আমার ডায়েরি - ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১ || আমার সারাদিন
কেমন আছেন সবাই?
আজ - ১৮ই ভাদ্র | ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | বৃহস্পতিবার | শরৎকাল |
আমি মোহাম্মদ সুমন আছি বাংলাদেশের ভোলা জেলা থেকে তবে এই মুহূর্তে ঢাকাতে। আমি নতুন একটি পোস্ট নিয়ে আপনাদের মাঝে হাজির হলাম।
অনেকদিন পর আমি আমার ডায়েরী পোস্ট নিয়ে হাজির হলাম এই কমিউনিটিতে। যাইহোক দেরি না করে শুরু করতে চলেছে আমার আজকে ডায়েরি বা সারাদিনের কার্যকলাপ।
গত কয়েকদিন ধরে ফজরের নামাজ পড়া হচ্ছে না এমনকি আজকেও ফজরের নামাজ আমি আদায় করতে পারিনি। একজন মুসলমানের দিনটা শুরু হওয়া উচিত ফজরের নামাজের মধ্য দিয়ে! যদিও ফজরের নামাজ আদায় করতে পারিনি তাই কিছুটা খারাপ লাগছিল নিজের দিক থেকে।
যাইহোক ঘুম থেকে উঠলাম সকাল আটটা বেজে ত্রিশ মিনিটে এবং ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করলাম। কিছুক্ষণ পর আমার প্রিয়তমা স্ত্রী আমাকে বললেন যে, আজকে আমাদের শ্বশুর বাড়িতে যেতে হবে। এবং আমার শাশুড়ি মা আমাকে গতকাল ফোন করে বলেছিল তাদের ঐখানে (আমার সমন্ধীর শ্বশুর বাড়ি) একটি দাওয়াত আছে সেই সুবাদে যেতে।
যেহেতু যেতে হবে তাই দেরি করলাম না, আমার যাবতীয় কাজ গুছিয়ে এবং বাজারে গেলাম কেনাকাটার জন্য। আমার প্রিয়তমা স্ত্রী সিঙ্গারা খেতে চেয়েছিলেন তাই আজকে বাজারে আমি নিজে প্রথমে খেয়ে তারপর তার জন্য থেকে ফেরার সময় গরম গরম সিঙ্গারা কিনেছি।
গরম গরম সিঙ্গারা দেখে আমার প্রিয়তমা স্ত্রী অনেক খুশি হয়েছেন এবং সবাই একসাথে সেগুলো খেলাম। খাওয়া শেষ করে আমরা সবাই রেডি হলাম গোসল করে। আমরা চার জন মিলে সেখানে যাবো।
শ্বশুর বাড়িতে পৌঁছানোর পর সেখানে ফ্রেশ হয়ে হালকা নাস্তা করলাম। এরপর কিছুক্ষন অপেক্ষা করে শ্বশুর বাড়ির কয়েকজন মিলে আমরা অটোরিকশায় করে রওনা হই আমাদের প্রধান গন্তব্যে। সেখানে ১০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে গিয়েছি আমরা। আমি দেরি না করে যোহরের নামাজ আদায় করে নিলাম।
কোথাও দাওয়াতে গেলে মানুষ কমবেশি খুব ভালো খাবার খায়, এবং আমাদেরও সেই অবস্থা হয়েছে আমরা আল্লার রহমতে খুব ভালো খাবার খেয়েছি দুপুরে আমরা। এরপর যেখানে দাওয়াত ছিল সেখানে আমরা খাওয়া-দাওয়া শেষ করে বিদায় নিয়েছি বিকেলের দিকে। শ্বশুরবাড়িতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছিল।
আমি দেরি না করে মাগরিবের নামাজ পড়তে মসজিদের দিকে রওনা হলাম এবং নামাজ আদায় করলাম। এরপর বাসায় ফিরে হালকা নাস্তা করে সকলের সাথে আড্ডা এবং গল্পগুজব করে সময় পার করছিলাম। আস্তে আস্তে রাত বাড়তে থাকলো, কিছুটা সময় পাওয়ার পর আমি স্টিমিট ডট কম ব্রাউজ করেছি। সময় মতো আমি এশার নামাজ আদায় করলাম। শ্বশুর বাড়ি লোকজনের সাথে কথা বলতে বলতে অনেক রাত হয়ে গেছে এবং রাতে খাবার খেয়ে বেশিক্ষণ আর সজাগ রইলাম না।
এই ছিলো আমার আজকের আয়োজন! নিজের মতো করে লিখার চেষ্টা করলাম! জানিনা কতটা ভালো করে লিখতে পেরেছি? তবে যদি কোন প্রকার ভুলত্রুটি আমার পোস্টে পেয়ে থাকেন দয়া করে মন্তব্য করবেন।
| আমাকে খুঁজে পেতে | : |
|---|---|
| ফেইসবুক | ইন্সটাগ্রাম |
| টুইটার | স্টিমিট |
nice day
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 🙂
আপনার পোস্টে সিঙ্গারার ছবি দেখে মটু ও পাতলু কার্টুনের কথা মনে পড়ে গেল।
শ্বশুর বাড়ি মধুর হাড়ি। আসলে কি কথা টা সত্য ভাই?
হ্যাঁ ভাই, কথাটা অনেকটাই সত্য! বিবাহের পর স্ত্রীরা বাড়তি খেয়াল করেন স্বামীদের বিশেষ করে তাদের বাবার বাড়িতে গেলে। আর শ্বশুর বাড়িতে গেলে পরিবারের আর্থিক অবস্থা যেমনই হোক না কেনো সবাই চায় ভালো কিছু করতে।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মন্তব্য করার জন্য।
হ্যাপি জার্নি দাদা ❣️
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ 🙂
অনেক সুন্দর পরিবার আপনাদের ভাই।সিঙারা দেখে খেতে মন চাচ্ছে🤪🤪
খাওয়াবেন ভাই ?
দাম কম ছিলো তবে সামনাসামনি আপনাকে পেলে খাওয়াতাম ভাই।
Onk vlo ekti din ketece apner Vai..
হ্যাঁ ভাই! আপনাকে ধন্যবাদ 🙂
অনেক সুন্দর একটা দিন ছিলো।সব কিছু অনেক সুন্দর করে লিখেছেন।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই 🙂
সিঙারা দেখে খেতে মন চাইতেছে খাইতে
খেতে পারেন চাইলে 🙂🙂
সিঙারা দেখে, কলেজ জীবনে বন্ধুদের সাথে আড্ডার কথা মনে পড়ে গেল 😇😇
হ্যাঁ ভাই, স্কুল-কলেজে থাকাকালীন প্রায় প্রতিদিনই আড্ডায় এগুলো থাকতো।
beautiful day
Thanks 🙂