অভিমান নাকি অভিনয়?
আজকে আমি এসেছি আপনাদের সকলের সাথে একটি জেনারেল রাইটিং পোস্ট শেয়ার করতে। আমার লেখার মাধ্যমে আমার চিন্তা ভাবনা গুলো আপনাদের কাছে পৌঁছানোর লক্ষ্যে এই লেখাগুলো শেয়ার করা।
আশা করছি যে আপনারা আপনাদের মূল্যবান মন্তব্যের মাধ্যমেই আমার এই লেখাটি সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবেন এবং আপনাদের মতামত ব্যক্ত করবেন। আমি যদি কোনো কিছু ভুল বলে থাকি। তাহলে অবশ্যই আমাকে শুধরে দিতে ভুলবেন না।
একেক সময় আমাদের মনের পরিস্থিতি এক এক রকম হয়। সব সময় আমাদের মনের পরিস্থিতি যে একরকম হবে, ব্যাপারটি তেমন নয়। সময় আছে, যখন আমাদের মন ভালো থাকে। আবার এমন অনেক সময় আসে, যখন আমাদের মন ভালো থাকে না। আসলে সবকিছু নির্ভর করে আমাদের মনের উপরেই। আর মনের উপর কিন্তু আসলে কখনোই জোর দেওয়া সম্ভব হয় না, কারণ মন একেবারেই তার নিজস্ব গতিতে চলে। হয়তো অনেক সময় আমরা অনেক কিছুতে বাধা দিতে পারি, অনেক কিছু আমরা জোর করে করি, কিন্তু ওই যে ব্যাপারটা বললাম, সেটা আমরা জোর করেই করি। আমরা কিন্তু মনকে বোঝাতে পারি না যে এটা অন্যায়, এটা ঠিক। আমাদের মন যেটা ভেবে নেয়, সেটাই কিন্তু তার মধ্যে থাকে।
আর এই মনের বিশেষ একটা অংশ হলো অভিমান। আমাদের অনেক সময় কারণে-অকারণে অভিমান হয়। আমাদের অনেক সময় কারণে-অকারণে অনেক কিছু হয়, যেগুলোর সম্মুখীন আমরা হতে পারি না কিংবা যেগুলোর সম্মুখীন আমাদের আসলে হতে ইচ্ছে করে না। তেমন একটা ব্যাপার যদি বলি, সেটা হলো— যখন মানুষ আমাদের অভিমানকেই তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, সেটা আসলে একটা মানুষের জন্য অনেক বেশি ভয়ংকর। কারণ ধরুন, আপনি আপনার মনের কথা, আপনার মনের অসুস্থতা কারো সাথে শেয়ার করলেন, যে আপনার খুব কাছের, যে আপনার প্রিয়জন।
সেই যদি আপনার অভিমানকে অভিনয় বলে বসে, তখন আসলে আপনার পুরো পৃথিবীটাই যেন নড়বড়ে হয়ে যাবে। কারণ অভিমান আর অভিনয়— শুনতে অনেকটাই একই রকম লাগলেও, এদের একটার সাথে অন্যটার আসলে আকাশ-পাতাল তফাৎ। আমরা অভিমান করি অনেক সময়, আবার অভিনয়ও করি, কিন্তু আমাদের অভিমান কখনোই কিন্তু অভিনয় হতে পারে না। আর যে মানুষ আমাদের এই অভিমানগুলোকে আসলে বুঝতে পারে, আমাদের অভিমান ভাঙানোর চেষ্টা করে, সেই মানুষগুলোই আসল মানুষ। সেই মানুষগুলোই প্রকৃত মানুষ, যারা আসলে আমাদের সত্যিকার অর্থেই ভালোবাসে।
Postda gorə təsəkkurlər