শীতের তীব্রতায় উষ্ণতার আড্ডা ( প্রথম অংশ) :
আজ আলোচনার বিষয় বস্তু হলো বন্ধু।বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়ার কিছু স্মৃতি তুলে ধরব আপনাদের সাথে। বন্ধুদের সাথে এবারের আড্ডাটা অনেক মজার ছিল,আমি দুটি পর্বে এটা আপনাদের সামনে তুলে ধরব।আজ থাকছে প্রথম অংশ।
অনেক দিন যাবত বন্ধুদের সাথে দেখা করতে পারিনা।জীবনের সুর ও তাল দুটোই কেটে গেছে মনে হয় আজকাল।তবে মনে প্রানে চায় এই সুর ও তাল যেন কেটে না যায়।যেহেতু আলাদা করে সময় দেয়া কঠিন হয়ে গেছে আজকাল।অফিসের চাপ আবার অন্যদিকে নানা ক্রাইসিসে জীবন ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছিল গত কয়েকমাস ধরে।তাই চেয়েছিলাম এসব থেকে কিছু সময়ের জন্য হলেও দূরে থাকতে।তাই আমার অন্য দুজন বন্ধু কে জানিয়ে রেখেছিলাম শনিবার অবশ্যই আমরা কোথাও দেখা করব।হঠাৎ করে শুক্রবার বিকালে মনে হলো আমরা খুব ভোরে কোথাও বের হবো একসাথে।
প্লান টা আমিই করলাম,যদিও আমার শরীর টা ঠান্ডাজনিত কারনে ভালো যাচ্ছে না তবুও রিস্ক টা নিয়ে নিলাম।অন্য দুজন বন্ধুকে জানালে তারাও রাজি হলো।এরপর শনিবার খুব সকালে ঘুম থেকে উঠলাম।খুব সকাল বলতে ৬:০০ টা! এদিন খুব শীত পড়েছে,যেটা ঘরের ভিতর থেকে বেরিয়ে বেশি বুঝতে পেরেছি।ঘুম থেকে উঠে বন্ধুদের ফোন করলাম,কিন্তু কেউই ফোন ধরলো না।ভাবলাম ওরা হয়তো উঠতে পারেনি।কিন্তু কয়েক মিনিট পরই দুজনেই ফোন দিল এবং কনফার্ম করল বাসা থেকে বের হচ্ছে তারা।
আমিও তখন দ্রুত রেডি হয়ে বের হলাম।বাসা থেকে যখন বের হই তখন ৬:২৮ বাজে।বাইরে তখনও পরিস্কার হয়নি।খুব শীত লাগছিল,আর ভয় লাগছিল আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ার।যাইহোক আমি প্রথমে রয়েল মোড়ে গিয়ে দাড়ালাম, সেখানে আমার একজন বন্ধু এলো।এরপর আমরা একটা অটোতে করে গল্লমারি মোড়ে চলে যায়,সেখানে আমার বন্ধু আপন অপেক্ষা করছিল।ও তো রেগে খুন,কেন আমরা লেট করলাম।ওর প্লান ছিল ৬:৩০ এর ভিতর আমরা শহর থেকে বেরিয়ে যাব!
