রবিবারের আড্ডা-৩৪ || ABB Stage Show: Episode-34
ব্যানার ক্রেডিট @hafizullah
সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি আমার বাংলা ব্লগের নতুন আয়োজন রবিবারের আড্ডা-৩৪ তম পর্বে। আমরা শুরু হতেই বার বার বলে আসছি আমার বাংলা ব্লগ ব্যতিক্রম কমিউনিটি এবং আমাদের চিন্তাধারাও ব্যতিক্রম, তাই সব ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন নিয়ে আমার বাংলা ব্লগকে সাজানোর চেষ্টা করি। নতুন এই আয়োজনটি নিয়ে আমরা এখনো চিন্তা করছি, কাংখিত ক্ষেত্রে আরো কি কি পরিবর্তন আনা যায়, আশা করছি সময়ের সাথে সাথে কাংখিত পরিবর্তনগুলো ঠিক দেখতে পাবেন।
আমাদের এই আয়োজনটি চারটি সেগমেন্টে ভাগ করা হয়েছে, প্রথম সেগমেন্টে আমরা আমাদের অতিথির সাথে পরিচিত হবো এবং তার নিকট হতে আমাদের পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর জানার চেষ্টা করবো। এ সম্পর্কে আপনাদের কোন প্রশ্ন বা কিছু জানার আগ্রহ থাকলে সেটা আমরা দ্বিতীয় সেগমেন্টে জানার চেষ্টা করবো। অর্থাৎ আমাদের দ্বিতীয় সেগমেন্টেটি আপনারা যারা দর্শক সারিতে রয়েছেন তাদেরকে নিয়ে। আপনারা নিজেদের কৌতুহল কিংবা আগ্রহ থেকে প্রশ্ন করতে পারবেন এবং সেখান হতে অতিথি নিজে তিনজন সেরা প্রশ্নকারী নির্বাচন করবেন। যাদের জন্য থাকছে বিশেষ পুরস্কার।
এরপর আমার নিজের পছন্দের একটা গান শুনবো, তারপর শুরু হবে তৃতীয় সেগমেন্ট ঝটপট রাউন্ড, এখানে কমপক্ষে পাঁচটি প্রশ্ন করা হবে, অতিথি এক কথায় ঝটপট উত্তরগুলো দেয়ার চেষ্টা করবেন। সবশেষে আমরা যাবো চতুর্থ সেগমেন্টে অর্থাৎ শেষ পর্বে, যেখানে আমরা অতিথির নিকট হতে আমার বাংলা ব্লগের ব্যাপারে কিছু পরামর্শ বা দিক নির্দেশনা শুনতে চাইবো। এই হলো আমাদের রবিবারের আড্ডার টোটাল প্যাকেজ।
স্ক্রিনশট ক্রেডিট @alsarzilsiam
আসুন আমরা আমাদের অতিথির নিকট যাই এবং তার সাথে পরিচিত হই, তার সম্পর্কে কিছুটা জানি। স্বাগতম @steem-for-future ভাই কে,তিনি আমার বাংলা ব্লগের সম্মানিত ভেরিফাইড সদস্য । সংক্ষেপে যদি নিজের সম্পর্কে কিছু বলতেন? তারপর আকাশ ভাই তার সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু পরিচিতিমূলক কথা বলেন এবং এরপর আমরা শুরু করি প্রথম পর্বের পাঁচটি প্রশ্ন যা নিচে তুলে ধরা হলো।
প্রশ্নঃ কিভাবে আমার বাংলা ব্লগের সন্ধান পেলেন, যদি বিস্তারিত বিষয়টা বলতেন।
