বাইরে প্রচুর কদবেল পাওয়া যাচ্ছে এখন। এজন্যই হয়তো আপনাদের ওখানে কদবেল পাওয়া গিয়েছে। ঠিকই বলেছেন আপু কদবেল কিনলে রিস্ক থাকে ভিতরে নষ্ট হওয়ার। আপনি তো বেশ ভালোই পেয়েছেন। কদবেলটি মাখানো দেখেই খেতে ইচ্ছা করছে। এত লোভনীয় লাগছে দেখতে।
একেবারে মুখরোচক একটি রেসিপি শেয়ার করেছেন আপু। কদবেল মাখা খাওয়ার মজাই আলাদা। কদবেল ভাঙ্গার পর যদি দেখি পঁচা, তাহলে কিন্তু মনটা আসলেই খারাপ হয়ে যায়। যাইহোক প্রথম কদবেলটা বেশি ভালো লেগেছে দ্বিতীয় কদবেল এর চেয়ে। এতো লোভনীয় একটি রেসিপি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু।
ঠিক বলেছেন আপু যেমনি হোক না কেন এত দূরে বসে শৈশবের স্মৃতি মনে করে এমন মজার ও লোভনীয় একটি জিনিস খেতে পেরেছেন এটাই অনেক। আপনার কদবেল মাখা দেখে জিভে জল চলে আসলো। কদবেল এভাবে সুন্দর করে মাখিয়ে খেতে খুব ভালো লাগে। এটা ঠিক উপরে দিয়ে একদমই বুঝা যায় না ভেতরে ভালো নাকি পঁচা। আপনার উপস্থাপনা লোভনীয় হয়েছে। ধন্যবাদ আপু লোভনীয় রেসিপি শেয়ার করার জন্য।
কদবেল আমার খুবই পছন্দের। এই বছরেও বেশ কয়েকবার খেয়েছি। কদবেল মাখা টা দারুণ করেছেন আপু। দেখেই জিভে পানি চলে আসছে। সবমিলিয়ে চমৎকার ছিল আপনার পোস্ট টা। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।