বোনের জন্মদিনের কিছু মুহূর্ত
নমস্কার বন্ধুরা,
আশা করি সবাই ভালো আছেন।সুস্থ আছেন।আজ আমি আপনাদের সঙ্গে গতকাল বোনের জন্মদিনের কিছু মুহূর্ত ভাগ করে নেবো।আশা করি আপনাদের সকলের ভালো লাগবে।
গতকাল বোনের জন্মদিন ছিল।জন্মদিন মানেই হইহুল্লোর হাসি ঠাট্টা ,খাওয়া-দাওয়া, মিলেমিশে সবই আছে। বোনের জন্মদিন মানেই স্পেশাল একটা দিন এবং স্পেশাল একটা মুহূর্ত আমার কাছে। আমার বোন আমার কাছে মায়ের দ্বিতীয় কপি কারণ মা আমাকে প্রায়ই বলে যে আমি যদি দিদি না হয়ে বোন হতাম খুব ভালো হতো ।কারণ আমি মায়ের কাছে বড় হলেও খুব একটা বড় বড় হাবভাব আমি দেখাতে পারি না। কিন্তু আমার বোন কিন্তু সব থেকে খুব সিরিয়াস এবং খুব বুদ্ধিমতি বললেও ভুল হবে না । যাই হোক অনেক প্রশংসা করে ফেলেছি বোনকে নিয়ে🤭।
ভাই-বোন মানেই দিদিদের খুব আদরের হয় ।আর বোনের জন্মদিন মানেই আলাদা কিছু সেলিব্রেশন হবে এটাই খুব স্বাভাবিক। আর এই সেলিব্রেশন সবসময় আমি প্ল্যান করেই করি । আর বোন আবার এগুলো খুব পছন্দ করে। যেহেতু ও হোস্টেলে থাকে তাই ও অনেকটা আশা ও করে থাকে যে বাড়িতে খুব সুন্দর করে সেলিব্রেট করা হবে। তো আমি আগে থাকতে কেকের অর্ডার দিয়ে দিয়েছিলাম।
বন্ধুরা আসবে বলে বোন সকাল থেকেই ঘর গুছিয়ে রেখেছে। এমনি সময় একটু ঘর গুছানোর ধারে কাছে আসে না ।আর এদিকে সবাই আসবে বলে সব সুন্দর করে গুছিয়ে রেখেছে । এদিকে আমার আবার সুবিধাই হল।আমার ঘরটাও পরিষ্কার হয়ে গেল🤪। বোনের জন্মদিন বলে ব্ল্যাকস ক্লাস থেকে ফিরেই সোজা আমাদের বাড়িতে চলে এসেছিল ।আমরা একসাথে দুপুরবেলা খাওয়া-দাওয়া করলাম সবাই। এরপর কিছুক্ষণ রেস্ট নিতে নিতেই বিকেল হতেই এর বন্ধুবান্ধব সবাই চলে এসেছিল। আর আমিও ঘর সাজাতে লেগে গেলাম কারণ ঘর সাজানোর কাজটা বরাবরই আমাকে করতে হয় । একটা জিনিসই মনে হয় আমি এই একটা জিনিসই পারি ঘর খুব সুন্দর করে সাজাতে। আমার খুব ভালো লাগে এই কাজটা এবং আনন্দও হয় ।তাই বরাবর ঘর সাজানো দায়িত্ব থাকলে সেটা আমি নিজে থেকে নিয়ে নিই ।
আমাদের এত অনুষ্ঠান পরপর লেগেই থাকে তাই আর আলাদা করে জন্মদিনের জন্য কিছু কেনাকাটা করতে হয়না। কারণ আগে থেকেই সমস্ত বেলুন তারপর ঘর সাজানোর যা যা লাগে তাছাড়াও পার্টি পপার ,সবকিছুই আমার কাছে আগে থেকে থাকে। যথারীতি ঘর সাজানোর জন্য সেগুলো বার করে নিলাম এবং নিজেদের মতন করে সাজিয়ে নিলাম।
