অতি মিতব্যয়ী হলে...
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
মিতব্যয়ী হওয়া একটি অত্যন্ত ভালো অভ্যাস, কারণ আমরা যত কম খরচ করতে শিখবো, ততই আমাদের সঞ্চয় বৃদ্ধি পাবে। তবে শুধুমাত্র সঞ্চয় বৃদ্ধি পাওয়াই এর একমাত্র উপকারিতা নয়। অর্থাৎ, আমরা যত বেশি মিতব্যয়ী হবো, ততই নিজেদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখবো। বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজেকে সামলে চলাটা সত্যিই বড় চ্যালেঞ্জের ব্যাপার বলে আমি মনে করি।
আমাদের চারপাশে এত বেশি শো-অফ রয়েছে যে আমরা নিজেদের আসল চাহিদা বুঝতেই পারি না। এই শো-অফের ভিড়ে আমরা অনেক সময় নিজেকে হারিয়ে ফেলি। আমাদের মধ্যে একটা অসুস্থ প্রতিযোগিতা লেগেই থাকে—এই প্রতিযোগিতার কারণেই আমরা প্রতিনিয়ত ভাবতে থাকি, কীভাবে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে যাবো।
এই মানসিকতার ফলে আমরা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি খরচ করতে শুরু করি, কারণ অন্যদের দেখানোটা আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। অতিরিক্ত খরচ করা যেমন খারাপ, ঠিক তেমনই আমি আজকে এর বিপরীত দিক নিয়েও কথা বলবো। অতিরিক্ত মিতব্যয়িতাও কিন্তু মানুষকে সমাজ থেকে একঘরে করে দিতে পারে, যা মোটেও কাম্য নয়। সবকিছুতেই ব্যালেন্স থাকা অত্যন্ত জরুরি। কোনো কিছু মাত্রাতিরিক্ত কম হলে বা মাত্রাতিরিক্ত বেশি হলে, সেটি কখনোই সুখকর হয় না।
দুঃখজনকভাবে, অনেক মানুষ এই বিষয়টি বুঝতে চায় না। আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছে, যারা অতিরিক্ত মিতব্যয়ী। তাদের এই স্বভাবের কারণে অনেক সময় সংসারে অশান্তি লেগে থাকে, কারণ তারা এমনকি প্রয়োজনীয় খরচ করতেও রাজি হয় না। এই কারণে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের কষ্ট সহ্য করতে হয় এবং দ্বন্দ্ব লেগেই থাকে।
আমি লেখকের দৃষ্টিভঙ্গির সাথে একমত।