সোহাগের স্বপ্ন পূরণের গল্প (ষষ্ঠ পর্ব)
সোহাগের বাবা-মা ও সোহাগের কথা শুনে কান্না শুরু করে। তারা সোহাগের জন্য অনেক দোয়া করেন। পরদিন সোহাগ সমস্ত কিছু গুছিয়ে রওনা দেয় তার নতুন ক্লাবে। ক্লাবে যাওয়ার পুরোটা পথ সোহাগ প্রচন্ড উত্তেজিত থাকে। তার বহুদিনের স্বপ্ন ছিলো একটা বড় ক্লাবের হয়ে খেলার। এই কারণে সেখানে যেতে পেরে সে অনেক খুশি ছিলো। কিন্তু ক্লাবে পৌঁছানোর কিছুক্ষণের ভেতরেই তার সেই খুশি শেষ হয়ে যায়। কারণ সোহাগ চিন্তা করেছিলো সেখানে গেলে সবাই তাকে ভালোভাবে গ্রহণ করবে। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর সোহাগ দেখতে পেলো তার মতো অনেক ছেলে সেখানে আছে।
তারা কেউই সোহাগকে ভালো চোখে দেখছে না। পরদিন সোহাগ যখন সবার সাথে প্র্যাকটিসে যোগ দিলো তখন দেখলো সিনিয়ররাও জুনিয়রদের সাথে ভালো ব্যবহার করে না। সোহাগ সবকিছু ভুলে প্র্যাকটিসে মন দেয়ার চেষ্টা করলো। সে বরাবরের মতোই প্র্যাকটিসে দারুন সিরিয়াস রইলো। কিন্তু কিছু ছেলেকে দেখতে পেলো তারা প্র্যাকটিসে খুব একটা সিরিয়াস না। সুযোগ পেলেই তারা ফাঁকি দিচ্ছে। এখানে যে কোচ ছিলো সে সোহাগকে তেমন একটা বাড়তি গুরুত্ব দিলো না। নতুন ক্লাবে সোহাগের থাকার অভিজ্ঞতাটা খুব একটা সুখকর হোলো না। (চলবে)
আজকের মত এখানেই শেষ করছি। পরবর্তীতে আপনাদের সাথে দেখা হবে অন্য কোন নতুন লেখা নিয়ে। সে পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।
সোহাগ যেহেতু প্র্যাকটিসের ব্যাপারে খুব সিরিয়াস, সেহেতু আমার মনে হচ্ছে অল্প কিছুদিনের মধ্যেই, এই ক্লাবের কোচও সোহাগকে পছন্দ করতে শুরু করবে। আসলে প্রথম দিকে যেকোনো পরিবেশে খাপ খাওয়াতে একটু সমস্যা হতেই পারে। দেখা যাক পরবর্তী পর্বে কি হয়।