তাছাড়া বোনের বন্ধুরাও হেল্প করেছিল আমার সাথে ।আর মা কাকিমনিরা ভীষণ ব্যস্ত ছিল যেহেতু রাত্রেবেলা খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন ছিল। আর যেহেতু বাড়িতে ছোটো ছোটো ভাই বোন রয়েছে তাদের পড়াশুনা রয়েছে তাই তারা পড়তে গিয়েছিল বলে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছিল ।কেক কাটতে কাটতে বেশ রাত হয়ে গেছিল। আর এদিকে ঘর সাজানোর আগেই সব ফটো আমরা তুলে নিয়েছিলাম। তাই ফটো তোলা নিয়ে খুব একটা সময় নষ্ট করতে হয়নি। সব ভাইবোনরা চলে আসলে প্রায় দশটা নাগাদ কেক কেটে ফেলি।কেক কাটার পরে বিশাল আনন্দ করেছি।
যেহেতু অনেকটাই রাত হয়ে গেছিল আর ব্ল্যাকস কেও বাড়ি ফিরতে হবে। তাই তাড়াতাড়ি খাওয়া দাওয়া করে নিয়েছিলাম। আর কেক কাটার পর যে আনন্দ করেছিলাম সেই সময়টা ব্ল্যাকস থাকতে পারেনি। কারণ ওকে বাড়ি চলে যেতে হয়েছিল। তো সব মিলিয়ে বিশাল আনন্দ করেছি কাল এবং খুব সুন্দর ভাবে বোনের জন্মদিনটা কালকে কাটিয়েছি ।
VOTE @bangla.witness as witness
OR
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |

আমার বাংলা ব্লগ পরিবারের পক্ষ থেকে জানাই ছোট বোনকে শুভ জন্মদিন।ছোট বোনের জন্মদিনের বেশ ভালই মজা ভাস্তি করেছে দিদি।ছোট ভাই-বোন সব সময় সকলের আদরের হয় এবং বড়দের থেকে একটু বেশি বুদ্ধিমতী হয়ে থাকে।আপনার ছোট বোনের জন্মদিনের আনন্দ ,অনুভূতি ও ফটোগ্রাফি শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ দিদি।
প্রথমেই আপনার ছোট বোনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা রইল। ছোট ভাই বোন থাকে যারা আগে থেকেই অনেকটা সিরিয়াস হয় যেমন আপনার ছোট বোন। ক্লাস শেষে ছোট দাদা সোজা আপনাদের বাসায় গিয়েছে আর পরিবারের সবাই একসাথে বেশ ভালো সময় পার করেছেন। আপনাদের প্রতিটা মুহূর্ত সুন্দর কাটুক এই কামনাই করি।
আপনার বোনের জন্মদিন উপলক্ষে খুবই সুন্দর একটি মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন দেখেই বোঝা যাচ্ছে। আসলে যারা বাসার বাহিরে থাকে বিশেষ করে হোস্টেল অথবা মেসে তারা বরাবরই সারপ্রাইজ পেতে অনেক বেশি ভালোবাসি আপনার বোনও দেখছি তাদের মধ্যেই একজন। যাইহোক জন্মদিনে উপলক্ষে হলেও সে যে শেষ পর্যন্ত রুম গুছিয়েছে এবং আপনার কাজ অনেক বেশি সহজ করে দিয়েছে এটা জেনে ভালো লাগলো। আপনার বোনের সামনের পথ চলা আরও বেশি সহজ এবং সুন্দর হোক এই কামনা করি। শুভকামনা রইল দিদি।
প্রথমেই আপনার বোনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।
বোনের জন্মদিন উপলক্ষে পরিবার, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে বেশ হাসি মজা করে কাটিয়েছেন জেনে খুবই ভালো লাগলো। আপনি ঘর গুছাতে খুব পছন্দ করেন অথচ আমি হচ্ছি আপনার বোনের স্বভাবের 😶🌫️। নিতান্ত ঠেকায় না পরলে আমার কেন জানি ঘর গোছাতে খুব বিরক্ত লাগে 😒। যাই হোক, কেকের উপরের গোলাপ গুলো আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো দিদি...
