আমার আঁকা কিছু ডিজিটাল অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট - পর্ব ১২
রোদ্দুর পড়ে এলে কখনো কি ফুলের বাগানে ঘুরতে গিয়েছেন ? না গেলে বুঝতে পারবেন না যে কি এক অসাধারণ সৌন্দর্য অবলোকন থেকে আপনি বঞ্চিত হয়ে আছেন । নানান রঙের ফুলের ওপর যখন ফিকে কমলা রঙের মরা রোদ্দুর পড়ে তখন এক অপরূপ বর্ণচ্ছটায় চারিদিকের প্রকৃতি যেনো ঝলসে ওঠে । আর যেখানটায় বিদায়ী সূর্যের রশ্মি পৌঁছতে পারে না সেখানটাতে এক অপূর্ব আলো আঁধারির ছায়া ছায়া পরিবেশের সৃষ্টি হয় । প্রজাপতি, ফড়িং আর নাম না জানা কত পোকা মাকড় ওড়া উড়ি, ছোটাছুটি করে বেড়ায় । মরা রোদ্দুরের সোঁদা গন্ধের সাথে অসংখ্য ফুলের মনকাড়া মিঠে গন্ধ মিশে এক অনির্বচনীয় রূপকথার রাজ্য সৃষ্টি করে ।
deep blue sea,
where the water turns
into various colors with
the reflection of sunrise and sunset.
সূর্যাস্ত আর সূর্যোদয়ের সময় গভীর সমুদ্রের জল নানান রঙ ধারণ করে । সূর্যোদয়ের সময় প্রথমে নিকষ কালো আঁধারে গড়া সমুদ্রের জলে ছোঁয়াচ লাগে সূর্য রশ্মির । ধীরে ধীরে জলের রং কালো থেকে গাঢ় লাল বর্ণ ধারণ করে । এরপরে ডিমের কুসুমের মতো হয় তার রং । বেলা বাড়ার সাথে সাথে সেটা গলিত স্বর্ণের মতো রং ধারণ করে । এরপরে ধীরে ধীরে গাঢ় নীল বর্ণ ধারণ করে, সূর্য তখন মাঝ গগনে । আবার যখন বিদায়ী সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়ে তখন নীল জলরাশি ধীরে ধীরে কমলা রঙে রূপান্তরিত হয় । যত বেলা গড়ায় তত জলের রং কমলা থেকে গাঢ় লালের দিকে গড়ায় । সব শেষে সন্ধ্যের প্রাক্কালে সমুদ্রের জলের রং ধীরে ধীরে নিকষ কালো আঁধারে পরিণত হওয়া শুরু করে ।
নরকাগ্নি । সহস্র অনাদিকাল থেকে দীপ্ত হুতাশন জ্বলছে সেথায় । নরকের আগুন ধিকি ধিকি জ্বলে, অনন্তকাল ধরে । এ আগুন কখনোই নিভে না । মানুষের অন্তরে যতদিন ক্রোধ, হিংসা, লোভ, প্রতিহিংসা আর হননেচ্ছা দীপ্তমান ততদিন এ আগুন নিভবে না ।
তেপান্তরের ধু ধু মাঠের মধ্যিখানে নিঃসঙ্গ এক গাছ দাঁড়িয়ে । দারুন গ্রীষ্মের তাপদাহে তার সর্বাঙ্গ জ্বলে ছারখার হয় । কিন্তু, কোনো সঙ্গী গাছের সাথে সেই দুঃখ ভাগ করে সে নিতে পারে না । শ্রাবণ মাসের অবিরল ধারায় যখন খুশিতে তার পাতাগুলো জলসিক্ত হয়ে কাঁপতে থাকে তখনও কোনো সঙ্গী গাছের সাথে সেই সুখ সে ভাগ করে নিতে পারে না । আবার দারুন শীতে যখন তার সব পাতা ঝরে আরো নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে তখন তার সেই দুঃখের দিনেও কাউকে পাশে পায় না । আর শীত শেষে যখন বসন্ত আসে, নতুন পাতা গজায়, দখিনা হাওয়া বয় তখন সে আরো নিঃসঙ্গ বোধ করে নিজেকে । নিঃসঙ্গতা জীবনের সব চাইতে বড় অভিশাপ ।
------- ধন্যবাদ -------
পরিশিষ্ট
আজকের টার্গেট : ৫৫৫ ট্রন জমানো (Today's target : To collect 555 trx)
তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৩
টাস্ক ৪০৭ : ৫৫৫ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron
আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx
৫৫৫ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :
TX ID : 7026887b70d0da181701e813df92b220169125c5d7c706356accf1874824ee26
টাস্ক ৪০৭ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি
Account QR Code
