রবিবারের আড্ডা-৩১ || ABB Stage Show: Episode-31
ব্যানার ক্রেডিট @hafizullah
সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি আমার বাংলা ব্লগের নতুন আয়োজন রবিবারের আড্ডা-৩১ তম পর্বে। আমরা শুরু হতেই বার বার বলে আসছি আমার বাংলা ব্লগ ব্যতিক্রম কমিউনিটি এবং আমাদের চিন্তাধারাও ব্যতিক্রম, তাই সব ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন নিয়ে আমার বাংলা ব্লগকে সাজানোর চেষ্টা করি। নতুন এই আয়োজনটি নিয়ে আমরা এখনো চিন্তা করছি, কাংখিত ক্ষেত্রে আরো কি কি পরিবর্তন আনা যায়, আশা করছি সময়ের সাথে সাথে কাংখিত পরিবর্তনগুলো ঠিক দেখতে পাবেন।
আমাদের এই আয়োজনটি চারটি সেগমেন্টে ভাগ করা হয়েছে, প্রথম সেগমেন্টে আমরা আমাদের অতিথির সাথে পরিচিত হবো এবং তার নিকট হতে আমাদের পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর জানার চেষ্টা করবো। এ সম্পর্কে আপনাদের কোন প্রশ্ন বা কিছু জানার আগ্রহ থাকলে সেটা আমরা দ্বিতীয় সেগমেন্টে জানার চেষ্টা করবো। অর্থাৎ আমাদের দ্বিতীয় সেগমেন্টেটি আপনারা যারা দর্শক সারিতে রয়েছেন তাদেরকে নিয়ে। আপনারা নিজেদের কৌতুহল কিংবা আগ্রহ থেকে প্রশ্ন করতে পারবেন এবং সেখান হতে অতিথি নিজে তিনজন সেরা প্রশ্নকারী নির্বাচন করবেন। যাদের জন্য থাকছে বিশেষ পুরস্কার।
এরপর আমার নিজের পছন্দের একটা গান শুনবো, তারপর শুরু হবে তৃতীয় সেগমেন্ট ঝটপট রাউন্ড, এখানে কমপক্ষে পাঁচটি প্রশ্ন করা হবে, অতিথি এক কথায় ঝটপট উত্তরগুলো দেয়ার চেষ্টা করবেন। সবশেষে আমরা যাবো চতুর্থ সেগমেন্টে অর্থাৎ শেষ পর্বে, যেখানে আমরা অতিথির নিকট হতে আমার বাংলা ব্লগের ব্যাপারে কিছু পরামর্শ বা দিক নির্দেশনা শুনতে চাইবো। এই হলো আমাদের রবিবারের আড্ডার টোটাল প্যাকেজ।
স্ক্রিনশট ক্রেডিট @alsarzilsiam
আসুন আমরা আমাদের অতিথির নিকট যাই এবং তার সাথে পরিচিত হই, তার সম্পর্কে কিছুটা জানি। স্বাগতম @ripon40 ভাই কে,তিনি আমার বাংলা ব্লগের সম্মানিত ভেরিফাইড সদস্য । সংক্ষেপে যদি নিজের সম্পর্কে কিছু বলতেন? তারপর রিপন ভাই তার সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু পরিচিতিমূলক কথা বলেন এবং এরপর আমরা শুরু করি প্রথম পর্বের পাঁচটি প্রশ্ন যা নিচে তুলে ধরা হলো।
প্রশ্নঃ কিভাবে স্টিমিটের সন্ধান পেলেন, যদি বিস্তারিত বিষয়টা বলতেন।
