বাংলাদেশের দীর্ঘতম পদ্মাসেতুর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা
প্রিয় ব্লগারবৃন্দ,
স্টিম ফর ট্রেডিশন কমিউনিটির সকল সদস্যকে জানাই আসসালামুয়ালাইকুম ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের ভাই -বোনদের আন্তরিক শুভেচছা।আশা করি সকলেই ভালো আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি।আজকে আমি লিখব পদ্মাসেতু এবং পদ্মাসেতুতে ঘুরতে যাওয়া একটি অভিজ্ঞতা সম্পর্কে।
পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সাথে যুক্ত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫ জুন,২০২২ দুপুর ১২টায় পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন।এর দৈর্ঘ্য ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার।
দিনটি ছিল ০৪/০৩/২০২৩।সকালে ঘুম থেকে উঠতেই অনেক দেরি হয়ে যায়। তারপর তারাতাড়ি করে তৈরি হয়ে নিই।এরপর মুন্সিগঞ্জ সদর থেকে একটি সিএনজি নিয়ে রওনা দেই মাওয়া ফেরিঘাট এর উদ্দেশ্যে।সেখানে আমার বন্ধু নিহাল ও তার এলাকার কিছু বন্ধু আমার জন্যে অপেক্ষা করছিল।আমি ঠিক সকাল ১০:০০ টায় মাওয়া ফেরিঘাটে পৌঁছাই।তারা আমাকে দেখে অনেক খুশি হয়।যদিও অনেকেই আমার অপরিচিত ছিল।
এরপর আমরা সবাই মিলে নৌকা ভাড়া করি।তাদের সাথে আমাদের চুক্তি হয় যে আমরা ২ঘন্টা নৌকা নিয়ে নদিতে ঘুরবো। পরে তারা এর জন্য ৭০০ টাকা চেয়েছিলেন।আমরা অনেক উত্তেজিত ছিলাম।এরপর সবাই নৌকাতে চড়লাম।
অনেক্ষন নদিতে ঘুরার পর আমরা আবার ঘাটে চলে আসি।এরপর সবাই একসাথে ছবি তুলি।সবাইকে অনেক সুন্দর লাগতেছিল।তারা অনেক মিশুক ছিল ফলে সহজেই আমি তাদের সাথে মিশে গেছিলাম।তাদের সবারই বাসা ছিল টাঙ্গাইল।
তারপর আমাদের মুল লক্ষ্য ছিল ইলিশ মাছ খাওয়া।সবাই মিলে উদ্যোগ নিলাম যে পদ্মা ওপারে হোটেলে খাওয়া করবো।সবাই গাড়িতে উঠে ওপারে চলে এলাম।এবার ইলিশ কেনার পালা।সেখানে ইলিশের দামটা একটু কম ছিল।আর আমরা অনেকজন ছিলাম তাই ২টি মাছ কিনে ফেলি।
রান্নার পর খাওয়া শেষে আমরা অনেক মজা করি।তারপর তারা আমাকে বিদায় দিয়ে দেয়।আর সেদিন আকাশ ছিল অনেক মেঘলা। তাই যত দ্রুত সম্ভব আমি আমার ম্যাচে চলে আসি।তবুও সব বন্ধুরা মিলে অনেক ঘুরাঘুরি করেছিলাম।তাদেরকে অনেক মিস করবো।দিনটি আমার কাছে অনেক স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
নতুন সদস্য হিসেবে আপনি মোটামুটি ভালই লিখেছেন। আমি বেশ কিছুদিন আগে পদ্মা সেতুতে গিয়েছিলাম। আশেপাশের পরিবেশটা সত্যিই অনেক সুন্দর। নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থেকে শিখে,নিজেকে দক্ষ ব্লগার হিসেবে গড়ে তুলুন। শুভকামনা রইল আপনার জন্য
জি ভাইয়া নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করব।পাশে থাকবেন ভাইয়া। ধন্যবাদ ভাইয়া।
পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট করেছেন।তবে আমার এখনও পদ্মা সেতু ভ্রমন করা হয়নি।তবে ইচ্ছে আছে ভ্রমন করার। সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে সাজিয়ে গুছিয়ে লিখেছেন ভাই। অসাধারণ হয়েছে পোস্টি।সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে উপস্থাপন করার জন্য ধন্যবাদ ভাই।
আপনাকেও ধন্যবাদ ভাইয়া।সময় পেলে ঘুরে আসবেন।আশা করি অনেক ভালো লাগবে।
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বড় একটি সেতু।এই সেতুটি আমাদের জন্য গর্ব করার মত। অনেক সমস্যা পারি দিয়ে এই সেতু নির্মাণ করা হয়। আপনি বেশ চমৎকার তুলেছেন ছবি গুলো। ইলিশ মাছ গুলো বেশ বড় এবং তাজা। ধন্যবাদ আপনাকে এত চমৎকার একটি বিষয় আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের নতুন ও অন্যতম দীর্ঘ সেতু। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এ সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের মানুষের জীবনযাপন অনেকটা সহজ করে দিয়েছে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে আপনার পদ্মা সেতু ভ্রমণ অভিজ্ঞতাটা আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে।
আপনাকেও ধন্যবাদ আপু।