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আপনি আজকে আবারো আঁকা কিছু ডিজিটাল অ্যাবস্ট্রাক্ট শেয়ার করলেন। এর আগেও আপনার অনেক গুলো পর্ব দেখেছিলাম ডিজিটাল অ্যাবস্ট্রাক্টের। এক একটি আর্টের মধ্যে এক এক ধরনের গল্প লুকিয়ে আছে। যা আপনি আর্টের সাথে বিস্তারিত শেয়ার করলেন। প্রতিটি ডিজিটাল অ্যাবস্ট্রাক্ট অসাধারণ ছিল।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট অসাধারণ হয়েছে দাদা। আধুনিক শিল্পের এ এক অনন্য সংযোজন। আপনার আর্ট আর বর্ননা অন্য জগতে বিচরণ করার মত।আপনার অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্টের রংয়ের কা্রুকাজ মোহবিষ্ট করে। অসাধারণ আর্ট গুলো আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন সবসময়। শুভ কামনা আপনার জন্য।
দাদা বরাবরের মতো আজকে শেয়ার করা অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্টগুলোও অসাধারণ লেগেছে।আপনার সুন্দর বর্ননায় খুব চমৎকার ভাবে ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ দাদা প্রতিনিয়ত সুন্দর সুন্দর আর্টগুলো আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য। ভালো থাকবেন সব সময়।
ফুলের সেই অবলোকন থেকে আমি নিজেই বঞ্চিত হলাম। সেই সুন্দর দৃশ্য দেখার মত ভাগ্য আমার কপালে ছিল না। হয়তোবা ভবিষ্যতে। তবে আপনার আর্ট এর মাধ্যমে দেখার সৌভাগ্য হল। সবগুলো আর্ট এর বৈশিষ্ট্য আলাদা আলাদা।
দাদা বরাবরের মতো আজকেও চমৎকার কিছু অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট শেয়ার করেছেন আমাদের সাথে। রোদ্দুর পড়ে যাওয়ার পর ফুলের বাগানে ঘুরতে যাওয়া হয়নি, তবে পার্কে কিছু ফুল দেখেছিলাম।৷ তাই সেই সৌন্দর্যটা কেমন হয়, সেটা ধারণা করতে পারছি না দাদা। তবে আপনার আর্টের মাধ্যমে কিছুটা ধারণা পেলাম। নিঃসঙ্গ গাছের আর্টটি সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে। যাইহোক এতো সুন্দর সুন্দর অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।
রৌদ্দুর পড়ার পরে ফুলের বাগান ঘুরেছি আমি দাদা। সেজন্য ওটার যে অসাধারণ উজ্বল্য এবং সৌন্দর্য আছে সেটা আমি বেশ ভালোভাবে জানি এবং দেখেছি। সূর্যদ্বয় এবং সূর্য অস্তের সময় যে অসাধারণ এক সাগরের নীল জলরাশি দেখা যায় সেটা আমার কখনো দেখা হয়নি। তেপান্তরের মাঠের মধ্যে একটা গাছ। চমৎকার দাদা। আপনার সবগুলো অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট বেশ দারুণ ছিল দাদা।
আমার তো মনে হয় গাছের একা থাকতে পারাটা যেন অদ্ভুত শক্তি। সে ধুঁ ধুঁ মাঠের মাঝে একা দাঁড়িয়ে আছে। নিজে নিঃসঙ্গ থেকে পথ চলতি মানুষকে সঙ্গ দিতে পারে। রোদের তাপ, ঝঞ্ঝা, কঠিন শীত সবই সহ্য করে, সব উপেক্ষা করে কত পশুপাখিকে ভালোবাসতে পারে।
এটাই নি:স্বার্থ ভালোবাসা যা গাছ পারে। তবে অন্যদিকে সে একা, আর একাকীত্ব হচ্ছে একটা বড় বিষন্নতার নাম।
তবুও গাছ নিশ্চল, সবাইকে তার সবটুকু দিয়ে চলেছে।
কিছু না পেয়েও নি:স্বার্থ দিয়ে যাওয়ার এই গুণটি আমাদের গাছ হতে নেয়া উচিৎ। গাছ দেখলেই আমার কেন জানি ভাল লাগে।
পড়ন্ত বিকেলের হালকা রোদে প্রকৃতির সৌন্দর্য যেমন বেড়ে যায় তেমনি ফুলগুলো দেখতে অনেক ভালো লাগে। আর সেই সময় ফুলের বাগানের সৌন্দর্য সত্যি অনেক বেড়ে যায় দাদা। ডিজিটাল অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট গুলো দারুন হয়েছে। আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে।
দাদা অসাধারন আপনার আজকের অ্যাবস্ট্রাক্ট আর্ট গুলো। প্রতিটি আর্ট যেনো এক একটি জীবন্ত ছবি। আপনার আর্টগুলো দেখতে অসাধারন লাগছে। আর আপনি কিন্তু আর্ট গুলোর সাথে বেশ সুন্দর সুন্দর কিছু কথা আমাদের সাথে শেয়ার করেছেন। যা থেকে আমরা অনেক কিছু জানতে পারলাম । ধন্যবাদ আপনাকে দাদা।