উত্তরঃ আমি স্টিমিটে যুক্ত হই ২০২১ সালের ১৪ ই এপ্রিল। আমার অনেক বন্ধুবান্ধব অনেক আগে থেকেই এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত আছে। মূলত তাদের মাধ্যমেই এই প্লাটফর্মে আমি এসেছি। সেই সময় বেস্ট অফ বাংলাদেশ নামে একটা কমিউনিটি ছিল সেখানে আমি মাস দুয়েক কাজ করি, তাছাড়া আমাদের সুমন ভাইয়ের স্টিমিট সিটি নামক একটি কমিউনিটি ছিল, সেখানেও আমি কাজ করি। সেই সময় সুমন ভাই তার কমিউনিটিতে আমার বাংলা ব্লগ নিয়ে একটি পোস্ট করে। তখন কিন্তু বাংলা ভাষা ভিত্তিক কোন কমিউনিটি ছিল না। তখন সেই পোষ্টের মাধ্যমে আমি এই কমিউনিটি সম্পর্কে জানতে পারি এবং সেই সময় অনুপ্রাণিত হয়ে এই কমিউনিটি সাবস্ক্রাইব করি এবং এখানে যুক্ত হই। তখন এই কমিউনিটির সাবস্ক্রাইবার ছিল মাত্র ২০ থেকে ২২ জন। তখন আসলে এখানে আমি কি নিয়ে পোস্ট করব সেটা নিয়েই বেশ চিন্তায় পড়ে যাই। কারণ অন্যান্য কমিউনিটিতে শুধুমাত্র ডায়েরি গেম আর টেন পিক ফটো শুধু শেয়ার হতো। কোন সৃজনশীল কার্যকলাপ অন্যান্য জায়গায় ছিল না। তবে পরবর্তীতে সুমন ভাইয়ের দিক নির্দেশনা মোতাবেক এখানে পোস্ট করা শুরু করি। মূলত তখন আমি এখানে একটা ফটোগ্রাফি রিলেটেড পোস্ট করে ছিলাম। তখন দাদা তার একাউন্ট থেকে আমাকে এক ডলারের ভোট দিয়েছিল। মূলত সেখান থেকেই আমার বাংলা ব্লগের সঙ্গে আমার যাত্রা শুরু হয়।
প্রশ্নঃ কেন আমার বাংলা ব্লগ অন্যান্য কমিউনিটির থেকে আলাদা, তার কারণ যদি নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করতেন।
উত্তরঃ মূলত মাতৃভাষাতে লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা এবং মাতৃভাষার প্রতি আলাদা একটা দুর্বলতা প্রথম থেকেই আমার কাজ করতো। কেননা বাংলা ভাষার জন্য অনেকেই প্রাণ দিয়েছেন এবং অনেক আত্মত্যাগের ঘটনা আছে। আর যেহেতু নিজের মাতৃভাষায় ব্লগিং করব তাই আগ্রহ প্রথম থেকেই কাজ করছিল। তাছাড়া বাংলায় ব্লগিং করে এখানে অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচিত হতে পেরেছি এবং প্রতিনিয়ত ব্লগিং করছি, সর্বোপরি বেশ ভালই লাগছে। আমার কাছে এটিই প্রথম ও শেষ কারণ মনে হয়। তাছাড়া আমার বাংলা ব্লগ আমার সুপ্ত মেধাকে বিকাশ করতে অনেক সহযোগিতা করেছে। যেমন আমি দাদার কবিতা লেখা দেখে প্রতিনিয়ত অনুপ্রাণিত হয়েছি এবং নিজেও কবিতা লেখার চেষ্টা করছি। এবং আরো অন্যান্য সৃজনশীল পোস্টগুলো লিখতেও বেশ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি এখন। তাছাড়া এখানে প্রতিনিয়ত সবাই সৃজনশীল কাজগুলো করে যাচ্ছে সেইসব দেখেও প্রতিনিয়ত তো অনেক কিছুই শিখছি। এজন্যই আমার বাংলা ব্লগ সবগুলো কমিউনিটির থেকে আলাদা।