উত্তরঃ আমি আসলে স্টিমিটে যোগদান করি 2017 সালে, আমার চাচাতো ভাই পলকের মাধ্যমে । মূলত আমার পরিবার ঢাকায় চলে যাওয়ার কারণে আমি অর্থনৈতিক বেশ ঝামেলায় পড়ে যাই, তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে এ প্লাটফর্মে যুক্ত হই। যদিও সেই সময় স্টিমিট একাউন্ট এতো সহজেই খোলা যেত না, কিছু কয়েন দিয়ে খুব দ্রুত খুলে নেওয়া যেত। সেই সময় ও আমার কাছ থেকে আইডি খোলা বাবদ ২৩০০ টাকা নিয়েছিল। যদিও পরে আমি জানতে পেরেছি, আসলে ও আমার কাছ থেকে টাকাটা মেরে দিয়েছিল। তবে আমি সেই সময় প্রতিনিয়ত কাজ করতাম এবং 100% এসবিডি পেয়ে আউট চালু ছিল এবং বিভিন্ন কমিউনিটির কিউরেটরদের পোস্টগুলোতে কমেন্ট করলে কমেন্টে ভালো ভোট দিত। এভাবে আমি বহু অর্থ ইনকাম করেছি, তবে দুঃখের বিষয় হচ্ছে আমি যখন ডলার ভাঙ্গাতে গিয়েছে তখন আমাকে প্রতি এসবিডি বাবদ মাত্র ষাট টাকা করে দেওয়া হয়েছে। তবে মার্কেটে দাম ছিল প্রতি এসবিডির সাড়ে সাত ডলারের উপরে। আমার আসলে শুরুটাই হয়েছিল প্রতারকের খপ্পরে পড়ে। তবে এইভাবে যখন কাজ শুরু করে দিয়েছিলাম, তখন একটা সময় গিয়ে হাফিজুল্লাহ ভাইয়ের রেসিপি পোস্ট দেখেছিলাম। তাও সেটা আবার সম্পূর্ণ বাংলাতে তখনই মূলত অনুপ্রাণিত হয়ে এই কমিউনিটিতে যুক্ত হই।
প্রশ্নঃ আপনি তো অনেক পুরনো সদস্য, আপনার কাছে কেন মনে হয়েছে, অন্যান্য কমিউনিটি থেকে আমার বাংলা ব্লগ ব্যতিক্রম এবং কেন এখানে যুক্ত হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন।
উত্তরঃ আমি আসলে পুরনো সদস্য হলেও, ব্লক চেইন নিয়ে আমার জ্ঞান খুবই সীমিত ছিল। যেহেতু আগে আমি অন্য কমিউনিটিতে কাজ করেছিলাম বাংলাদেশের, সেখানে আসলে অনেক অনিয়ম ছিল। মূলত ওরা নিজেরাই রেওয়ার্ড ফার্মিং করত আর ওরা নিজেরা একাধিক আইডি চালাত। আর আমাদের মত সদস্যরা সামান্য কিছু ভোট পেতো। তবে যখন আমার বাংলা ব্লগে যুক্ত হই হাফিজ ভাইয়ের পোস্ট দেখে, তখন আমি এখানে একটা পোস্ট করি তবে সেটা ইংলিশ টাইটেল রেখে ছিলাম। তখন এখানকার মডারেটর কিংপরশ দা, আমাকে বলেছিল এখানে যুক্ত হলে সাদা কাগজে নিজের নাম লিখে সবকিছু বাংলায় লিখতে হবে এবং পরিচিতি মূলক পোস্ট দিতে হবে। অতঃপর আমি তাই করেছিলাম এবং ডিসকর্ড সার্ভারে যুক্ত হয়েছিলাম। এখানে আসলে অন্যান্য কমিউনিটির থেকে সবকিছুই আলাদা, মূলত ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ভাইয়ের লেখা নোটগুলো পেয়ে আমার খুব উপকার হয়েছিল। তাছাড়া আমার এখন ডলার ভাঙ্গানো নিয়ে কোন ঝামেলায় থাকতে হয় না। এখানকার সবাই অনেক আন্তরিক, নিজের মাতৃভাষা তে লেখা যাচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত সৃজনশীল কাজকর্ম শেখা যাচ্ছে যা আমাকে প্রতিনিয়ত ভালো কাজ করতে অনুপ্রাণিত করে এবং আমি নিজের ইনকাম সঠিকভাবে এখান থেকে বের করতে পারি। যদিও আমার পূর্বে বাইশটা আইডি ছিল, তবে সবগুলো ব্ল্যাকলিস্টেড, কারণ আমি আগে মূলত প্রতিনিয়ত অবাঞ্চিত কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম, নিজের জ্ঞানের অভাবে। সর্বোপরি এখন আমার এই একটাই আইডি এবং এটা দিয়েই বেশ ভালোভাবে আমি কাজ করতে পারছি এবং আমি এতেই খুশি।
