Medical knowledge in pregnancy

in #esteem8 years ago

learn about pregnancy & its effect..
stria is common in pregnancy..
প্রেগন্যান্সিতে পেটে যে দাগ পড়ে তা কিভাবে দূর করবেন?
শিশু গর্ভে থাকার সময় মায়ের পেটে ফাটা দাগ দেখা দেয়। যাকে মেডিকেলের ভাষায় Striae বলে। শিশুর জন্মের পরও পেটের ত্বকে লম্বা লম্বা দাগ থাকে অনেক সময়। তবে গর্ভাবস্থায় সচেতন থাকলে দাগহীন পেট রাখা সম্ভব ৷
দাগের কারণ: একজন মা গর্ভাবস্থায় প্রায় ৪০ সপ্তাহ ধরে দুই লিটার পানিসহ সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন৷ তাছাড়া জরায়ুসহ পেটের ত্বকের টিস্যু এমনভাবে তৈরি, যা ধীরে ধীরে রাবারের মতো বড় হয় ৷ কারণ গর্ভে থাকা সন্তানের আকার বড় হওয়ার সঙ্গে পেটও বড় হতে থাকে ৷......
এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই পেটে টান পড়ে ৷ ফলে Collagen fibre এর স্ট্রেসিং হয়।। এতে পেটে প্রথমে লালভাব, নীল সবশেষ ফাটা দাগ দেখা দেয় ৷ এই দাগ শিশুর জন্মের আগে পেট, ঊরু ও নিতম্বে হয় ৷ তবে এর পেছনে কিছুটা বংশগত কারণও থাকতে পারে ৷
খাদ্যাভাস:
পেটকে দাগমুক্ত রাখতে গর্ভবতী থাকাকালীন স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে ৷ খাবার তালিকায় রাখতে হবে শস্যদানাযুক্ত খাবার, মাছ, বিভিন্ন সবজি- ব্রোকলি, গাজর, ভিটামিন ‘ই’ ও ‘সি’ যুক্ত খাবার, চিনিবিহীন চা এবং প্রচুর পানি পান করতে হবে৷
তেলের মাসাজ:
পেটের সন্তানের জন্ম যাতে সহজভাবে হয় সেজন্য গর্ভবতী নারীদের পেটে তেল মালিশ করার প্রচলন চালু আছে ৷ জার্মান ফার্মাসিস্ট ফ্রানৎস এর মতে- সবচেয়ে ভালো হয় বাদাম তেল মালিশ করা হয় পেটে। কারণ বাদাম তেল ত্বককে মসৃণ ও সুন্দর রাখে ৷ অলিভ অয়েলও ভালো কাজ করে।
এক্ষেত্রে অবশ্যই আস্তে আস্তে মালিশ করতে হবে। কোনোভাবে যেন পেটে চাপ না লাগে ৷ এভাবে নিয়মিত যত্ন নিলে অনেকটাই দাগমুক্ত রাখা সম্ভব৷
***********বেবী হওয়ার পর অবগত হলে যা যা করবেন:************
ডিমের সাদা অংশ :
প্রতিদিনকার প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে আমরা সবাই ডিম খেতে পছন্দ করি। ডিমের সাদা অংশ মাতৃত্বজনিত দাগ দূর করার জন্য খুবই ভালো একটি উপাদান। ডিমের অ্যামাইনো এসিড ও প্রোটিন ত্বককে নতুন জীবন দান করতে সক্ষন। প্রতিদিন গোসলের আগে ডিমের সাদা অংশ কাঁটা চামচ দিয়ে ভালো করে ফেটিয়ে নিয়ে দাগের মাঝে মেকআপ ব্রাশ দিয়ে লাগিয়ে নিতে হবে। পুরোপুরি শুকিয়ে এলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে। পরিষ্কার নরম কাপড় দিয়ে পেট মুছে নিয়ে লাগাতে হবে অলিভ অয়েল যেন ত্বক মশ্চারাইজড থাকে। এ পদ্ধতি ২ সপ্তাহ অবলম্বণ করলে দাগ চলে যাবে অনেকাংশেই।
লেবু:
পাতে লেবু না হলে খাওয়া হয় না এমন অনেক মানুষ আছেন তাই সবার ঘরেই লেবু একটি নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তু। দেহের ভিটামিন সি’র চাহিদা পুরণ করার জন্য লেবুর তুলনা মেলাও ভার। লেবু যেহেতু অ্যাসিডিক তাই এর রস যেকোনো দাগ দূর করতে বেশ কার্যকরী। লেবু টুকরো করে কেটে নিয়ে পেটের দাগের অংশে হালকা ভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে যেন লেবুর রস ভালো মতো ত্বকে লাগে। ৩ থেকে চার মিনিট ম্যাসাজ করার পর ১০ মিনিটের জন্য পেটে লেবুর রস লাগা অবস্থায় রাখতে হবে পেট। এরপর উষ্ণ পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। লেবুর রসের সাথে খানিকটা শশার রস লাগালেও উপকার পাওয়া যাবে। মাতৃত্বজনিত দাগ হালকা করার জন্য এটি খুবই ভালো একটি উপায়।