প্রশ্নঃ প্রথম সাই-ফক্সের ভোট পাওয়ার অনুভূতি কেমন ছিল এবং আপনার ব্লগিং ক্যারিয়ারে এবিবি স্কুলের ভূমিকা কেমন।
উত্তরঃ যদিও আমি প্রথমের দিকে খুব একটা সাপোর্ট বেশি পাইনি। শুরুতেই সপ্তাহে চারটা বা পাঁচটা পোস্ট করলে শুধুমাত্র আরএমই ও আমার বাংলা ব্লগ একাউন্ট থেকে সপ্তাহে দুই-তিনটা ভোট পেয়েছিলাম। তবে আমি হাল ছাড়িনি। আমি চেষ্টা করেছিলাম প্রতিনিয়ত কোয়ালিটি পোস্ট শেয়ার করার জন্য। অতঃপর দীর্ঘ দুই মাস পরে দাদা সবাইকে সারপ্রাইজ দিয়ে সাই-ফক্স নিয়ে হাজির হলো। তখনো দেখছিলাম সবাই প্রতিনিয়ত কোয়ালিটি ফুল পোস্ট করার চেষ্টা করছিলো। আমিও সবার দেখাদেখি প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছিলাম। অবশেষে আমার খুব ভালোভাবে মনে আছে পাটকাঠি দিয়ে সেই সময় আমি একটি ঘর বানিয়েছিলাম তাতেই প্রথম সাই-ফক্সের একাউন্ট থেকে ভোট পড়েছিল। এটা সত্যিই আমার জন্য খুবই সুন্দর অনুভুতি ছিল। যা আরকি মুখে বলে প্রকাশ করা বেশ কষ্টসাধ্য। আমি বহুবার পোস্টটি রিভিউ করেছিলাম। সত্যি বলতে গেলে কি আমাদের কমিউনিটিতে প্রতিনিয়ত কোয়ালিটি ফুল পোস্ট গুলোকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়। তাছাড়া অন্যসব পোস্টগুলোকে সেভাবে মূল্যায়ন করা হয় না। এটা এক হিসেবে ঠিকই আছে। এবিবি স্কুলের গুরুত্ব আসলে আমার ব্লগিং ক্যারিয়ারে অপরিসীম। কেননা প্রত্যেকটি লেভেলের মাধ্যমে আমি অনেক কিছুই জানতে পেরেছি। যদিও আমি এবিবি স্কুল শুরুর আগে থেকেই যুক্ত ছিলাম এই কমিউনিটিতে। তবে এবিবি স্কুল খোলার পরে সেখানে যুক্ত হয়ে অনেক জ্ঞান অর্জন করতে পেরেছি। বিশেষ করে সিকিউরিটি সংক্রান্ত ব্যাপার, মার্কডাউন ও অন্যান্য বিষয়ে। এক্ষেত্রে ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ভাইয়ের নোটগুলো বেশ কাজে দিয়েছে। তাছাড়াও আমাদের এডমিন মডারেটররা বেশ ভালোভাবে ক্লাস গুলো নিয়েছিল। আমি মনেকরি একজন পরিপক্ক ব্লগার হওয়ার জন্য এবিবি স্কুল থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা এক কথায় অতুলনীয়।
প্রশ্নঃ আপনার জীবন থেকে প্রাপ্ত যদি একটি মজার ঘটনা আমাদের সঙ্গে শেয়ার করতেন।
