শারদীয়া দুর্গোৎসব ১৪২৯ : পূজা পরিক্রমা পর্ব ০১
দেখতে দেখতে আবার বছর ঘুরে পুজো এসে গেলো । বাঙালির প্রাণের পুজো । শারদীয়া দুর্গোৎসব । এটা এমনই একটি একমাত্র হিন্দুদের ধর্মীয় উৎসব যেখানে যে কোনো জাতি, ধর্ম বা বর্ণের লোক শামিল হতে পারে । এ জন্যই বলা হয়ে থাকে "জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে শুভ শারদীয় দুর্গোৎসবে আমন্ত্রণ" ।
ধর্মের ব্যাপারটা আসে পুজোতে জাস্ট । আপনি পুজোয় অংশ নিলে আপনার নিজ নিজ ধর্ম বা লোকাচারে হয়তো কোনো বাধার সৃষ্টি হতে পারে, এবং হওয়াটাই স্বাভাবিক যদি আপনি ভিন্ন জাতি বা ধর্মের মানুষ হয়ে থাকেন । কিন্তু, আপনি উৎসবে শামিল হলে ধর্মীয় ক্ষেত্রে কোনোরূপ প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হবে না ।
বাঙালিদের জীবনে শারদীয়া দুর্গোৎসব আর রমজানের ঈদ - এ দু'টো হলো সব চাইতে দুটি বড় উৎসব । আর এ দুটিতে ধর্মের অংশটুকু বাদ দিয়ে পারস্পরিক সৌহার্দ্র আর সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যায় জাস্ট উৎসবে শামিল হয়ে । যে কোনো ধরণের ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে আমি ।
আমি উদার মানসিকতা এবং মনুষ্যত্ব কে খুব বড় করে দেখি । এবারের শারদীয়া দুর্গোৎসবে হিন্দুদের পাশাপাশি প্রচুর মুসলিম, শিখ, জৈন, খ্রিষ্টান এবং বৌদ্ধদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো । দু'একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা যে ঘটেনি তেমন নয় । কিন্তু, সৌহার্দ্য আর সম্প্রীতির মেলবন্ধনের নজিরটাই ছিলো সর্বাধিক ।
স্টিমিট এর মতো এমন একটি ওপেন প্ল্যাটফর্মে ধারাবাহিক ভাবে আমার "পূজা পরিক্রমা" শেয়ার করতে চলেছি । আজকে প্রথম পর্ব প্রকাশ করলাম । আশা করছি আপনাদের ভালোই লাগবে ।
আমি কখনোই ভি আই পি পাস্ নিয়ে পুজো প্যান্ডেল পরিক্রমায় যাই না । সাধারণ জনগণের সাথে মিশে আনন্দ করে ভীড়ে ঠেলাঠেলি করে পুজো দেখতে সেই রকমের মজা উপভোগ করে থাকি । এ বছরেও তাই । তো চলুন দেখে নেওয়া যাক আজকের ফোটোগ্রাফি পোস্ট : শারদীয়া দুর্গোৎসব ১৪২৯ : পূজা পরিক্রমা পর্ব ০১ ।
পুজো প্যান্ডেলের আলোকসজ্জা
তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ২০ মিনিট
স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
পুজো প্যান্ডেলে স্বামী বিবেকানন্দের বিশাল একটি রথারোহনের মূর্তি
তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ৩০ মিনিট
স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
মূল পুজো প্যান্ডেল । রোমের ভ্যাটিকান সিটির আদলে নির্মিত ।
তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিট
স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
পুজো প্যান্ডেলের বহিঃপ্রাঙ্গনের আরও কয়েকটি শট ।
তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিট
স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
পুজো প্যান্ডেলের অভ্যন্তরে ।
তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ৪৫ মিনিট
স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
পুজো প্যান্ডেলের অভ্যন্তরে অবশেষে মূল দূর্গা প্রতিমার সাক্ষাৎলাভ । সিলিং থেকে দেয়ালের সর্বত্র অসংখ্য সুন্দর কারুকার্য খচিত ডিজাইন । দৃষ্টি নন্দন ।
তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২২
সময় : সন্ধ্যা ৬ টা ৫০ মিনিট
স্থান : কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত ।
ক্যামেরা পরিচিতি : OnePlus
ক্যামেরা মডেল : EB2101
ফোকাল লেংথ : ৫ মিমিঃ
পরিশিষ্ট
প্রতিদিন ৩৭৫ ট্রন করে জমানো এক সপ্তাহ ধরে - ২য় দিন (375 TRX daily for 7 consecutive days :: DAY 02)
সময়সীমা : ০২ অক্টোবর ২০২২ ২০২২ থেকে ০৮ অক্টোবর ২০২২ পর্যন্ত
তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২২
টাস্ক ৭৯ : ৩৭৫ ট্রন ডিপোজিট করা আমার একটি পার্সোনাল TRON HD WALLET এ যার নাম Tintin_tron
আমার ট্রন ওয়ালেট : TTXKunVJb12nkBRwPBq2PZ9787ikEQDQTx
৩৭৫ TRX ডিপোজিট হওয়ার ট্রানসাকশান আইডি :
TX ID : f0c975cc579171d613fd2a296faf86107fb10c4ae720c109caf2e6c2f1e21e39
টাস্ক ৭৯ কমপ্লিটেড সাকসেসফুলি
Account QR Code
VOTE @bangla.witness as witness
OR





















বাঙালির বড়ো উৎসব হচ্ছে দুর্গাপূজা ।যেখানে জাতি,ধর্ম ও বর্ন প্রধান বিষয় নয়, আনন্দটাই মুখ্য বিষয়।আর সম্মিলিত মানুষের উপস্থিতি পূজা আরো সুন্দর হয়ে উঠেছে এইজন্যই এটি সার্বজনীন।খুবই ভালো লাগলো শুনে,তাছাড়া মন্দিরটি অদ্ভুত সুন্দর ছিল এবং মায়ের মূর্তিগুলো ও।ধন্যবাদ দাদা।
বাঙালিদের জীবনে শারদীয়া দুর্গোৎসব আর রমজানের ঈদ - এ দু'টো হলো সব চাইতে দুটি বড় উৎসব ঠিক বলেছেন দাদা। শারদীয়া দুর্গোৎসব এর ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো। পুজো প্যান্ডেলে স্বামী বিবেকানন্দের বিশাল একটি রথারোহনের মূর্তিটি দেখতে অসাধারণ। দাদা আপনার পুরো পরিবারের জন্য শুভ কামনা রইলো। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন সবসময় এই কামনাই করি।
Hi @rme,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.
