রেসিপি পোস্ট ||| মজাদার বেসনের ঝাল চানাচুর।
হ্যালো বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন? আশা করছি সবাই পরিবারকে নিয়ে সুস্থ সুন্দরভাবে দিন যাপন করছেন।
আমি আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় ভালো আছি।
বরাবরের মতো আবারো হাজির হলাম আপনাদের মাঝে নতুন আরেকটি ব্লগ নিয়ে। আমি আজ আপনাদের মাঝে হাজির হয়েছি রেসিপি পোষ্ট নিয়ে। রান্না অথবা যে কোন জিনিসই তৈরি করি না কেন নতুন রূপ দিলে নিজের ধারণা থেকে কোন জিনিস তৈরি করার পর যদি সেটার প্রশংসা পাওয়া যায় সেই ক্ষেত্রে ভালো লাগা কাজ করে। রেসিপি অথবা সেই তৈরি করার জিনিসটির প্রতি আগ্রহ আরো দ্বিগুণ বেড়ে যায়। নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করে পরিবারের সকল সদস্যদের আনন্দ দিতে পারলে অনেক বেশি ভালো লাগে । তাইতো চেষ্টা থাকে সবসময় কিভাবে নতুন ও ইউনিক একটি রেসিপি করা যায়। বাসায় বেশ কিছু বেসন ছিল সেই বেসনগুলো দিয়ে কি রেসিপি করা যায় ভাবলাম বেসন দিয়ে বোনদা বেগুনি বিভিন্ন ধরনের পাকোড়া তৈরি করা হয় কিন্তু আমি একটু ব্যতিক্রম করার চেষ্টা করি। যেই ভাবনা সেই কাজ চলে গেলাম রান্না ঘরে । নিজের মন মত করার চেষ্টা করলাম। নতুন কোন রেসিপি তৈরি করা যায় কিনা। যদিও অনেক বুদ্ধি মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। তারপর সিদ্ধান্ত নিলাম অল্প সময়ে ঝটপট মজাদার কি রেসিপি তৈরি করা যায়। তাইতো বেসনের মুচমুচে ঝাল চানাচুর নিয়ে হাজির হলাম আপনাদের মাঝে । চলুন আর কথা না বাড়িয়ে বেসনের ঝাল চানাচুর রেসিপিটি কিভাবে তৈরি করেছি দেখে নেওয়া যাক।
উপকরণসমূহঃ-
১।বেসন।
২।মরিচের গুঁড়ো।
৩।হলুদের গুঁড়ো।
৪।জিরা গুঁড়ো।
৫।রসুন পেস্ট।
৬।রাধুনী মসলা।
৭।লবণ।
৮।সয়াবিন তৈল ।
৯।বোতল।
১০।চালের গুঁড়ো।
প্রথমে বেসন সুন্দর করে হাত দিয়ে মেখে নিয়েছি।
এবার ব্যাসনে সকল মসলার উপকরণ দিয়ে মেখে নিয়েছি ।
সামান্য পরিমাণ চালের গুঁড়ো দিয়ে আবারো বেসনটিতে সুন্দর করে মেখে নিয়েছি।
এবার একটি বোতলের মুখ লোহা দিয়ে ছিদ্র করে নিয়েছি।
এবার মসলা মাখানো ব্যাসনগুলো একটি বোতলে উঠিয়ে নিয়েছি।
কড়াইয়ে তেল গরম করে নিয়ে সেই বোতল টিকে চাপ প্রয়োগ করে বেসন গুলো ছোট ছোট আকৃতি বের হয়ে তেলের ভিতরে মুচমুচে করে ভেজে নিয়েছি।
হালকা আচে এক সাইড ভেজে অন্য সাইডে মুচ মুচো করে ভেজে নিয়েছি।ডুবতেল থেকে তেল গুলো সুন্দর করে ঝরিয়ে একটি বাটিতে উঠিয়ে নিয়েছি।আর এভাবে হয়ে গেল আমার "মজাদার বেসনের ঝাল চানাচুর"। এবার "মজাদার বেসনের ঝাল চানাচুর" রেসিপির একটি ফটোগ্রাফি আপনাদের মাঝে তুলে ধরলা
আমার পরিচয়।