উত্তরঃ আমি তখন প্রাইমারিতে পড়ি, সম্ভবত ক্লাস টু কি থ্রিতে । আমাদের বাড়ি থেকে স্কুলের দূরত্ব আধা কিলোমিটার। বাবা তখন মাধ্যমিকের এক শিক্ষকের কাছে আমাকে প্রাইভেট পড়তে দিয়েছিল। আমি যেদিন প্রথম তার কাছে প্রাইভেট পড়তে যাই, তখন দেখছিলাম তিনি ক্লাস সেভেনের ব্যাচের ছাত্রদের পড়াচ্ছিল এবং আমি সেসময় গিয়েছিলাম, আমাকে তিনি সবার শেষের বেঞ্চে বসতে দিয়েছিল। আমি প্রথম দিনই ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম কিছুটা, যদিও সেই শিক্ষক আমার সম্পর্কে নানা হতো তবে প্রথম দিনই দেখেছিলাম, ক্লাস সেভেনের ছাত্রদের পড়া না হওয়ার কারণে সেই মার দিয়েছিল। তবে আমাকে মারেনি। আমাকে শুধু বলেছিল তুই শুধু স্বরবর্ণ আর ব্যঞ্জনবর্ণ পড়বি। আমি তখন ক্লাস থ্রিতে পড়ি, আমি বেশ ভালোভাবেই রিডিং পড়তে পারি। তারপরেও আমাকে শুধু স্বরবর্ণ আর ব্যঞ্জনবর্ণই পড়তে বলেছিল। এভাবে দু একদিন যাওয়ার পরে হঠাৎই একদিন আমাকে কিছুটা এলোমেলো ভাবে স্বরবর্ণের মাঝ থেকে একটা অক্ষর ধরেছিল। আমি ভেবেছিলাম শিক্ষক হয়তো জানে না। তাই তাকে আমি বলেছিলাম আপনি তো নিজেই স্বরবর্ণ পুরোপুরি বলতে পারেন না আর আপনি আমাকে স্বরবর্ণ কি শিখাবেন। বলে আমি ঐ ঘর থেকে বাহির হয়ে চলে এসেছিলাম। তারপর থেকে আর কখনো ঐ শিক্ষকের কাছে পড়তে যাইনি। যদিও এটা আমি প্রথমে বাড়িতে বলিনি, তবে বাড়ি থেকে প্রতিনিয়তই আমি সেই সময় করে বাহিরে আসতাম কিন্তু পড়তে যেতাম না। এভাবে কয়েকদিন যাওয়ার পরে শিক্ষক আমার বাবাকে ডেকে বলল, তোমার ছেলে তো আমার কাছে আর পড়তে আসে না। যখন আমার বাবা আমাকে বলেছিল কি হল, তুমি তো নাকি আর পড়তে যাও না, তখন আমি বাবাকে বলেছিলাম শিক্ষক স্বরবর্ণ পড়াতে পারেনা দেখে, আমি আর যাই না। যদিও পরবর্তীতে ঐ শিক্ষক আমাকে বলেছিল, তুই শুধু মাধ্যমিকে আয় তারপর তোকে দেখবো।
প্রশ্নঃ পছন্দের একটি গানের নাম বলুন, যেটা সব সময় শুনতে ইচ্ছে করে।
উত্তরঃ আমি আসলে মূলত সব ধরনের গান শুনতেই পছন্দ করি। তবে লালনগীতি গান গুলোও বেশি শোনা হয়। তাছাড়া হিন্দি গান গুলোও অনেক শোনা হয়। তবে আজ এই সময় হিন্দি গান শুনতেই মন চাচ্ছে।
Tu hi toh jannat meri, Tu hi mera junoon
Tu hi to mannat meri, Tu hi rooh ka sukoon
Tu hi aakhion ki thandak, tu hi dil ki hai dastak
Aur kuch na janu mein, bas itna hi jaanu
Tujh mein rab dikhta hai
Yaara mein kya karu
Tujh mein rab dikhta hai
Yaara mein kya karu
Sajdhe sar jukhta hai
Yaara mein kya karu
Tujh mein rab dikhta hai
Yaara mein kya karu
Ohhhh hoooo ohh....