প্রশ্নঃ সাই-ফক্স থেকে প্রথম ভোট পাওয়ার অনুভূতি কেমন ছিল এবং ব্লগিং করে প্রথম ইনকামের টাকা দিয়ে কি করেছিলেন।
উত্তরঃ যদিও আগে আমি বিডবটের মাধ্যমে ভোট কিনতাম পোষ্টের জন্য, যখন আমার বাংলা ব্লগে যুক্ত হয়েছি তখন মূলত প্রায়ই দাদার একাউন্টগুলো থেকে ভোট পেতাম। তবে আমাদের সময় মূলত সেই সময় কেবলমাত্র সাই-ফক্স নতুন করে চালু করেছিল দাদা। তখন আমি প্রথম সাড়ে ছয় ডলারের ভোট পেয়েছিলাম। আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম যা আসলে ভাষায় প্রকাশ করা বেশ কষ্টসাধ্য। তখন থেকেই আমি এখানে নিয়ম করে কাজ করা শুরু করেছি এবং এখনো করছি। আমার মূলত সেই সময় যে মোবাইল ফোনটা ছিল সেটার অবস্থা খুব করুণ ছিল। আরিফ ভাই প্রায় হ্যাংআউটেই বলতো নতুন ডিভাইস কিনে নেওয়ার জন্য, অবশেষে সেই সময় প্রথম সপ্তাহের ইনকাম দিয়ে আমি এই গ্রামীনফোন থেকে maximus ব্র্যান্ডের মোবাইল কিনেছিলাম। তাছাড়া আমি ছোট দাদার কমিউনিটিতে দীর্ঘ সময় থেকেই কাজ করছি, ওখান থেকেও আমি বেশ ভালই সাপোর্ট পেয়েছি। যদিও আমার পূর্বের দিকে প্রচুর খারাপ অভিজ্ঞতা ছিল, তবে পরবর্তীতে আমি এখানে যুক্ত হওয়ার পর থেকে সবদিক থেকেই বেশ ভালো আছি। এবং প্রতিনিয়ত ভালোভাবে ব্লগিং করে যেতে চাই এটাই আমার ইচ্ছা।
প্রশ্নঃ আপনার জীবন থেকে প্রাপ্ত যদি একটি শিক্ষনীয় ঘটনা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করতেন।
উত্তরঃ আমি আসলে মানুষের উপকার করতে ভীষণ পছন্দ করি। বিশেষ করে গরিব মানুষ ,আত্মীয়-স্বজন, মুরব্বিদের তাছাড়া বাস্তব জীবন থেকে একটা শিক্ষা হচ্ছে, আমি যদি কখনো মানুষের উপকার করতে গিয়ে ঠেকে যাই তখন দেখা যায় অন্যদিক দিয়ে আমার ঠিকই উপকার হয়ে যায়।
প্রশ্নঃ পছন্দের একটি গানের নাম বলুন, যেটা সব সময় শুনতে ইচ্ছে করে।
উত্তরঃ আমার আসলে দুঃখের গান শুনতে একটু বেশি ভালো লাগে। তবে পুরনো দিনের গানগুলো শুনতেও বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
মানুষ হইয়া জন্ম লভিয়া
মানুষের করিলাম কী?
আমি মানুষ হইয়া জন্ম লভিয়া
মানুষের করিলাম কী?
আমি গুরু না ভজিলাম, কী ভুল করিলাম
আমি গুরু না ভজিলাম, কী ভুল করিলাম
ভস্মে ঢালিলাম ঘি
মানুষের করিলাম কী?
আমার বাল্যকাল গেল হাসিতে খেলিতে
যৌবনকাল গেল রসে
আমি সু-রস ফেলিয়া কু-রস খাইলাম
সু-রস ফেলিয়া কু-রস খাইলাম
কলসি করিলাম খালি, মন আমার
মানুষ হইয়া জন্ম লভিয়া
মানুষের করিলাম কী?
