অজুহাত নিপাত যাক।
এখনকার তরুণদের দেখলে মনে হয়, তারা যেন অজুহাতের বাক্স হাতে নিয়ে ঘুরছে। কিছু করতে বললেই, শুধু অজুহাত আর অজুহাত। এটা নেই, সেটা নেই, এটা সমস্যা, ওটা সমস্যা; কত রকম কাহিনি !
কর্ম করে খাওয়ার জন্য আসলে অজুহাতের দরকার হয় না, দরকার হয় প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও মানসিকতা। যা আসলে সবার থাকে না, বিশেষ করে বর্তমান তরুণদের।দিন দিন এরা কোথায় যেন হারিয়ে যাচ্ছে, সবাই শুধু সংক্ষিপ্ত রাস্তা খোঁজা নিয়ে ব্যস্ত।
ভিডিও লিংক
এরা পড়াশোনা ঠিকই করছে, তবে বাস্তবিক অভিজ্ঞতা একদম শূন্য। এটা সবার ক্ষেত্রেই না, তবে অনেকের ক্ষেত্রেই। কাউকে কোনো প্রশ্ন করলে উত্তর দেবে ঠিকই, কিন্তু যদি একটু যুক্তি দিয়ে ভিন্নভাবে প্রশ্ন করা হয়, তাহলে আগের মতোই অজুহাত।
এই প্রতিযোগিতার বাজারে সবকিছু নিয়মমাফিক হবে না, এটাই তো স্বাভাবিক। এখানে একটু বুদ্ধি খাটিয়ে চলতে হবে।এই অপ্রিয় সত্য গ্রহণ করতে কেমন জানি তারা অনিহা প্রকাশ করে।
তরুণরাই কিন্তু শক্তি। এদের ভেতর যদি অজুহাত কমে যেত এবং বাস্তবিকভাবেই কর্ম করার মানসিকতা তৈরি হতো, তাহলে বেকারত্ব অনেকটাই কমে যেত।চাকরির পিছনে না দৌড়ে যদি একটু কৃষির দিকে মনোনিবেশ করতো, তাহলে নিজের অর্থনৈতিক অবস্থার স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনা অনেকটাই সম্ভব হতো।
গতকাল পড়ন্ত বেলায় আমি আর বাবু যখন ঘুরতে গিয়েছিলাম, তখন দেখলাম গ্রামের পাকা রাস্তার পাশের পতিত জমিতে কারা যেন তিল চাষ করেছে।ব্যাপারটা আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। কাজটা কারা করেছে তা আমি জানি না, তবে যারাই করুক না কেন, ভালো কিছু করার চেষ্টা করেছে।
যদি তরুণরা কৃষির দিকেও একটু গভীরভাবে মনোনিবেশ করতো, তাহলেও ভালো কিছু করা তাদের দ্বারা সম্ভব হতো।
পরিশেষে শুধু একটা কথাই বলতে চাই অহেতুক অজুহাত না দেখিয়ে, কাজ করে খাওয়ার চেষ্টা করুক তরুণরা।
এতোটুকুই চাওয়া।
ডিসকর্ড লিংক
https://discord.gg/VtARrTn6ht
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আসলে বর্তমান যুগের বেশিরভাগ তরুণেরা চায় শর্টকাট উপায়ে টাকা ইনকাম করতে। অর্থাৎ তারা পরিশ্রম করতে চায় না। কিন্তু তাদের উচিত কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। তারা অবশ্যই কৃষিকাজ করতে পারে। এতে করে তাদের পাশাপাশি দেশ ও দশের মঙ্গল হবে। যাইহোক সবার শুভবুদ্ধির উদয় হোক সেই কামনা করছি।
সঠিক বলেছেন ভাই। ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পড়ে।