এরপর শুরু করা হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব, অর্থাৎ দর্শকসাড়িতে যারা রয়েছেন তাদের নিয়ে এই সেগমেন্ট। অতিথিকে সরাসরি প্রশ্ন করার এবং উত্তর শোনার দারুণ একটা সুযোগ। আমরা ইউজারদের বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন এবং তার উত্তরগুলো অতিথির নিকট হতে শুনি। মোট ১৫ টি প্রশ্ন করা হয়েছিলো আজ এবং সবগুলো প্রশ্নের উত্তর দেন রিপন ভাই । তারপর বিজয়ী নির্বাচনের জন্য কিছুটা সময় দেয়া হয় অতিথিকে এবং সেই ফাঁকে আমার পছন্দের একটা গান সবাই মিলে উপভোগ করি।
এরপর আমরা রিপন ভাইয়ের কাছে জানতে চাই আজকের প্রশ্ন-উত্তর পর্বে সেই ভাগ্যবান বিজয়ী কারা? তার বিবেচনায় বিজয়ীরা হলেন-
@moh.arif @rex-sumon @kazi-raihan
অভিনন্দন আপনাদের যারা প্রশ্ন করে বিজয়ী হয়েছেন, যথা নিয়মে আপনাদের ওয়ালেটে পুরস্কার পাঠিয়ে দেয়া হবে।
অতিথি এবং প্রশ্ন পর্বে বিজয়ীদের যথা নিয়মে রিওয়ার্ডস প্রেরণ করা হয়েছে-
রবিবারের আড্ডার প্রাইজ পুলের পৃষ্ঠপোষক @rme দাদা, ফাউন্ডার-আমার বাংলা ব্লগ।
সবশেষে আমরা আমাদের অনুষ্ঠানের একদম শেষ পর্যায়ে চলে যাই অর্থাৎ চতুর্থ সেগমেন্টে। ঝটপট রাউন্ডে এখানে আমরা অতিথির সঙ্গে বেশ ভালোই মজা করি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের মাধ্যমে। তারপর আমরা রিপন ভাইয়ের কাছে জানতে চাই আমার বাংলা ব্লগের ব্যাপারে কিংবা এই শো'র উদ্দেশ্যে উনার পরামর্শ বা সাজেশন। রিপন ভাই বলেন, এই কমিউনিটির সবকিছুই হচ্ছে বেশ সাজানো গোছানো । তিনি বিশেষ করে কৃতজ্ঞতা বোধ প্রকাশ করেছেন, প্রতিষ্ঠাতা, সহকারী প্রতিষ্ঠাতা, এডমিন ও মডারেটর প্যানেল এর প্রতি। এমন একটা পরিবার তৈরি করার জন্য।
সবশেষে আজকের এই বিশেষ আয়োজন রবিবারের আড্ডায় যারা উপস্থিত ছিলেন সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ, তবে যাওয়ার আগে আরো একটা বিষয়ে সবাইকে অনুরোধ করবো, এই শো’টি সম্পর্কে আপনাদের কোন আইডিয়া কিংবা পরামর্শ থাকলে অবশ্যই আমাকে অথবা মডারেটরদের ডিএম করবেন, আমরা চেষ্টা করবো শো'টিকে আরো সুন্দর এবং প্রাণবন্ত করে তোলার, আপনাদের কাংখিত পরামর্শগুলো নিয়ে। তারপর সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে শো সমাপ্ত ঘোষণা করি। পরবর্তী পর্বে আমাদের অতিথির নাম ঘোষণার মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
রবিরারের আড্ডাগুলোতে দারুণ মজা হয়।এইবার ও তার ব্যতিক্রম নয়।সেটা শুনতে যেমন ভালো লাগে তেমনি ভিন্ন ভিন্ন মানুষের জীবন সম্পর্কে অনেক কিছু জানতেও সাহায্য করে।প্রত্যেকটি আড্ডায় নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে জেনে ধারণা নিতেও পারি আমরা।ধন্যবাদ ভাইয়া আপনার সুন্দর উপস্থাপনার জন্য।
ধন্যবাদ আপু, আপনাদের ভালবাসায় আমি সিক্ত।
https://twitter.com/sharifShuvo11/status/1688475136960438272?t=QJV9hqxxMv3wkc98QRaP2Q&s=19