Come and visit Italy Community
আসলে দাদা আপনার কাছ থেকে অনেক কিছুর শেখার আছে।আমাদের মনে অল্পতেই হিংসা দানা বাধে কিংবা নিজেকে বড় কিছু ভাবার রেশ।যা আমি কখনোই আপনার মাঝে দেখতে পাইনি আজ পর্যন্ত।আসলে ধর্মীয় বিষয়ে কখনোই হস্তক্ষেপ করা যাবেনা এটা সব ধর্মেই দেওয়া আছে,তাও কেনো মানুষ জেনেও অন্যায় করে তা আমার মাথাতেই আসে না।আপনার আরো পোস্ট চাই দাদা ঘুরোঘুরির।
আর আমি ভাবছি এতো সুন্দর করে সাঁজানোর জন্যে কত বেশি খরচা করে!বাপরে বাপ।কারুকাজ গুলো একদম নিখুঁত।
The event you are referring to is very sacred and awaited by Hindus. In Bengal, there is no regard for race and religion, in fact the people are very tolerant. When Hindus worship, those who follow other religions will be tolerant and give generosity. Almost every country has a different ethnicity and religion, but it must be tolerant and not interfere with the worship of others. It's nice when I see people from different religions, but they participate in the event regardless of one's religion.
The celebration of the festival of Sharadiya Durgotsava 1429: Puja Parikrama, seems to be a sacred celebration full of religious values and open to anyone.
The festival is filled with religious values and traditions inherent in every Hindu. Philosophical values for the life of religious people and civilization in survival, the interaction of nature, humans and God.
From your story, at this festival I can understand that this is a festival that upholds the values of tolerance, upholds human values, where Muslims, Christians, Buddhists also witness this festival.
Thanks to the various documentations at the festival, I was able to do this celebration virtual travel.
A beautiful day...
হুবহু, রোমের ভ্যাটিকান সিটির মতো দেখতে লাগছে দাদা। মনে হচ্ছে কোন এক রাজপ্রাসাদ। তবে আপনি ঠিকই বলেছেন আমরা সকলেই এই শারদীয়া দুর্গোৎসব অংশগ্রহণ করতে পারি।
ঠিক বলেছেন দাদা সাধারন মানুষের সাথে এইসব উৎসব ভাগাভাগি করে নেওয়ার মজাই আলাদা। তাই তো আমিও প্রতিবার দেখতে যাই তবে এবার এলাকায় যাওয়া হলো না। কারন আমি ঢাকায় আছি তবে ঢাকায় অনেক জাঁকজমকভাবে এই উৎসবটি পালন পালিত হচ্ছে।
সবার আগে মানুষ সত্য তাহার উপরে কিছু নাই ।
নজর করা আলোকসজ্জা , অনেকটাই চোখ ধাঁধানো ।
উৎসব আমার, উৎসব আমাদের
ঘৃণা নয় , ভালোবাসো ।
শারদীয় শুভেচ্ছা রইল ভাই।
জি দাদা ঠিক বলেছেন সাধারণ মানুষদের সাথে মিশে যেকোনো আনন্দই একটু বেশি উপভোগ করা যায়। আমাদের এখানেও দুটো পুজোর মণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে। সেখানেও প্রচুর মানুষের আনাগোনা, জাতি-ধর্ম সবকিছু ভেদাভেদ না রেখে সবাই যেন আনন্দ করছে।
দাদা, ছোট থেকেই হিন্দু ধর্মের বন্ধুদের হাত ধরে পূজা মণ্ডপে যাওয়া, তাদের সাথে আনন্দ করা, এবং পুজোর নাড়ু খাওয়া অনেক স্মৃতি এখনো মনে আছে। আর এখন তো ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে এই পুজোর উৎসবে মন্ডপ দেখতে যাওয়া এবং মন্ডপের সামনে মেলায় জিনিস কেনা খুবই আনন্দের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন বুঝি এরকমই হয়। দাদা, আপনার পোষ্টে পুজো প্যান্ডেলে স্বামী বিবেকানন্দের বিশাল একটি রথারোহনের মূর্তি দেখে ভীষণ ভালো লাগলো। এবং সেই সাথে রোমের ভ্যাটিকান সিটির আদলে নির্মিত পুজো প্যান্ডেল দেখেতো রীতিমত চোখ জুড়িয়ে গেল। শারদীয় দুর্গা উৎসব ১৪২৯ পূজা পরিক্রমার পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রইলাম দাদা।