বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদ ভ্রমণ পর্ব-২
আসসালামু আলাইকুম। সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভালো আছেন। ইতিমধ্যে আমি আপনাদের মাঝে খুলনা বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের প্রথম পর্ব শেয়ার করেছি। আজ চলে এসেছি দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে। আশা করি আপনাদের প্রথম পর্বটি ভালো লেগেছে। তাহলে দেরি না করে চলুন শুরু করা যাক।
এই স্থানটি ফটোগ্রাফি প্রেমীদের জন্য এক স্বপ্নের জায়গা। ইটের পুরনো রঙ গম্বুজের সারি বিশাল আকাশ আর গাছের ছায়া সব মিলিয়ে প্রতিটি কোণেই লুকিয়ে আছে একেকটি ছবি। আমার তোলা ছবিগুলোর মধ্যে যা দেখতে পাচ্ছেন। মসজিদের বাইরের দেয়ালের শট যেখানে সময়ের ছাপ স্পষ্ট। পুকুরের ধারে হাঁসের ছবি যা প্রকৃতির সঙ্গে স্থাপত্যের মিল তৈরি করেছে। সূর্যের আলোয় ঝলমলে প্রবেশপথ যেখানে ইতিহাস আর নান্দনিকতার এক অপূর্ব মেলবন্ধন। লম্বা পথ আর সবুজ বাগান যা পর্যটকদের জন্য এক শান্তিময় হাঁটাচলার স্থান। প্রতিটি ছবিই যেন বলে দেয় এই স্থান কেবল একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন নয় এটি এক জীবন্ত শিল্পকর্ম। আমি যখন মসজিদে প্রবেশ করি তখন ভেতরের ঠান্ডা পরিবেশ এক অনন্য প্রশান্তি দেয়। দেয়ালের গায়ে হাত রাখলে বোঝা যায় শত শত বছর আগের ইট এখনো কত শক্তভাবে দাঁড়িয়ে আছে। মসজিদের ভেতরে হাঁটলে প্রতিটি ধাপে ইতিহাসের অনুভূতি পাওয়া যায়। স্থানীয় মানুষের আতিথেয়তাও অসাধারণ। আশপাশে ছোট দোকান চায়ের আড্ডা আর পর্যটকদের হাসিমুখে ভরে থাকে এলাকা। বিকেলের দিকে পুকুর পাড়ে বসে সূর্যাস্ত দেখা সত্যিই এক অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা।
ষাট গম্বুজ মসজিদ শুধু বাংলাদেশের নয় পুরো বিশ্বের ঐতিহ্যের অংশ।এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন এবং সংরক্ষিত স্থাপনা। মসজিদের আশেপাশের এলাকাও এখন একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। প্রতিদিন দেশ বিদেশ থেকে হাজারো দর্শনার্থী এখানে আসে ইতিহাস ও স্থাপত্যের সৌন্দর্য উপভোগ করতে। এই মসজিদে দাঁড়িয়ে কেউই নিরাস হতে পারে না। এখানে এসে মনে হয় মানুষ ইতিহাস প্রকৃতি সবকিছু একসাথে মিলেমিশে গেছে। শত শত বছর আগের মানুষ যেভাবে নামাজ আদায় করত আজও সেই একই স্থানে হাজার মানুষ একত্রিত হয়। তাহলে এখানেই বিদায় নিচ্ছি দেখা হবে আবার অন্য কোন পোস্টে। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন এই কামনাই রইল।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
বাহ্! দারুণ তো জায়গা গুলো। এমন জায়গায় গেলে ফটোগ্রাফি না করে থাকা যায় না। যাইহোক ফটোগ্রাফি গুলো বেশ উপভোগ করলাম ভাই। গত পর্বের মতো এই পর্বটাও এককথায় দুর্দান্ত হয়েছে। এতো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।
চমৎকার পরিবেশ,শান্ত শীতল অনুভূতিতে ঘেরা প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য দেখে সত্যিই মুগ্ধ হতে হয়।আপনার ফটোগ্রাফির হাত ও মাশাল্লাহ ভালো। ধন্যবাদ সুন্দর ভ্রমন বিষয়টি তুলে ধরার জন্য।