পদ্মা সেতুর নিশ্চয়ই বাংলাদেশের একটি বড় গর্বের বিষয় ভাইয়া।পদ্মা সেতুতে অনেক ভালো প্রযুক্তি ব্যাবহার করা হয়েছে। খুব ভালো তত্ব দিয়েছেন আপনি বিশেষ করে পদ্মার দৈঘ্য সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। আপনার লেখা গুলোও অনেক সুন্দর ভাইয়া।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ তম সেতু হলো পদ্মা সেতু, এই সেতুটি ২০২২ সালে উদ্বোধন হয়। এটি বরিশাল বিভাগের মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সেতু। পদ্মা সেতু খুবই সৌন্দর্যপূর্ন একটা সেতু যে সেতু ২ টি ক্যানেল এ বিভক্ত, উপরে গাড়ি চলাচল করে এবং নিচ দিয়ে ট্রেন চলাচল করবে। পদ্মা সেতু মাওয়া ঘাটে ইলিশ পাওয়া যায়। পদ্মার ইলিশ খুবই সুস্বাদু। ওখনো পদ্মা তাজা ইলিশ ও পাওয়া যায়। কখনো যাওয়া হয় নাই শুধু মোবাইলে কিংবা টিভিতে দেখেছি খুবই সুন্দর। সময় করে যাবো ইনশাআল্লাহ। আপনি অনেক সুন্দর করে উপস্থাপন করছেন অনেক ভালো লাগলো ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ ভাইয়া।
পদ্মা সেতু নিয়ে অসাধারণ লেখছেন ভাই, আমি একবার ঢাকায় গেছিলাম কিন্তু তখন পদ্মা সেতু নির্মান চলতেছে তাই আর কি দেখা হয় নাই, আর যখন পদ্মা সেতু নির্মান করা হয় তখন আমি বাইরে ছিলাম আর সেই নির্মানের সময় আমার ভাই সেখানে কাজ করছিল। তবে আপনার অভিজ্ঞতার কথা শুনে খুব ভালো লাগলো, আমি পদ্মা সেতু নিজের চোখ দিয়ে দেখার ইচ্ছে আছে। আর আপনি অনেক সুন্দর ভাবে পদ্মা সেতুর বিষয় আমাদের মাঝে শেয়ার করেছে কত সালে কত তারিখে সব বিষয় আমাদের মাঝে তুলে ধরছেন ভাই। আপনার পোস্ট পরে খুব ভালো লাগলো, আর একটা বিষয় হলো আপনি যে খাওয়ার জন্য ইলিশ মাছ কিনে নিছেন তা শুনে বা দেখে খুব ভালো লাগলো, কারন কোথাও ঘুরতে গেলে যখন আমাদের পাশে আমাদের বেস্ট ফ্রেন্ড থাকে তখন ঐ সময় টা খুব ভালো লাগে। আমিও যখন মাঝে মাঝে বাইরে ঘুরতে যায় তখন আমরা সব বন্ধুরা মিলে এক সাথে ঘুরতে যায়, আর আমার কাছে বন্ধুদের সাথে ঘুরাঘুরি করা খুব ভালো লাগে। আর বাঙালিদের সুস্বাদু খাবার হলো ইলিশ মাছ, ইলিশ মাছ খেতে সবাই পছন্দ করে আমিও ইলিশ মাছ খেতে অনেক পছন্দ করি। পরিশেষে এটাই বলতে চাই দিন শেষে বন্ধুদেরকে অনেক মিস করি।আপনার পোস্ট খুব সুন্দর লাগলো আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই পদ্মা সেতুর আর আপনার অভিজ্ঞতা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
সাপোর্ট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া।
আপনার তোলা পদ্মা সেতুর প্রথম দুটি ছবি খুবই চমৎকার হয়েছে। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের স্বপ্ন ছিল এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছে । পদ্মা নদী এবং পদ্মা নদীর ইলিশের ছবি দেখে আমার ইলিশ মাছ খাওয়ার ইচ্ছা হচ্ছে। সেখানকার স্থানীয় হোটেল গুলোর পদ্মার ইলিশের লেজের ভর্তা নাকি খুবই সুস্বাদু একটি খাবার। ধন্যবাদ আপনাকে।
জি আপু সময় পেলে ঘুরে আসবেন।আর ইলিশ মাছ অবশ্যই খাবেন।খুব ভালো লাগবে।ধন্যবাদ আপু।
পদ্মাসেতু ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আপনি অনেক সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন ভাইয়া।চারপাশের পরিবেশ বেশ স্নিগ্ধ লাগছিল। বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ও দীর্ঘতম সেতু হলো এই পদ্মা সেতু।অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে এই সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়েছে। অবশেষে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর ২০২২ ইং সালে উদ্বোধন হয় এই সেতুর। যা বরিশাল বিভাগের মানুষদের যোগাযোগ ব্যাবস্থা সহজ করে দিয়েছে। মাওয়া ঘাটের ইলিশ মাছের কথা আমরা সকলেই জানি। পদ্মার ইলিশ সারা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত। পদ্মাসেতু বাংলাদেশের গৌরব। এমন সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া। শুভকামনা রইল আপনার জন্য।
এভাবে সাপোর্ট দিয়ে পাশে থাকবেন আপু।ইনশাআল্লাহ পরবর্তীতে এর থেকেও ভালো পোস্ট করার চেষ্টা করব।ধন্যবাদ আপু।