আমরা আরেকটা অটো ধরে চলে গেলাম খুলনা- সাতক্ষীরা বাইপাসে।এমনিতেই শীত,তার উপর অটো চলা শুরু করলে সেটা কয়েকগুন বেড়ে গেল।তারপর আমরা মেতে উঠলাম বিভিন্ন গল্পে।প্রথমে গল্প গুলো ক্যারিয়ার কেন্দ্রিক হলেও তা আমরা পরিবর্তন করে ফেললাম।এরপর আমরা কৈয়া বাজারের দিকে যেতে থাকলাম।কৈয়া বাজারে গিয়ে থামলাম আমরা।সেখানে বেশ কিছু সময় দাড়িয়ে গল্প করলাম।আমাদের মাথায় তখন আসল খেজুরের রস খাওয়া।কোথায় পাওয়া যায় সেটা স্হানীয় ভ্যান চালকদের কাছে শুনলাম।
এক ভ্যানওয়ালা ভাই আমাদের ভালভাবে গ্রহণ করল,আমরা তাকেই আমাদের যাত্রাসঙ্গী করলাম।কৈয়া বাজারের এদিকটায় আগে প্রায়ই আাসা হতো যখন ইউনিভার্সিটিতে পড়তাম।এরপর আরও কয়েকবার এলেও এখন আসা হয়না বললেই চলে।আমরা আগে যেদিকে আসতাম ভ্যানওয়ালা ভাইও সেদিকেই যেতে চাইল।আমরা আর না করলাম না কারন খেজুরের রসের ওছিলায় পুরাতন প্রিয় জায়গায় না হয় আবারও ঘুরে এলাম।কিছু দূর যেতেই দেখলাম রাস্তার পাশে বেশ কিছু খেজুর গাছ।আমরা সেখানে নেমে গেলাম।রাস্তার পাশেই বাড়ি,সেখানে রস নামিয়ে রাখছে। আমরা রসওয়ালার থেকে ১ ঠিলা তথা ৫লিটার রস কিনলাম।যদিও প্রথমে তিন গ্লাস ফ্রিতে খেয়ে নিয়েছি।তারপর সেই রসের পাত্র তার কাছে রেখে নদীর সেই দিকটায় গেলাম যেখানে আমাদের অনেক স্মৃতি রয়েছে।
বন্ধুরা আজ এ পর্যন্ত, আগামীকাল কাল আমার গল্পের বাকি অংশ আপনাদের সামনে তুলে ধরব।
| Device Name: | One Plus |
|---|---|
| Camera: | 48 Megapixel |
| Shot by: | saha10 |
| location: | Bangladesh🇧🇩 |
Your post has been successfully curated by @kouba01 at 35%.
Thanks for setting your post to 25% for @null.
We invite you to continue publishing quality content. In this way you could have the option of being selected in the weekly Top of our curation team.
গত ২-৩ দিন ধরে বাড়িতে যখনি ফোন করি তখনই শুধু বলে যে প্রচন্ড ঠান্ডা কোন প্রকার সূর্য উঠছে না তবে আপনার লেখা পড়ে আরো ক্লিয়ার বুঝতে পারলাম যে বাংলাদেশের এখন কত পরিমান ঠান্ডা চলছে।
যতই ঠান্ডা পড়ুক না কেন শীতের সকালে খেজুরের রস খাওয়ার মজাই আলাদা তবে আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে মুড়ি দিয়ে খেজুরের রস খাওয়া।
ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ শীতের অনুভূতি আমাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য।
হ্যাঁ ভাই, বাংলাদেশে এখন ভয়ানক ঠান্ডা পড়েছে। এতটাই ঠান্ডা যে অন্য যেকোনো সময়কে পিছনে ফেলবে।
তবে এই শীতে খেজুরের রস অন্য রকম ভালো লাগা তৈরি করে।আর সেটাই উপভোগ করার চেষ্টা করেছি মাত্র।
ভালো থাকুন।
ভাই খেজুরের রস অনেকদিন খাওয়া হয় নাই যদি কিছু পাঠিয়ে দিতে পারতেন তাহলে আরো বেশি ভালো হতো। শীতকালে যতই ঠান্ডা হোক না কেন সকালে এক গ্লাস খেজুরের রস খেলে যেন কোনরকম তৃপ্তি পাওয়া যায় এটা একদম বাস্তব কথা।
ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ কমেন্টে রিপ্লাই দেওয়ার জন্য।
