আর্টঃ ম্যান্ডালা আর্ট।
শুভেচ্ছা সবাইকে।
কেমন আছেন সবাই ? আশাকরি ভালো আছেন।প্রত্যাশা করি সবসময় যেনো ভালো থাকেন। আজ ২৯শে ফাল্গুন বসন্তকাল, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ। ১৪ই মার্চ,২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ। আজ একটি আর্ট আপনাদের সাথে শেয়ার করবো।
বন্ধুরা, আমার বাংলা ব্লগের নিয়মিত ব্লগিংয়ে আজ আর একটি নতুন ব্লগ নিয়ে হাজি্র হয়েছি। অনেকদিন পর আজ একটি ম্যান্ডালা করলাম। ম্যান্ডালা আর্ট করতে সব সময় আমার বেশ ভালো লাগে। আর দেখতেও বেশ সুন্দর ম্যান্ডালা আর্টগুলো। ছোট ছোট ডিজাইনের জন্য ম্যান্ডালা আর্টগুলো দেখতে বেশি সুন্দর লাগে। আর্ট এর ভিন্নতা আনার জন্য আমি সব ধরনের আর্ট শেয়ার করার চেস্টা করি। কখনও পেন্সিল স্কেচ, কখনও ম্যান্ডালা আর্ট,কখনও মাধুবনী আবার কখনও বা পোস্টার রং বা মোম রং দিয়ে কোন আর্ট। আজকে একটি ফুল সহ ম্যান্ডালা আর্ট করার চেস্টা করেছি।মাঝে মাঝে ভিন্ন ধরনের ম্যান্ডালা আর্টগুলো আকঁতে ও দেখতে বেশ ভালো লাগে।এই আর্টটি করার পর আমারও বেশ ভালো লেগেছে। আশাকরি আপনাদেরও ভালো লাগবে। আর্টটি করতে ব্যবহার করেছি সাদা কাগজ ও পেন্সিল সহ আরও কিছু উপকরণ। তাহলে চলুন দেখে নেয়া যাক, আর্টটি করার বিভিন্ন ধাপ গুলো ।
উপকরণ
১।সাদা কাগজ
২।পেন্সিল
৩।পেন্সিল কম্পাস
৪।সাইন পেন
৫।কমলা শেডের জল রং
৬।তুলি
৭।কালো জেল পেন
অংকনের ধাপ সমুহ
ধাপ-১
প্রথমে সাদা কাগজের চারপাশে পেন্সিল দিয়ে দাগ দিয়ে নিয়েছি।
ধাপ-২
পেন্সিল দিয়ে একটি ফুল এঁকে নিয়েছি।
ধাপ-৩
ফুলের সাথে লাগিয়ে কয়েকটি বৃত্ত এঁকে নিয়েছি।
ধাপ-৪
ছোট বৃত্তটিতে পাতার মতো কিছু ডিজাইন এঁকে নিয়েছি।
ধাপ-৫
একইভাবে অন্যান্য বৃত্তগুলোতেও কালো রং এর জেল পেন দিয়ে বিভিন্ন ধরনের কিছু ডিজাইন এঁকে নিয়েছি।
ধাপ-৬
এবার ফুলটি হলুদ রং করে নিয়েছি। সাথে আরও কিছু ডিটেইলিং এর কাজ করে নিয়েছি। এবং মাঝখানের ছোট বৃত্তটি কমলা রং এর জল রং দিয়ে রং করে নিয়েছি।
ধাপ-৭
সবশেষে নিজের স্টিমিট আইডি সিগনেচার করে দিয়ে আর্টটি শেষ করেছি।
উপস্থাপন
আশাকরি ,আজকে ম্যান্ডালা আর্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে। আমার সবসময় চেষ্টা থাকে নতুন নতুন আর্ট করে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে।আজ এই পর্যন্তই। আবার দেখা হবে নতুন কোন ব্লগ নিয়ে।সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন-নিরাপদে থাকুন।শুভ রাত্রি।
পোস্ট বিবরণ
| শ্রেনী | আর্ট |
|---|---|
| ক্যামেরা | Samsung Galaxy A-10 |
| পোস্ট তৈরি | @selina 75 |
| তারিখ | ১৪ই মার্চ, ২০২৫ ইং |
| লোকেশন | ঢাকা,বাংলাদেশ। |
আমার পরিচয়
আমি সেলিনা আখতার শেলী। জন্মসূত্রে বাংলাদেশী। জন্ম,বেড়ে ওঠা চট্রগ্রাম শহরে। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দর্শনশাস্ত্রে অনার্স-মাস্টার্স। দীর্ঘ দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের অধিকার রক্ষায় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় কাজ করেছি। স্বামীর বাড়ী দিনাজপুরে,বর্তমানে ঢাকায় থাকি।ঘুরে বেড়ানো,বই পড়া,অজানাকে জানা,নিত্য নতুন রান্না ও বিভিন্ন ধরণের হাতের কাজ করা আমার শখ।দেশাত্ববোধ,দেশীয় শিল্প,সাহিত্য ও সংস্কৃতি আমার অন্যতম ভালো লাগা। এদেশে জন্মগ্রহণ করে আমি গর্বিত।
ম্যান্ডালা আর্ট অসাধারণ হয়েছে। দেখতে পেয়ে মুগ্ধ হলাম। এত সুন্দর ম্যান্ডেলা চিত্রাংকন আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আমার চেস্টা আপনার ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো। ধন্যবাদ ভাইয়া।
Upvoted! Thank you for supporting witness @jswit.