এরপর শুরু করা হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব, অর্থাৎ দর্শকসাড়িতে যারা রয়েছেন তাদের নিয়ে এই সেগমেন্ট। অতিথিকে সরাসরি প্রশ্ন করার এবং উত্তর শোনার দারুণ একটা সুযোগ। আমরা ইউজারদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন এবং তার উত্তরগুলো অতিথির নিকট হতে শুনি। মোট ১৭ টি প্রশ্ন করা হয়েছিলো আজ এবং সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দেন আকাশ ভাই । তারপর বিজয়ী নির্বাচনের জন্য কিছুটা সময় দেয়া হয় অতিথিকে এবং সেই ফাঁকে আমার পছন্দের একটা গান সবাই মিলে উপভোগ করি।
এরপর আমরা আকাশ ভাইয়ের কাছে জানতে চাই আজকের প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সেই ভাগ্যবান বিজয়ী কারা? তার বিবেচনায় বিজয়ীরা হলেন-
@rex-sumon @green015 @bristy1
অভিনন্দন আপনাদের যারা প্রশ্ন করে বিজয়ী হয়েছেন, যথা নিয়মে আপনাদের ওয়ালেটে পুরস্কার পাঠিয়ে দেয়া হবে।
অতিথি এবং প্রশ্ন পর্বে বিজয়ীদের যথা নিয়মে রিওয়ার্ডস প্রেরণ করা হয়েছে-
রবিবারের আড্ডার প্রাইজ পুলের পৃষ্ঠপোষক @rme দাদা, ফাউন্ডার-আমার বাংলা ব্লগ।
সবশেষে আমরা আমাদের অনুষ্ঠানের একদম শেষ পর্যায়ে চলে যাই অর্থাৎ চতুর্থ সেগমেন্টে। ঝটপট রাউন্ডে এখানে আমরা অতিথির সঙ্গে বেশ ভালোই মজা করি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের মাধ্যমে। তারপর আমরা আকাশ ভাইয়ের কাছে জানতে চাই আমার বাংলা ব্লগের ব্যাপারে কিংবা এই শো'র উদ্দেশ্যে উনার পরামর্শ বা সাজেশন। আকাশ ভাই বলেন, এই কমিউনিটির সবকিছুই হচ্ছে বেশ সাজানো গোছানো । তিনি বিশেষ করে কৃতজ্ঞতা বোধ প্রকাশ করেছেন, প্রতিষ্ঠাতা, সহকারী প্রতিষ্ঠাতা, এডমিন ও মডারেটর প্যানেল এর প্রতি। এমন একটা পরিবার তৈরি করার জন্য।
সবশেষে আজকের এই বিশেষ আয়োজন রবিবারের আড্ডায় যারা উপস্থিত ছিলেন সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ, তবে যাওয়ার আগে আরো একটা বিষয়ে সবাইকে অনুরোধ করবো, এই শো’টি সম্পর্কে আপনাদের কোন আইডিয়া কিংবা পরামর্শ থাকলে অবশ্যই আমাকে অথবা মডারেটরদের ডিএম করবেন, আমরা চেষ্টা করবো শো'টিকে আরো সুন্দর এবং প্রাণবন্ত করে তোলার, আপনাদের কাংখিত পরামর্শগুলো নিয়ে। তারপর সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে শো সমাপ্ত ঘোষণা করি। পরবর্তী পর্বে আমাদের অতিথির নাম ঘোষণার মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
প্রতিবারের মত এবারেও রবিবারের আড্ডায় বেশ চমৎকার মুহূর্ত উপভোগ করেছি। আকাশ ভাই অনেক অভিজ্ঞতা এবং অনুভূতি শেয়ার করেছে। তার অনুভূতি গুলো বেশ দুর্দান্ত ছিলো। আকাশ ভাইয়ের কালকের কথা গুলো শুনে মনে হলো সে খুব বড় মনের মানুষ। প্রথম অবস্থায় সেই নানা ভাবে প্রতারণা শিকার হয়েছে। আকাশ ভাইয়ের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইলো। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে সুন্দর রিপোর্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
https://twitter.com/sharifShuvo11/status/1696090961905147912?t=py2qnDvuqf23oZ5Qwlda4w&s=19
রবিবারের আড্ডা মানে অনেক মজা অনেক বিনোদন। তার পাশাপাশি প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে ঘটে যাওয়া অনেক বাস্তব গল্প যেটা শুনতে পাওয়া যায়। অনেক কিছু সেখান থেকে শেখার এবং জানার আছে। ভালো লেগেছে স্টিম ফর ফিউচার ভাইয়ের জীবনের গল্প শুনে।
