না বাঁচিয়ে ভিডিও!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আজকে একটি ভিডিও দেখলাম এবং ভিডিওটি দেখার পর থেকে আপনারা বিশ্বাস করবেন কিনা জানিনা। আমার এখনো শরীর কাঁপছে এমন লাগছে মনে হচ্ছে। সেই ভিডিওতে যে মানুষটি ছিলো তাকে যদি আমি আমার হাতের কাছে পেতাম এবং তাকে যদি নিজ হাতে খুন করতে পারতাম। তাহলে হয়তো শরীরের এই জ্বালা কিছুটা মিটতো। আপনারা হয়তো ভাবছেন যে এতো বেশি এগ্রেসিভ হয়ে আমি কেনো কথা বলছি। তাহলে আপনারা নিজেরাই শুনুন অর্থাৎ আমি আমার লেখার মাধ্যমে আপনাদের সাথে শেয়ার করছি যে আমার মেজাজ কিংবা কেনো আমি এতো বেশি হতাশ কিংবা রাগান্বিত।
একটা ভিডিও দেখলাম। অর্থাৎ যে ভিডিও করছে সে কিন্তু চাইলেই সে নিজে কিছু করতে পারতো। যাইহোক প্রথমে মূল কথায় আসি আমি খুব সংক্ষিপ্তভাবে বলছি এবং ভিডিওটি যে বিষয়ে ছিলো সেটা হলো সেই ভিডিওতে দেখাচ্ছিলো যে এক ছেলে এবং ছেলের বউ ওই বৃদ্ধা শাশুড়ি অর্থাৎ ছেলের মাকে প্রচণ্ড মারধর করছে এবং ওই বৃদ্ধা হলো অসম্ভব বয়স্ক। অর্থাৎ তার আসলে হাঁটাচলা করার পর্যন্ত শক্তি নেই এবং তার চেয়েও বড় ব্যাপার হলো যে ভিডিও করেছে সে কিন্তু সামান্য ভিডিও করেছে এমন নয়। অনেক লম্বা সময় ধরে ভিডিও করেছে এখন আমার কথা হলো এতো লম্বা সময় ধরে ভিডিও না করে যদি লোকটি ওই মহিলাটিকে বাঁচাতো।তাহলে কি খুব বেশি ক্ষতি হয়ে যেতো?আসলে এই ব্যাপারগুলো সত্যি খুব অবাক লাগে।
কারন আমার মাথাতে আসে না যে ভিডিও করার হলো করলো।এরপরে তো আসলে ওই মহিলাটিকে একটু বাঁচাতে যেতে পারতো। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারতো। তবে কেনো শুধুমাত্র ওই লোক শুধুমাত্র ওই ভিডিও করলো তাও অনেক লম্বা সময় ধরে। আসলে আমার যেটা মনে হয় সেটা হলো বর্তমান সময়ের শুধুমাত্র সোশ্যাল মিডিয়াই মানুষের একমাত্র ধ্যান-জ্ঞান হয়ে গিয়েছে। তা না হলে কয়েকটা লাইক এবং রিয়েক্ট কিংবা ভাইরাল হওয়ার নেশায় মানুষ আসলে কতোটা নিচে নেমে যাচ্ছে এবং হৃদয়হীন হয়ে যাচ্ছে, আপনারাই ভাবুন।