কিসের যে অহংকার!
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
আমাদের মানুষ জাতির মধ্যে অহংকার ব্যাপারটি অনেক বেশি বিদ্যমান। কোনো কিছু হোক না হোক, আমাদের কোনো কিছু থাকুক না থাকুক, কিংবা আমরা জীবনে কোনো কিছু অর্জন করতে পারি কিংবা না পারি—আমাদের মধ্যে এই দাম্ভিকতা কিংবা অহংকার ব্যাপারটি একেবারে ভরপুর পরিমাণে রয়েছে। আমরা নিজেরাও বুঝতে পারি না যে আমাদের আসলে কিসের এত অহংকার, আমাদের কিসের এত দাম্ভিকতা! কিন্তু তাও, আসলে আমরা একটা অহংকার নিয়েই বেঁচে থাকতে চাই এবং মানুষের সাথে সেই অহংকার দেখাতে চাই। সেই অহংকার প্রদর্শন করতেই আমাদের সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে।
অহংকার ব্যাপারটি আমাদেরকে এক মানসিক শান্তি দেয়—যেই মানসিক শান্তি আসলে আমাদের পাওয়া উচিত নয়। যেটা আমাদের কাছে মানসিকভাবে অশান্তির হওয়ার কথা, সেটা আমাদের কাছে কিভাবে যেনো মানুষিক শান্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। কিন্তু আসলে মাঝেমধ্যে এটাই ভাবি—এই যে আমরা অহংকার করি, অহংকার দেখাই, এটা কি আসলে কখনো কোনো ভালো কিছু হতে পারে? কখনোই হতে পারে না! কারণ অহংকার এমন এক বিষ, যেই বিষ মানুষের শরীরে, মানুষের হৃদয়ে ঢুকে ধীরে ধীরে ওই হৃদয়কে একেবারে কলুষিত করে ফেলে।
অহংকার করার মতন আসলে কিছুই নেই, কারণ আমরা একদিন এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যাব। এবং আমরা যখন চলে যাবো, তখন এই পৃথিবীর কোনোরকম কোনো ক্ষতি হবে না। আমাদের চলে যাওয়ার জন্য পৃথিবীর এক চুল পরিমাণ ক্ষতিটাও হবে না, কিংবা কোনো কিছু বদল হবে না। তবে কিসের এত অহংকার? যেখানে আমাদের এই পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে, যেখানে আমাদের এই জীবন থেকে বিদায় নিতে হবে! তাই আমার মনে হয়, মানুষের আসলে অহংকার না করাই উচিত, কারণ অহংকার করার কোনো প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না। কারণ, দিনশেষে আসলে আমরা সেই মিশেই যাবো।
Postda gorə təsəkkurlər