শীতে খেজুরের রসের তুলনা নাই।জিরেন কাঠ বলে যেটাকে,সেই কাটের রস একদম গাড় লালচে হয়।খেতেও অসাধারণ লাগে,তবে এখন বিভিন্ন প্রকার রোগে আক্রান্ত হয় কাঁচা রস খেলে।তাই ভয়ও হয় এটা খেতে গেলে।
ভালো থাকুন।
জী ভাই সঠিক কথা বলছেন আপনি কাঁচা রস খেলে নাকি নতুন ভাইরাসের আক্রমণের সংক্রম বেশি। খুবই ভালো একটা সতর্কবাণী কথা বলছেন। ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়ার জন্য আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা রইল ভালো থাকবেন।
শীতের সকালে বিছানার মায়া ছেড়ে ঘুম থেকে উঠাটা বেশ কঠিন কাজ।তারপরেও আপনি কাজটা করেছেন বন্ধুদের সাথে কিছুটা সময় কাটাতে।
রসের হাড়ি দেখে লোভ লাগছে । এখনতো রস কোথাও পাওয়াই যায় না।আমাদের নিজেদেরই গাছ আছে কিন্তু কাটার মানু্ষ নেই।
আমি অনেক অনেক বচ্ছর আগে খুলনা গিয়েছিলাম।তখন ভ্যানে করে ঘুরে বেরিয়েছিলাম। আপনার লেখা পড়ে সেই কথা মনে পরে গেল।
ভালো লাগলো আপনার লেখা পড়ে।
শুভকামনা রইলো আপনার জন্য।
শীতের সকালে বিছানা ছাড়াটা আসলেই চ্যালেঞ্জিং ছিল।তবে এটা আমাকে পারতেই হতো,আর সেটা পেরেছিও।প্রথম কিছু সময় খারাপ লাগলেও পরের সময়টা ছিল দুর্দান্ত।
আমাদের ও অনেক খেজুর গাছ আছে।এখন গাছ কাটার লোক আসলেই পাওয়া যায়না।যারা নিজেরা কাটতে পারে তারাই এখন খেজুরের রস খেতে পারে এমনটা হয়েছে।
ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন।
ভাই শীতের সকালে খেজুরের রস খাওয়ার মতো মজা হয়তো আর হয় না। এসময়টায় খেজুর রস যেন অমৃত। আপনি বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়ার বিভিন্ন মহূর্ত আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। সত্যি বলতে ভাই আমাদের জীবন এখন যান্ত্রের মতো হয়ে গেছে। চলছি তো চলছি। যখন অতিষ্ঠ হয়ে পরি তখন একটু বিনোদন হিসেবে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বেরুনোর মতো আনন্দ হয়তো আর নেই।
যাইহোক আপনি ঘুরতে যাওয়ার এবং বিভিন্ন লোকেশনের ফটো আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। আপনার গল্পের পরবর্তী অংশের অপেক্ষায় রইলাম। ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ ভাই পোস্টটি পড়ার জন্য। আসলেই আমাদের জীবন এখন যান্ত্রিক হয়ে গেছে।তবে আমাদের উচিৎ এই যান্ত্রিকতার ভিতর থেকে বেরিয়ে মাঝে মাঝে এরকম রিফ্রেশমেন্ট ট্রিপে যাওয়া।
ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন।
আসলে শীতের সকালে খেজুরের রস এরকম তাজা পাওয়া খুব কষ্ট কর। আমাদের এখানে তো গাছ দেখা যায় না। শীতের সময় খুব কম পাওয়া যায়। আপনাদের ওখানে তো দেখলাম একেবারেই তর তাজা খেজুরের রস। যেটা দেখে অনেক বেশি ভালো লাগলো।
আপনার ঠাণ্ডা জনিত সমস্যা থাকার পরেও আপনি এই রিক্স নিয়েছেন। আসলে জীবনে কিছু কিছু ক্ষেত্রে রিক্স নেয়া খুবই প্রয়োজন। সেই সাথে ঠান্ডার উষ্ণতা অনুভব আপনি খুব কাছ থেকে অনুভব করেছেন। ধন্যবাদ আপনাকে আপনার একটা দিনের কার্যক্রম উপস্থাপন করার জন্য ভালো থাকবেন।
ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টটি পড়ে এতো সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। আপনি সঠিক বলেছেন, এখন খেজুরের রস খুব কম পাওয়া যায়।আমাদের একসময় নিজেদের গাছ কাটতো।তারা বাড়িতে রস দিয়ে যেত।এখন এরকম লোকজন পাওয়া যায়না
যেটুকু যা পাওয়া যায় তাতে ভেজালের আশঙ্কা বেশি থাকে।
ভালো থাকুন।
ভাই আপনি প্রথমে যে ছবিটা দিয়েছেন ওটা তো মনে হচ্ছে খুলনা রয়েলের মোড়। যাই হোক আপনি তো আমার বাসার পাশ দিয়ে গেছেন।
অনেকদিন পর বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বেরিয়েছেন, মজা করেছেন জেনে ভালো লাগলো। আসলে কাজের মধ্যে থাকলে অনেকসময় বন্ধুদের সময় দেওয়া হয় না তাই কাজের ফাকে সবার সাথে একটু আড্ডা দেওয়া উচিত।। ভালো লাগলো আপনার পোস্টটি পড়ে। ধন্যবাদ আপনাকে।।
হ্যাঁ ভাই এটা খুলনা রয়েল মোড়।বন্ধুদের সাথে কাটানো সময়টা সব সময়ই উপভোগ্য।কাজের ফাকে ফাকে এমন আড্ডা আমাদের প্রানবন্ত করে তোলে।
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।
ভালো থাকবেন।
হ্যা, দেখেই বুঝতে পেরেছি এটা রয়েলের মোড়।।অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে আমার মতামতের উওর দেওয়ার জন্য।ভালো থাকবেন।।
ব্যস্ততার মধ্যেও সময় বের করেছেন বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়ার জন্য এটা শুনে অনেক বেশ ভালোবাসি।।
সকালে বন্ধুদের ফোন করেছেন কিন্তু রিসিভ না করে হয়তো মনে হচ্ছিল তারা এখান থেকে ওঠেনি কিন্তু ঠিকই তারা একটু পরে ফোন করে আর অবশেষে ঘুরতে যান।। সর্ব প্রথম আপনারা খেজুরের রস খেয়েছেন দেখে বেশ ভালো লাগলো।। এছাড়াও বন্ধুদের সাথে বেশ কিছু জায়গায় ঘুরেছেন।।
আর আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে কাটানোর মুহূর্ত দুটি পোষ্টের মাঝে ভাগ করবেন তাই আপনার পরবর্তী পোস্ট পরার অপেক্ষায় রইলাম।।
ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সুন্দর মন্তব্যর জন্য। আসলে ব্যস্ত ্তার ভিতর দিয়ে গেলেও এধরনের সময় ব্যয় আমাদের একটু প্রানবন্ত করে তোলে।তাই এধরনের সময় সবার কাটানো উচিৎ। সব সময় সুযোগ হবে না,তবে সুযোগ পেলে অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে।
আর আপনি আরও ব্যস্ত মানুষ তাই সময় হয় না বললেই চলে।। আর যখন সময় পাবেন তখনই বন্ধুদের সাথে একটু সময় পার করবেন এতে করে অনেক বেশি ভালো লাগবে বলে আমি মনে করি।।
ভাই আপনার পোস্ট এর ভিতরে রসের হাঁড়ি দেখে আমার এতো পরিমাণে হচ্ছে করছে খেতে যা বলার বাহিরে।আমি এই বছর ২ বার মাএ রস খেয়েছি তাও একবার বন্ধুদের সাথে চুরি করে। আমাদের সাথে এতো সুন্দর একটি দিনের কার্যক্রম গুলো ভাগ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
যদিও টিভিতে বার বার বলা হচ্ছে কাচা খেজুরের রস না খাওয়ার জন্য তবে এমন টাটকা রস দেখলে কেউ ই নিজেকে সামলাতে পারবেনা। খুব ভালো লাগলো আপনার ছবি গুলো দেখে।