প্রথমে আপনার বোনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে চাই শুভ জন্মদিন। তাহলে তো পরপর অনুষ্ঠান লেগে থাকাতে অনেক ভালো হয়েছে তারা এখন আর নতুন করে কোন কিছু কিনতে হয় না। সবকিছু আগে থেকেই বাড়িতে থেকে যায় যার কারণে যেকোনো কাজই করতে সহজ হয়ে যায় আপনাদের।
প্রথমে আপনার বোনকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাই। বোনের জন্মদিন বলে কথা বোনের জন্মদিনে নিজের আনন্দটা একটু বেশি থাকবে এটাই স্বাভাবিক। আর বোন সব সময় নিজের বোন একটু প্রশংসা করেই থাকে, হাজার হোক বোন বলে কথা। জন্মদিন উপলক্ষে ঘর সাজানোর জন্য যা যা দরবার সবকিছুই আগে থেকেই করাই করেছিলাম। দিদি আপনার বোনের জন্মদিনে আপনার বোনের থেকে আপনার আনন্দটাই বেশি হয়েছিল কারণ ব্ল্যাকস দাদা আপনার সাথেই ছিলেন। আমার মনে হয় দাদা থাকার কারণে সেখানকার আনন্দটা আরও বেশি হয়েছিল। কারণ দাদা অনেক বড় মনের এবং মজার মানুষ। আপু আপনার আনন্দটা আমাদের মাঝে ভাবা করে নেয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার বোনের জন্য শুভকামনা রইলো।
দিদি আপনার বোনকে জানাই জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আপনার বোন অনেক লাকি আপনার মতো দিদি পেয়েছে।দিদি নিজে মনে করে কেকের অর্ডার করলেন,ঘর সাজিয়ে দিলেন।এরকম আজকাল কমই দেখা যায়। কারন সবাই আজকাল ব্যস্ত।মুখে উইশ করেই কাজ শেষ করে।আপনি বিপরীত কিছু করেন সব সময় এটা খুবই ভালো দিক।পরিবারের সবাইকে নিয়ে আনন্দ উচ্ছ্বাসে থাকবেন সব সময় এমনটাই কামনা করি।দাদা গিয়েছিল জেনে আরো ভালো লাগলো। সময়টা আরো বেশি সুন্দর কেটেছে আশাকরি। ধন্যবাদ দিদি অনুভূতি গুলো শেয়ার করার জন্য।
প্রথমেই দিদিভাই আপনার ছোট বোনের জন্য অফুরন্ত শুভেচ্ছা রইল। তার এই দিনটি জীবনে বারবার আসুক এমনটাই প্রত্যাশা করছি। তাছাড়া এটা জেনে খুব খুশি হলাম, ছোট দাদা নিজে উপস্থিত ছিলেন আপনার বোনের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে। সর্বোপরি খাবার গুলো দেখে কিন্তু অনেকটাই লোভ লাগছিল, এইটা একদম সত্যি কথা।
প্রথমেই আপনার বোনকে জন্মদিনের প্রাণঢালা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। সবসময় ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক সেই কামনা করছি। বাড়িতে যেকোনো ধরনের অনুষ্ঠান হলে খুবই আনন্দ লাগে। আড্ডা, মাস্তি,মজার খাবার সবমিলিয়ে দুর্দান্ত সময় কাটে বাড়িতে অনুষ্ঠান হলে। সবাই মিলে বেশ মজা করেছেন। ছোট দাদাও উপস্থিত ছিলেন, এটা জেনে খুব ভালো লাগলো। সবমিলিয়ে পোস্টটি দারুণ লেগেছে দিদি। শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
দিদি প্রথমে জানাই আপনার বোনের জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আসলে বোনের জন্মদিন মানেই অনেক বেশি আনন্দ মনের মাঝে কাজ করে দিদি। আসলে ব্ল্যাকস দাদা কেক কাটার অনুষ্ঠানে থাকতে পারেনি আপনার পোস্ট থেকে জানতে পারলাম। ব্ল্যাকস দাদা সেখান থেকে আগেই বাড়িতে ফিরে চলে এসেছিল। ধন্যবাদ দিদি বোনের জন্মদিনের অনুষ্ঠান আমাদের মাঝেও শেয়ার করে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য।