চিনি:
মাতৃত্বজনিত দাগ দূর করার জন্য চিনির একটি মিক্সচার খুবই উপকারী। যা লাগবেঃ এক টেবিল চামচ চিনি, আধা চা চামচ বাদামের তেল, কয়েক ফোটা লেবুর রস। উপাদানগুলো এক সাথে মিশিয়ে দাগের জায়গাগুলোতে ম্যাসাজ করতে হবে কিছুক্ষণ। প্রতিদিন গোসলের আগে এটি করতে হবে। মাস খানেক এই মিক্সচারটি ব্যবহার করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে।
আলুর রস:
সব তরকারিতে যেমন আলু চলে এক্ষেত্রেও আলুর ব্যবহার আছে।আলু কত কাজেই না লাগে! মাতৃত্বজনিত দাগ হালকা করার জন্য আলুর ভিটামিন আর মিনারেল খুবই ভালো ওষুধ। বাজারে পাওয়া যায় এমন রাসায়নিক ক্রীমের চেয়ে আলুর রস খুব ভালো কাজে দেবে এ কাজে। একটি বড় সাইজের আলু ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিয়ে সেই পেস্টটি দাগের জায়গায় লাগাতে হবে। হাত দিয়ে মুছে পেস্টের ভেজা বাড়তি অংশ ফেলে দিতে হবে। রস শুকিয়ে এলে হালকা গরম পানিতে ধুতে হবে।
অ্যালোভেরা:
ইংরেজিতে অ্যালোভেরা বলা হলেও বাংলায় এর নাম ঘৃতকুমারী। নানা ঔষধি গুণের জন্য অনেকে এর শরবত করেও খান। মাতৃত্বজনিত দাগের জন্য অ্যালোভেরার জেল সরাসরিই লাগানো যায়। একটি অ্যালোভেরার পাতা নিয়ে চা চামচ দিয়ে এর জেল করে নিয়ে তা দাগের জায়গায় লাগাতে হবে। ২০ মিনিট পর হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিলেই হবে। এটা কয়েক সপ্তাহ করলে দাগ অবশ্যই কমে আসবে।
ক্যাস্টর অয়েল:
ক্যাস্টর অয়েল যেকোনো সুপার শপ বা কসমেটিকসের দোকানে পাওয়া যায়। দামও খুব বেশী না। ত্ত্বকের বলিরেখা দূর করতে বা যেকোনো দাগ দূর করতে এই তেল ব্যবহার করা হয়। পেটের দাগ দূর করার জন্য ক্যাস্টর অয়েল দিয়ে পেট ম্যাসাজ করে একটি পাতলা কাপড় দিয়ে ত্বক ঢেকে দিতে হবে। এরপর একটি হট ওয়াটার ব্যাগ তার উপর রেখে ৩০ মিনিট রাখতে হবে। এরপর গোসল করাই ভালো। এটা অন্তত এক মাস করলে মাতৃত্বজনিত দাগ প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
অলিভ অয়েল:
যুগ যুগ ধরে ত্বকের যত্নে অলিভ অয়েল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এর কারন অলিভ অয়েলে আছে পরিমাণ মতো ভিটামিন আর অ্যান্টি অক্সিডেন্টস। এই তেল ত্বককে ভিতর থেকে নরম করে তোলে। অলিভ অয়েল হালকা গরম করে দাগের জায়গায় নরম করে ম্যাসাজ করতে হবে। এই তেল ধুয়ে ফেলার কোনো প্রয়োজন নেই। এটি ত্বকের সাথে যতক্ষণ মিশে থাকবে ততক্ষনই ত্বকের জন্য ভালো।
সুতরাং:
মাতৃত্বজনিত দাগ অধিকাংশ মায়েরই হয় (প্রায় ৭০%)। কারো কম কারো বেশী। মন খারাপ না করে প্রাকৃতিক এ উপাদানগুলো ব্যবহার করে দেখুন। নিজের যত্ন নি* itemন। আপনি ভালো থাকলেই ভালো থাকবে আপনার শিশু।
Stria in pregnancy is an important one..

Sort:  

To get upvote from @wafrica, the post needs at least 300 characters! Please describe your work in detail ;-)

To get upvote from @wafrica, the post needs at least 300 characters! Please describe your work in detail ;-)

thank you represent our bangladesh and bangla post 👍

  • powerful post in bangla (28/03/2018) link

supported by @nmb82ig & you got 4 upVote free

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.33
JST 0.104
BTC 64621.25
ETH 1928.65
USDT 1.00
SBD 0.37