আমি মোছাঃ সায়মা আক্তার।আমি একজন ব্লগার, উদ্যোক্তা।কবিতা লিখতে, নতুন কোনো রেসিপি তৈরি করতে এবং নতুন নতুন ডিজাইন সৃষ্টি করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।আমি উদ্যোক্তা জীবনে সব সময় গ্রামের অবহেলিত মহিলাদের নিয়ে কাজ করি।আর এই অবহেলিত মহিলাদের কাজ নিয়ে দেশের স্বনামধন্য কিছু প্রতিষ্ঠানে প্রোভাইড করি এবং দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে বিদেশেও রপ্তানি করছি।আর এসব কিছুর পিছনে আমার এই অবহেলিত মহিলাদের উৎসহ এবং উদ্দীপনায় সম্ভব হয়েছে।তাই সব সময় আমি অবহেলিত মানুষের পাশে থাকতে এবং অবহেলিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে খুব ভালো লাগে।এজন্যই সব সময় অবহেলিত মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করি এবং তাদের সহযোগিতায় নিজেকে সব সময় সম্পৃক্ত রাখি।আমি ২০২১ সালের আগস্ট মাসে স্টিমিটে যুক্ত হই।আমার বাংলা ব্লগে শুরু থেকে আছি এবং এখন পর্যন্ত আমার বাংলা ব্লগেই ব্লগিং করে যাচ্ছি।
চমৎকার একটি রেসিপি তৈরি করেছেন তবু। বাসায় এরকম ঝাল চানাচুর তৈরি করার রেসিপি এর আগে আমার জানা ছিল না। রেসিপিটি দেখে বেশ ভালো লাগলো। ইচ্ছে করলেই চানাচুর বানিয়ে খাওয়া যাবে। চমৎকার রেসিপিটি শেয়ার করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপু।
আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু।
https://x.com/mst_akter31610/status/1925035714032632236?t=STD8VDl5cPYttf7Z1YwDbA&s=19
https://x.com/mst_akter31610/status/1925036886231548135?t=Bl-g8jySVOC3BjEclenYKw&s=19
বেসনের খুব সুন্দর ঝাল চানাচুর তৈরি করলেন আপনি। দেখে তো অনেক অবাক হলাম। খুব সুন্দর করে তৈরি করেছেন। খেতে মনে হয় ভীষণ কুড়মুড়ে মজা হয়েছে। আমিও ঝাল খেতে বেশ পছন্দ করি। চানাচুর আমার অনেক পছন্দের। আজকে আপনি এত সুন্দর করে রেসিপি তৈরি করলেন দেখে লোভ লাগলো।
আমার এই রেসিপিটি আপনার পছন্দের শুনে ভালো লাগলো ভাই।
সন্ধ্যা বেলা চায়ের সাথে এমন মুখরোচক বেসনের ঝাল চানাচুর খেতে কিন্তু অনেক ভালো লাগে। আপনি অনেক সুন্দর ভাবে সুস্বাদু চানাচুর তৈরি করেছেন। ধন্যবাদ এত সুন্দর একটি রেসিপি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য।
চানাচুর টা অনেক সুস্বাদু এবং মজাদার ছিল দাদা।
রেসিপিটি দেখেই জিহ্বায় পানি চলে এসেছে! বেসনের চানাচুরের এই ভ্যারিয়েশনটা খুবই ইউনিক, বিশেষ করে ঝালের কম্বিনেশনটা নিশ্চয়ই স্বাদ বাড়িয়ে দেবে। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
ওয়াও অসাধারন আপনি তো বেসন দিয়ে মজার ঝাল চানাচুর করেছেন। আপনার ভিন্নরকম মজার রেসিপি দেখে সত্যি আমার খেতে মন চাইলো। আর হাতের বানানো এই সব জিনিসগুলো বানিয়ে ফেলে স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হয়। মজার বেসন দিয়ে বানানো ঝাল চানাচুর রেসিপি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
মন্তব্য করে পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ আপু।
এত সুস্বাদু রেসিপি আগে কখনো দেখা হয়নি। আপনার কাছ থেকে প্রথম এত সুস্বাদু একটি রেসিপি দেখতে পেলাম৷ যেভাবে আপনি এই বেসনের ঝাল চানাচুর রেসিপি তৈরি করে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন এটি দেখে এখনি খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করছে৷ একই সাথে রেসিপি তৈরি করার ধাপগুলো খুবই সুন্দরভাবে শেয়ার করেছেন৷ অনেক ধন্যবাদ আপনাকে৷
সুন্দর মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।