Boc-generalwriting ||| উঁচুতে উঠতে সিঁড়ির প্রয়োজন।
আসসালামু আলাইকুম। আমার প্রিয় কমিউনিটির সকল ভাই ও বোনেরা আশা করি সকলে সুস্থ আছেন এবং সুন্দর সময় অতিবাহিত করছেন। আমি আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে বেশি ভালো আছি।
আজকে আমি আবারো আপনাদের মাঝে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হতে চলেছি।জানি আমার ব্লগগুলো পড়তে এবং দেখতে আপনাদের অনেক ভালো লাগে। এজন্যই তো সব সময় ব্লগ লেখার আগ্রহ এবং কাজ করার আগ্রহ দিন দিন বেড়ে চলেছে। ঠিক তারই ধারাবাহিকতায় আজকে একটি নতুন টপিক নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হতে চলেছি।আশা করি আজকের এই বিষয়টি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে "উঁচুতে উঠতে সিঁড়ির প্রয়োজন"।আর কথা না বাড়িয়ে মেইন টপিকে চলে যাওয়া যাক।
আমরা সবসময় চেষ্টা করি নিজেকে একটি নিরাপদ স্থানে এবং অনেক উপরে দেখতে চা। কিন্তু আসলে এই কাজটি আমরা অনেকেই করতে পারি আবার অনেকেই পারিনা।যারা এই কাজটি সফলভাবে করতে পারে তারা অবশ্যই কোন না কোন একটি সিঁড়ি ব্যবহার করে আর আমরা যারা পারি না তারা আসলে সিঁড়ি ব্যবহার করি না।তার মানে আমরা যারা পারি না তারা অন্যের সহযোগিতা নিতে চাই না বা সহযোগিতা পাই না আর সিঁড়ি বা সহযোগিতা ছাড়া কি ওপরে ওঠা সম্ভব?
আমরা বাঙালি আমাদের আত্মমর্যাদা বোধ একটু বেশি।তাই আমরা কখনো কারো কাছে ছোট হতে চাই না,অন্যের সহযোগিতা নিলে যদি নিজেকে ছোট মনে হয়ে। এজন্যই আমরা সহযোগিতার হাত কেউ বাড়িয়ে দিলেও সে হাতটাকে আমরা ফিরিয়ে দেই কিন্তু আমরা কখনই ভাবি না অন্যের সহযোগিতা ছাড়া উপরে ওঠা সম্ভব না। যেমন একটি উঁচু দালানে উড়তে গেলে অবশ্যই সিঁড়ি বা লিফটের সহযোগিতায় ওপরে উঠতে হবে, নতুবা দালান কোটার টপ ফ্লোরে ওঠা কখনোই সম্ভব না?
আবার দেখা যায় এই পৃথিবীতে আমরা অনেকেই হয়তোবা সহযোগিতার হাত খুঁজে পাই না, আর সহযোগিতা যারা করতে চাই হয়তোবা তারা আমাদের মত মানুষকে খুঁজে পাই না। আর এই মিস ম্যাচ হওয়ার কারণেই আমরা অনেকেই আজও ব্যর্থ।
তাই আমরা সবাই সবার জন্য দোয়া ও সহযোগিতা করব, যাতে সবাই একই সঙ্গে সামনের দিকে এগওয়ে যেতে পারি এবং আমরা সকলেই যেন উপরে নিরাপদ স্থানে যেতে পারি। এজন্য সবাই সবাইকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিব, এছাড়া আর কোন পথ নেই।
আমার পরিচয়।
আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার।আমি একজন ব্লগার, উদ্যোক্তা।কবিতা লিখতে, নতুন কোনো রেসিপি তৈরি করতে এবং নতুন নতুন ডিজাইন সৃষ্টি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।আমি উদ্যোক্তা জীবনে সব সময় গ্রামের অবহেলিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি।আর এই অবহেলিত মহিলাদের কাজ নিয়ে দেশের স্বনামধন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রোভাইড করি এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে বিদেশেও রপ্তানি করছি।আর এসব কিছুর পিছনে আমার এই অবহেলিত মহিলাদের উৎসহ এবং উদ্দীপনায় সম্ভব হয়েছে।তাই সব সময় আমি অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে এবং অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে খুব ভালো লাগে।এজন্যই সব সময় অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি এবং তাদের সহযোগিতায় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখি।আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে স্টিমিটে যুক্ত হই।আমার বাংলা ব্লগে শুরু থেকে আছি এবং এখন পর্যন্ত আমার বাংলা ব্লগেই ব্লগিং করে যাচ্ছি।
Every part of this photograph is so beautiful that it cannot be explained. Thanks for sharing this wonderful photograph.