ওনার জীবনের গল্পটি আসলেই আমাদের অন্য ৮-১০ জন মানুষের থেকে অনেকটাই আলাদা ছিল।
রবিবারের আড্ডা প্রোগ্রামটি আমার অনেক ভালো লাগে এবং এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে একজন ইউজার সম্পর্কে অনেক তথ্যও সুখ দুঃখের অনেক কথা আমরা জানতে পারি। এই রবিবারের আড্ডাটি অনেক ভালো ছিল। সব থেকে বড় কথা শুভ ভাইয়ার উপস্থাপনা অসাধারণ যার কারণে আড্ডাটি আরও জমে উঠে। ধন্যবাদ ভাই সুন্দর একটি রিপোর্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য।
প্রতিবারের মত এবারেও রবিবারের আড্ডায় অনেক কিছু জানতে পারলাম। আমার তো কোন ইউজার সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী লাগে। কারণ যত একজন মানুষের সম্পর্কে জানতে পারি ততই তাকে নিজের পরিবারের মানুষ মনে হয়। আকাশ ভাইয়া খুব সুন্দর ভাবে নিজের কথাগুলো আমাদের সবার মাঝে শেয়ার করেছে। তাছাড়া সেরা প্রশ্নকারীদের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সত্য কথা বলতে গেলে কি, আকাশ ভাইয়ের সঙ্গে গতকালের পর্বটি আমার বেশ স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
রবিবারের আড্ডা আমার বাংলা ব্লগ কমিউনিটির দারুন একটি আয়োজন। আমরা সবাই মিলে অনেক সুন্দর সময় কাটিয়েছি।অতিথির সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পেরেছি। অনেক ভালো লাগলো আপনার এই পোস্ট পড়ে।
প্রত্যেকটি রবিবারের আড্ডা থেকে আমরা ভিন্ন কিছু শিখতে পারি।কিছু মানুষের জীবনী থেকে আমরা আনন্দ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সুখ-দুঃখের অনুভূতিগুলিকে ভাগ করে নিতে পারি।সেরকমই এই রবিবারের আড্ডাটিও অনেক ভালো ছিল।আকাশ ভাইয়া খুবই ভালো একজন ইউজার আমাদের কমিউনিটির।যদিও মাঝে কিছুদিন তিনি আমাদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।যাইহোক সেরা প্রশ্নকারীদের একজন হতে পেরে আমার খুবই ভালো লাগছে।ধন্যবাদ ভাইয়া,সুন্দর উপস্থাপনার জন্য।
আসলে সেরা প্রশ্নকারী নির্বাচিত হওয়া অনেকটাই ভাগ্যের ব্যাপার, সেদিক থেকে আপনি বেশ সৌভাগ্যবতী বলাই যায়।
সপ্তাহের এ দিনটি যেন একটি অন্য রকমের আনন্দ কাজ করে মনের ভিতর। আসলে সত্যি বলতে দিনে দিনে কমিউনিটি টি এত বেশী আপন হয়ে গেছে যে সবার সাথে আড্ডায় আর আনন্দে ডুবে থাকতে একটি আলাদা ভালো লাগা কাজ করে। বেশ ভালো ছিল এবারের আড্ডা অনুষ্ঠানটি। আপনিও প্রতিবারের মত এবারও বেশ সুন্দর উপস্থাপনা করেছেন।ধন্যবাদ ভাইয়া এত সুন্দর করে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করার জন্য।
প্রতি সপ্তাহের ন্যায় এই সপ্তাহেও দারুণ উপভোগ করেছি রবিবারের আড্ডা প্রোগ্রামটি। যেহেতু আকাশ ভাই অনেক পুরাতন একজন ইউজার,এই প্লাটফর্মে ওনার কাজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জেনে ভীষণ ভালো লেগেছিল। যাইহোক আশা করি পরবর্তী সপ্তাহে নতুন কোনো ইউজারের ব্যাপারে অনেক কিছুই জানতে পারবো।
গত রবিবারের আড্ডায় পুরোটা সময় অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেছিলাম।আকাশ ভাইয়া সম্পর্কে অবগত হয়েছি অনেকটা।ব্যাতিক্রমধর্মী আড্ডার জন্যই বিষদে জানতে পারা সবার সম্পর্কে।পুরো পোস্টটি পড়ে ভালো লেগেছে।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
এটা সত্য যে আকাশ ভাই বেশ ভালোভাবেই আমাদেরকে গতকাল বিনোদন দিয়েছে।