শৈশবের স্মৃতি ঘুড়ি উড়ানো || ( ১০%লাজুক খ্যাকের জন্য) by ripon40 by ripon40
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি@ripon40 বাংলাদেশের নাগরিক
- শৈশবের স্মৃতি ঘুড়ি উড়ানো
- ২৭, মার্চ ,২০২৩
- সোমবার
আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশাকরি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আজ আমি বিকেল শৈশবের স্মৃতি ঘুড়ি উড়ানো মুহূর্তের দৃশ্য পটভূমি শেয়ার করব । আশাকরি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।
Device : Redmi Note 11
শৈশবের স্মৃতি ঘুড়ি উড়ানো
What's 3 Word Location :https://w3w.co/obscuring.line..
তাহলে চলুন গল্পটি শুরু করি |
|---|
দেখতে দেখতে পবিত্র মাহে রমজানের চারটা দিন শেষ করে ফেললাম। আলহামদুলিল্লাহ প্রত্যেকটা দিন অনেক ভালো গিয়েছে। সামনের দিনগুলো যেন এভাবেই কাটে সেটাই প্রত্যাশা করি। যাইহোক, বিকেল মুহুর্তটা সবসময় চেষ্টা করি খুব সুন্দর ভাবে দারুন একটা জায়গা উপভোগ করার। রমজান মাসের শুরুতে বিকেল মুহূর্তটা প্রকৃতির মাঝে খোলা জায়গায় কাটানোর চেষ্টা করেছি। সেখান থেকে আবার ইফতারের আগ মুহূর্তে বাড়ির উদ্দেশ্যে চলে আসতাম। আমি একা না কিছু বড় ভাই ব্রাদার তাদের সাথেই এরকম সুন্দর জায়গায় গিয়ে আড্ডা দেয়ার মাধ্যমে দারুন সময় কাটানো হয়। তার পাশাপাশি সময়টা অনেক ভালো যায়। এই সময়ে এই জায়গাটি অনেক বার আসা হয় সন্ধ্যার পরেও অনেক এসেছি এখানে এসে আড্ডা দিয়েছি।
Device : Redmi Note 11
এই দৃশ্য দেখতেও অনেক সুন্দর লাগে
What's 3 Word Location :https://w3w.co/obscuring.line..
বিকেল মুহূর্তে যখন এই জায়গাটিতে এসে আড্ডা দিচ্ছিলাম ছোট্ট বাচ্চারা ঘুড়ি নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করছিল। তাদের ঘুড়ি উড়ানোর দৃশ্য গুলো দেখে তাদের বয়সে সেই শৈশবের স্মৃতি বিজড়িত ঘুড়ি উড়ানোর মুহূর্তগুলোর দৃশ্য চোখে ভেসে ওঠে। তখন প্রাইমারি স্কুলে পড়তাম সেই সময়ে ঘুড়ি উড়ানোর প্রতি আমার খুবই নেশা ছিল। মাঠে মাঠে দিগন্ত জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুড়ি ওড়ানো দেখতে এবং উড়াতে দুটোই খুবই পছন্দ করতাম। যারা ঘুড়ি তৈরি করতে পারতো তাদের তৈরি করা ঘুড়িগুলো দেখে সত্যিই মুগ্ধ হতাম। তখন ভাবতাম এই ঘুড়িগুলো যদি আমি তৈরি করতে পারতাম। নিজে নিজেই কাগজ পাটকাঠি নিয়ে অনেক ঘুরি তৈরি করেছি। চিলে ঘুড়ি তাছাড়া এই যে ছোট বাচ্চারা খুব সুন্দর করে পাটকাঠি দিয়ে দুই ঠেঙ্গা কৈড়ো ঘুড়ি বানিয়েছে এগুলো অনেক তৈরি করেছি। প্রচন্ড রোদে ঘুড়ি নিয়ে মাঠে মাঠে দৌড়াদৌড়ি করতাম। কেন জানি সেই সময়ের এতটাই মজা পেতাম সেই অনুভূতিটা এখন আর কাজ করে না। সময়ের সাথে সাথে মানুষের চাহিদা এবং মনের পরিবর্তন এর বিষয়টি উপলব্ধি করতে পারা যায়।
Device : Redmi Note 11
সু্ন্দর মনোরম পরিবেশ
What's 3 Word Location :https://w3w.co/obscuring.line..