https://x.com/selina_akh/status/1900554277221007573
Daily task
আপু আপনি ফুলের সাথে চমৎকার ম্যান্ডেলা আর্ট করেছেন। ফুলটি দেখে মনে হচ্ছে একদম জবা ফুল। পাপড়িগুলো লাল রঙের দিলে সত্যি কারের লাল জবা হয়ে যেত। ছোট ছোট ডিজাইন দিয়ে দারুন এঁকেছেন। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপু।
উপদেরশমূলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপু।
এ ধরনের আর্ট গুলো করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হয় এবং সময় দিয়ে যদি আর্ট গুলো করা যায় খুব সুন্দর ফুটিয়ে তোলা সম্ভব। ধন্যবাদ আপু খুব সুন্দর একটি মেন্ডেলা আর্ট আমাদের উপরে দেওয়ার জন্য ভালো থাকবেন।
্সময় লাগলেও করতে বেশ ভালো লাগে। আর দেখতেও বেশ সুন্দর হয় আর্টগুলো।ধন্যবাদ ভাইয়া।
দারুন একটা ম্যান্ডেলা আর্ট তৈরি করেছেন। বিশেষ করে কালার ব্যবহার করার কারণেই ম্যান্ডেলার সৌন্দর্য আরো বেশি ফুটে উঠেছে। একটু সময় নিয়ে হলেও ম্যান্ডেলা আর্ট গুলো করার পর দেখতে ভীষণ সুন্দর লাগে। এক কথায় অসাধারণ একটা আর্ট করেছেন আপু।
জি আপু আওময় লাগলেও ম্যান্ডালা আর্টগুলো দেখতে বেশ সুন্দর লাগে। ধন্যবাদ আপু।
অনেক সুন্দরভাবে মেন্ডেলা আর্ট করেছেন আপু। কালারটা একদম ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে জবা ফুল অ্যাড করাটা অনেক বেশি সুন্দর হয়েছে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপু
ধন্যবাদ আপু।
আপনি অনেক সুন্দর ম্যান্ডেলা আর্ট করছেন আপু। আপনার চমৎকার এই ম্যান্ডেলা আর্ট করতে দেখে খুশি হলাম। এ জাতীয় কর্মগুলো নিজেকে নতুন কিছু করতে শেখায়। অসাধারণ হয়েছে কিন্তু। সুন্দরভাবে মেন্ডেলার তৈরি করে দেখানোর জন্য ধন্যবাদ।
নতুন কিছু করতে পারলে বেশ ভালো লাগে। ধন্যবাদ ভাইয়া।
এই ধরনের ম্যান্ডেলা আর্ট গুলো দেখতেও যেমন ভালো লাগে করতে অনেকটাই সময় লাগে। আপনাদের ধৈর্য ধরে কাজটি করেছেন সেটা দেখেই বোঝা যাচ্ছে। আমারও খুব ভালো লাগে এই ধরনের কাজগুলো করতে। এখন সময়ের অভাবে হচ্ছে না আশা করি খুব তাড়াতাড়ি করব।
আপনার আর্ট দেখার অপেক্ষায় রইলাম আপু।