'কফি হাউজে আড্ডা'

in আমার বাংলা ব্লগlast year

হ্যালো বন্ধুরা,

আপনারা সবাই কেমন আছেন? আশা করি, আপনারা সবাই ভাল আছেন সুস্থ আছেন। আজ আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আশা করি, আপনাদের সবার ভালো লাগবে। তাই বিলম্ব না করে আমার পোস্ট লেখাটা শুরু করছি।



কফি হাউজ বলতেই মান্না দে কফি হাউজের এই গানটি মনে পড়ে যায়। সারাটা সপ্তাহ কাজ করার পর সবাই মিলে কফি হাউজে এসে সবার সাথে আড্ডা দেওয়ার মজাটাই আলাদা। যাইহোক, অনেকদিন পর পরিবারের সবাই মিলে আমরা গিয়েছিলাম কফি হাউজে একটু সময় কাটাতে। বাড়ি থেকে কফি হাউজের দূরত্বটা পাত্র ৪৫ মিনিট। পরিবারের সবাই গাড়িতে করে গিয়েছিল কিন্তু আমি আর দাদা গেছিলাম বাইকে করে। বাইকে যাওয়ার মজাটাই কিন্তু আলাদা তাই আমরা ডিসিশন নেই আমরা বাইকে যাব। আর সন্ধ্যার সময় কলকাতা শহরের রাস্তাগুলো আলোক সজ্জায় ফুটে ওঠে। এটি একমাত্র উপভোগ করা যায় বাইকে গেলে। আমরা দুজনে সন্ধ্যার এই সময়টা উপভোগ করতে করতে পৌছে গেলাম কফি হাউজে। আমাদের আগে দাদারা পৌঁছে গিয়েছিল কারোনটা হল আমরা মাঝে মধ্যে রাস্তার মাঝে দাঁড়িয়ে নিজেদের কিছু ফটোগ্রাফি করছিলাম।


কফি হাউসে যেতেই দেখলাম এখানে অনেক লোকের ভিড় জমেছে।কফি হাউজ মানেই একটা আলাদা স্মৃতি আলাদা অনুভব।আমরা বাইরে একটু অপেক্ষা করার পর কফি হাউজের ভিতরে প্রবেশ করলাম। কফি হাউজের ভিতরে প্রবেশ করতেই কিন্তু পুরাতন দিনের ছুয়া পেলাম পুরাতন দিনের গান খুব ভালো লাগছিল। কফি হাউজে এখন কিন্তু শুধু কফি পাওয়া যায় না এখানে কিন্তু সব ধরনের খাবার পাওয়া যায়। তাই আমরা এখানে কিছু খাবার অর্ডার করলাম। সবাই কিন্তু যার যার পছন্দের খাবার গুলো অর্ডার করল। যেহেতু অনেক খাবারের অর্ডার ছিল তাই একটু সময় লেগেছিল। কিন্তু আমরা বোরিং হলাম না কারণ আমরা এখানে এসেছিলাম আড্ডা দিতে তাই সবাই সবার সঙ্গে গল্পে মাঝে ছিলাম। গল্প করতে করতে এক এক করে আমাদের খাবার গুলো আসতে শুরু করলো। আমি আবার পছন্দের খাবার গুলো পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া শুরু করে দিলাম কারণ আমি আবার খাবার সামনে রেখে আড্ডা দিতে পছন্দ করি না🙂🙂🙂।
IMG20250607190939.jpg

IMG20250615211037.jpg

IMG20250607195447.jpg

IMG20250607200126.jpg

IMG20250607201808.jpg

IMG20250607191019.jpg

IMG20250607203156.jpg

ক্যামেরার পরিচিতিoppo
ক্যামেরা মডেলoppo A53s 5G
ক্যামেরা দৈর্ঘ্য3.37mm
তারিখ০৭.০৬.২০২৫
সময়০৮.৪৫মিনিট
স্থানকলকাতা



খাওয়া দাওয়া শেষ করে তারপর খেলাম কফি। কফিতে চুমুক দিতেই মনটা ভরে গেল কারণ বাইরে অনেক বড় বড় রেস্টুরেন্টে আমি কফি খেয়েছি কিন্তু কফি হাউজের কফির স্বাদ কোথাও পাওয়া যাবে না। কফি হাউজের থেকে আর উন্নত মানের বাইরে কফি হাউজ তৈরি হলেও কফি হাউসের বসে কফি খাওয়ার মজাটা আলাদা যা অন্য কোন কফি হাউজে পাওয়া সম্ভব নয়। তার জন্য হয়তো এই কফি হাউজকে নিয়ে এত লেখালেখি এত গান। আপনারাও ঘুরে আসুন পরিবারের সবাইকে নিয়ে কফি হাউস থেকে দেখবেন আপনার মনটা ভালো হয়ে গিয়েছে।

আজ এখানে শেষ করছি সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন সৃষ্টিকর্তার কাছে এটাই প্রার্থনা করি।

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.082
BTC 60783.65
ETH 1557.84
USDT 1.00
SBD 0.47