ছোট্ট বেলায় এমন কোন দিন নাই দুই একটা ঘুড়ি তৈরি করিনি। যেগুলো তৈরি করতাম সেগুলো দেখা গেছে প্রচন্ড ঝড়ো বাতাসে ছিড়ে চলে গেছে। তখন অনেক মন খারাপ হতো আবার বাড়িতে এসে মা-বাবার চোখ ফাঁকি দিয়ে কাগজ পাট কাঠি নিয়ে বসে যেতাম ঘড়ি তৈরি করতে। আমি রাতের বেলায় অনেক ঘুরি তৈরি করেছি। পড়ার টেবিলে বসে পড়ার অভিনয় করে এদিকে ঘুড়ি তৈরি করতাম। অনেক সময় মা-বাবা টের পেয়ে অনেক বকা দিত। তবুও এই নেশাটা যেন জীবনের শ্রেষ্ঠ নেশা ছিল আবার পালিয়ে ঘুড়ি তৈরি করেছি। সেই ছোট্টবেলায় এই সময় ঘুড়ি ছাড়া আর কিছুই বুঝতে পারতাম না। যাই হোক এই ছোট্ট বাচ্চাদের ঘড়ি উড়ানো দেখে সেই দিন গুলোর কথা মনে পড়ে গেল।এই জায়গাটায় বসে তাদের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে ঘুড়ি উড়ানোর দৃশ্য গুলো মনোযোগ সহকারে উপভোগ করেছি।তাদের অনুভূতির কথা উপলব্ধি করছিলাম এই মুহুর্তটা কতই না মধুর। যে বয়সে কোন চিন্তা চেতনা কাজ করে নাহ মন শুধু উড়াল দিতে চায়।এগুলো ভাবতে ভাবতে ইফতারের সময় হয়ে যায় বাড়ি দিকে রওনা দিই।এই বিকেলটা শৈশবের স্মৃতি মাখা ছিল।
ধন্যবাদ সবাইকে
আমি মোঃ রিপন মাহমুদ। আমার স্টীমিট একাউন্ট@ripon40। আমি একজন বাঙালি আর আমি বাঙালী হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব বোধ করি। আমি স্টীমিটকে অনেক ভালোবাসি। ভালোবাসি পড়তে, লিখতে, ব্লগিং,ফটোগ্রাফি,মিউজিক,রেসিপি ডাই আমার অনেক পছন্দের। আমি ঘুরতে অনেক ভালোবাসি। আমার সবচেয়ে বড় গুণ হলো কারোর উপর রাগ করলে সহজেই ভুলে যাই।
সেই ছোট বেলার কথা মনে পড়ে গেল আপনার আজকের এই পোস্ট দেখে এবং পড়ে। ছোট বেলায় এভাবে খুবই মজা করে সবাই মিলে ঘুড়ি উড়াতাম। সেই দিন গুলো সত্যি খুবই স্মৃতিময়ী। ছোট বেলার কথা মনে পড়লে এখনো ভীষণ ভালো লাগে। যাইহোক আপনি দেখছি বেশ ভালোই মুহূর্ত অতিবাহিত করেছেন ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে। বেশ ভালোই উপভোগ করেছেন মূহুর্তটি যা আমি দেখে বুঝতে পারছি। ভালো লাগলো আপনার আজকের পোস্ট পড়ে।
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
