" ছেলের পছন্দের খাবার অর্ডার করে খাওয়াতে হলো "
হ্যালো বন্ধুরা,
মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার প্রিয়"আমার বাংলা ব্লগ"এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগন,কেমন আছেন সবাই?আশা করি সবাই ভালো আছেন।আমিও আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ্র অশেষ রহমতে ভালো আছি।
বন্ধুরা,আমি @shimulakter"আমার বাংলা ব্লগ" এর একজন নিয়মিত ও অ্যাক্টিভ ইউজার।বাংলায় ব্লগিং করতে পেরে আমার অনেক বেশী ভালো লাগা কাজ করে মনের মাঝে।তাইতো আপনাদের মাঝে প্রতিনিয়ত মনের নানান অনুভূতি গুলো নিয়ে নানা রকমের পোস্ট শেয়ার করে থাকি।আজ ও আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিযে।আশাকরি সবাই সঙ্গেই থাকবেন।
ছেলের পছন্দের খাবার অর্ডার করে খাওয়াতে হলোঃ
বন্ধুরা,আজ আবার হাজির হয়ে গেলাম নতুন একটি পোস্ট নিয়ে।আজ আমি লাইফ স্টাইল পোস্ট শেয়ার করে নিব।প্রতিনিয়ত নানা রকমের কর্মকান্ড আমি করে থাকি। তারই কিছু কিছু আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে পারলে অনেক বেশি ভালো লাগে আমার। এইতো সেদিন ছেলের হাফ ইয়ার্লি এক্সাম চলাকালীন BFC চিকেন ফ্রাই অর্ডার করতে হয়েছিল।আপনাদের কাছে আগে ও শেয়ার করেছি ছেলেকে পড়াতে মাঝে মাঝেই তার পছন্দের খাবার আমার অর্ডার করে নিতে হয়।
বাচ্চাদের পড়ানো খুব কঠিন।যে বাচ্চারা পড়তে চায়না তাদের পড়ানো ভীষণ কঠিন কাজ।আর যে বাচ্চারা পড়ে তাদেরকে পড়ানো যায়। যেহেতু আমার ছেলের খেলাধুলা ভীষন পছন্দ তাইতো তার মনোযোগ সব সময় ফুটবলের দিকেই থাকে আর এ কারনে ওকে পড়ানো খুব কঠিন কাজ।তাই এক্সামের সময়টাতে ওকে ওর পছন্দের খাবারের লোভ আমাকে দেখাতে হয়।আর বাচ্চারা চিকেন খেতে খুবই পছন্দ করে।ঘরে যত কিছুই তৈরি করি না কেন আজকাল বাচ্চারা ঘরে বসে অর্ডার করে খেতে খুবই পছন্দ করে।তাই আমি এক্সাম চলাকালীন সময়ে একদিন রাতে BFC চিকেন ফ্রাই অর্ডার করি ওর পড়া তাড়াতাড়ি শেষ হওয়ার জন্য।
আমি লক্ষ্য করে দেখলাম অর্ডার করা চিকেন ১৫/২০ মিনিট পরেই চলে আসবে।তাই ও খুব তাড়াতাড়ি পড়া রিভিশন দিয়ে আমাকে দিচ্ছিল।কারন ও বলছিল, চিকেন এসে গেলেই ও খাবে।আর তাই খুব দ্রুত সব পড়া শেষ করতে চাইছিলো।আসলে আমি এটাই চাইছিলাম।সন্ধ্যা থেকে বসে তেমন ভাবে পড়ছিল ই না।পছন্দের খাবার এনে খাওয়াবো শুনে কি তার পড়ার স্প্রিড।যাক ঘন্টা খানেকের মধ্যে সব পড়া ই শেষ হয়ে গেলো পছন্দের খাবার এনে দেওয়াতে।ইচ্ছে না হলেও এক্সামের সময় এমন পছন্দের খাবার আমাকে খাওয়াতে ই হয়।মা হলে অনেক টেকনিক করে চলতে হয় আসলে।যারা মা হয়েছেন আর যাদের বাচ্চা স্কুলে যায় আমার মতো তাদের ও হয়তো এমনটা করতেই হয়।আজকাল ছেলেমেয়েকে মানুষ করা বড্ড টাফ।অথচ আমাদের মা,চাচীদের কাছে এমনটা শুনবেন না।তারা খুব কম ঝামেলায় ছেলেমেয়ে মানুষ করেছেন।
যাই হোক,আজকে কিছু অনুভূতি আমি শেয়ার করে নিলাম। আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লেগেছে। আজ আর নয়।সবাই সুস্থ থাকবেন, ভালো থাকবেন।আবার হাজির হয়ে যাব নতুন কোন ব্লগ নিয়ে।
ধন্যবাদ সবাইকে
পোস্ট বিবরন
| শ্রেনি | লাইফ স্টাইল |
|---|---|
| প্রয়োজনীয় ডিভাইস | Samsung A 20 |
| ফটোগ্রাফার | @shimulakter |
| স্থান | ঢাকা,বাংলাদেশ |
আমার পরিচয়
আমি শিমুল আক্তার।আমি একজন বাংলাদেশী।আমি এম এস সি(জিওগ্রাফি) কমপ্লিট করি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।আমি বিবাহিতা।আমি একজন গৃহিণী।আমি স্বাধীনচেতা একজন মানুষ।ভালোবাসি বই পড়তে,নানা রকমের রান্না করতে,ফটোগ্রাফি করতেও আমি ভীষণ পছন্দ করি।বাংলায় লিখতে আর বলতে পারার মধ্যে অনেক বেশী আনন্দ খুঁজে পাই।নিজের মধ্যে থাকা সৃজনশীলতাকে সব সময় প্রকাশ করতে পছন্দ করি।এই বাংলার মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছি বলে নিজেকে অনেক ধন্য মনে করি।