এই দিনটি ছিল আমার জন্য খুবই স্পেশাল। আমার জীবনের ঘটে যাওয়া অনেক কিছুই শেয়ার করেছি তাছাড়া আমার ভেতরের সকল অনুভূতির অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছি । সত্যিই অনেক ভালো লাগা কাজ করছিল আসলে সবার জন্য এরকম একটি দিন বয়ে আনুক সুন্দর মুহূর্ত।
আমরাও বেশ খুশি হয়েছি, আপনি আমাদের মাঝে অতিথি হিসেবে এসেছিলেন, এটার জন্য।
❤️❤️❤️
রবিবারের আড্ডার প্রোগ্রামটি অনেক সুন্দর ভাবে আপনি উপস্থাপন করেন যার কারণে আড্ডার প্রোগ্রামটি অনেক আনন্দে মেতে উঠে। আড্ডার প্রোগ্রামটি অনেক ভালো লাগে কারণ এখানে একজন ইউজার সম্পর্কে অনেক কিছু জানা যায়।সব মিলিয়ে বিনোদন ও আনন্দের
program রবিবারের আড্ডা। ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
রবিবারের আড্ডা প্রোগ্রামটি শুনতে অনেক ভালো লাগে। আসলে এখানে একজন ইউজার সম্পর্কে সবকিছু জানা যায়। এই আড্ডায় অতিথিকে আমরা সবাই প্রশ্ন করতে পারি সেই বিষয়টি আমার কাছে অনেক বেশি ভালো লাগে। ধন্যবাদ ভাইয়া পুরো পোস্টটি সুন্দরভাবে আমাদের মাঝে উপস্থাপনা করার জন্য ।
ধন্যবাদ আপু রিপোর্টটি পড়ে গঠনমূলক মন্তব্য করার জন্য।
এবার রবিবার আড্ডার পুরোটা সময় বেশ উপভোগ করেছিলাম।রিপন ভাই ছিলেন অতিথি হিসেবে।অনেক কিছু জানতে পেরেছিলাম তার ব্যপারে।সব মিলিয়ে দারুন কেটেছিল গতকাল শোটি।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
আমি নিজেও বেশ উপভোগ করেছি গতকালকের সময়টা।
সত্যি অনেক খুশি লাগছে যে আমি সেরা সেরা প্রশ্নকারীদের মধ্যে একজন হয়েছি। যদিও এই অনুভূতিটা এবার দ্বিতীয় এর আগেও একবার সেরা প্রশ্নকারী হতে পেরেছিলাম যাইহোক কালকের আড্ডাটা অনেক জমে ছিল বিশেষ করে শিক্ষকের সাথে ঘটে যাওয়া সেই কাহিনীটাই বেশি মজা ছিল।
এটা আসলেই বেশ খুশির ব্যাপার, কাউকে প্রশ্ন করে তার মনে জায়গা পাওয়া।
কালকে রবিবারের আড্ডায় রিপন ভাইয়ের সাথে আমরা বেশ মজা করেছিলাম। আসলে আমাদের প্রশ্নগুলো রিপন ভাই অনেক সুন্দরভাবে তার জায়গা থেকে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছে। রিপন ভাই তার জায়গা থেকে তিনজন সেরা প্রশ্নকারী বাছাই করেছিল বেশ ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে আড্ডায় দারুন সময় উপভোগ করেছিলাম।
এটা সত্য, রিপন ভাই বেশ চেষ্টা করেছে, সকলের প্রশ্নের উত্তর অনেকটা গুছিয়ে দেওয়ার জন্য।
বিশেষও ইমারজেন্সি কিছু প্রয়োজনে ব্যস্ত থাকায় এবারের রবিবারের আড্ডাটা মিস করেছি। তবে আগামী বার মিস হবে না আশা করছি ধন্যবাদ।
সমস্যা নেই ভাই, চেষ্টা করবেন আমাদের সঙ্গে পরবর্তী সময়ে যুক্ত হওয়ার জন্য।
জি ভাই অবশ্যই। 🙏🙏💐💐
প্রতি সপ্তাহের মত সপ্তাহেও একজন প্রিয় মানুষ কে আড্ডা প্রোমের অতিথি করা হয়েছে। আমাদের প্রিয় রিপন ভাই কে আড্ডায় দেখে পেয়ে বেশ ভালো লাগা কাজ করছিলো। অনেক সুন্দর করে রিপন ভাই প্রোগ্রাম টি শেষ করতে পেরেছে। দর্শক সাড়িতে বসা অনেক মানুষগুলোও কিন্তু বিভিন্ন রকমের প্রশ্ন করে রিপন ভাই কে বিব্রত করার চেষ্টা করেছে। সব মিলিয়ে বেশ ভালোই ছিল গতকালের আড্ডা প্রোগ্রাম টি।
হ্যাঁ আপু এটা সত্য, রিপন ভাই বেশ ধৈর্য সহকারে পুরো সময়টা আমাদের সঙ্গেই ছিলেন।