আসলে মনে হয় ঘুড়ি উড়ানো বেশ মজার একটি ব্যাপার। আমি কখনো ঘুড়ি উড়াইনি। তবে দেখেছি আমার ভাইয়াদেরকে ঘুড়ি ওড়াতে এবং এখনো আমার ছোট ভাইরা ঘুড়ি নিয়ে বেশ ব্যস্ত থাকে। গ্রাম অঞ্চলে ঘুড়ি ওড়ানো বেশি দেখা যায়। আসলেই এই ছেলে গুলো কে দেখে আপনাদের ছোটবেলার কথা মনে পড়ে যাওয়ারই কথা। ছোটবেলা যেহেতু আপনি একদিনও ঘুড়ি উড়ানো বাদ দিন নি, নিশ্চয়ই বেশ এনজয় করেছিলেন এটি।
ঘুড়ি উড়ানো দেখে আপনার ছেলেবেলা মনে পরেছে আমারও ঠিক আপনার অনুভূতি পড়ে ছেলেবেলার কথা মনে পরে গেল।আমার ভাইয়ারা আম্মুকে ফাঁকি দিয়ে ঘুড়ি বানাতো।আমিও থাকতাম তাদের সাথে।কি এক আয়োজন পরে যেত।যদিও আমরা ঢাকা তে আছি। ছাদে গিয়ে উড়াতো ভাইয়ারা।আমিও উড়াতাম।বেশ ভাল লাগতো দিনগুলি। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া শেয়ার করার জন্য।
ছোট বেলায় আমি খুব বেশি ঘুড়ি ওড়ানোর সুযোগ পাইনি কারন ইট পাথরের শহরে মানুষ হয়েছি। তবে যখন গ্রামে যেতাম তখন কিছুটা সুযোগ পেতাম। সত্যিই এ এক অনাবিল আনন্দের ব্যাপার। ধন্যবাদ ভাই আপনার চমৎকার অনুভূতিগুলো প্রকাশ করার জন্য।
আমি শৈশবে হারিয়ে যাচ্ছিলাম।
আসলে বাচ্চাদের ঘুড়ি উড়ানো দেখলে নিজের ছেলেবেলার ঘুড়ি ওড়ানোর কথা মনে হয় সবারই মনে পড়ে যায় । যদিও আমি কখনো ঘুড়ি উড়াইনি । যতবারই চেষ্টা করেছি কোন বারই সফল হতে পারিনি । একটু উপরে ওঠে সঙ্গে সঙ্গেই নিচে পড়ে যায় । আসলে ঘুড়ি উড়ানো বেশ কঠিন একটি কাজ আমার মনে হয় । যাই হোক আপনার অনুভূতিগুলো পড়ে সত্যি ভীষণ ভালো লাগলো । ধন্যবাদ আপনাকে ।
আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে ছোট বেলার কথা মনে পড়ে গেলো। অসাধারণ ফটোগ্রাফি করেছেন। ছোট বেলা ফিরে যেতে পারলে খুবি ভালো লাগতো।
শৈশব জীবন নিয়ে কিছু বলার নেই ৷ কত যে সৃতি আর কাটানো মুহূর্ত গুলো মনে পড়ে ৷ আর এই সময়ে ঘুড়ি উড়ানোর প্রধান সময় ৷ সেই শৈশবে সারাদিন ঘুড়ি আমার তো বিদ্যুৎ খুটি তে লেগেছিল পরে যে কান্না ৷ অনেক কিছু মনে পড়ে এখনকার শৈশব কৈশোর জীবন গুলো দেখে ৷
যা হোক বিকেল বেলা বেশ ভালোই সময় অতিবাহিত করছেন ৷
অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই
অনেকদিন পর এমন ঘুড়ি উড়ানোর ফটোগ্রাফি দেখে হারিয়ে গেলাম সেই ফেলে আসা শৈশবে।।
ছোটবেলায় এরকমভাবে কত ঘুড়ি বানিয়ে মাঠের মধ্যে উড়িয়েছি।। শৈশবটা সত্যিই অনেক রঙিন ছিল এখন ইচ্ছা করলেও আর এরকম ভাবে সময় অতিবাহিত করা যায় না।।
ফটোগ্রাফি এবং উপস্থাপনাটা অনেক সুন্দর ছিল ধন্যবাদ আপনাকে।।