কয়েকটি ফুলের আলোকচিত্র।
হ্যালো..!!
আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আমি @purnima14 বাংলাদেশী,
আজ- ২৬ শে এপ্রিল, শনিবার, ২০২৫খ্রিঃ।
কভার ফটো
কয়েকটি ছবি একত্রিত করে সুন্দর একটি কভার ফটো তৈরি করে নিয়েছি।
আমি আশা করি, আপনারা সবাই সুস্থ এবং সুন্দর আছেন। আমি নিজেও ভালো আছি। আমি সবসময় চেষ্টা করি নিজেকে হাসি খুশি রাখার। আমি আপনাদের সাথে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট শেয়ার করে থাকি। আমি "আমার বাংলা ব্লগের" মাধ্যমে আপনাদের সামনে আমার ক্রিয়েটিভিটি তুলে ধরবো। আমি আপনাদের সাথে বিভিন্ন ধরনের পোস্ট শেয়ার করে থাকি। আজ আমি আপনাদের সাথে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে হাজির হয়েছি। আমি ফটোগ্রাফি করতে অনেক পছন্দ করি। যেকোনো ধরনের ফটোগ্রাফি করতে আমার ভালো লাগে। তবে ফুল এবং প্রকৃতির ফটোগ্রাফি করতে একটু বেশিই পছন্দ করি।আজ এসেছি একগুচ্ছ ফটোগ্রাফি নিয়ে। আশা করি ফটোগ্রাফি গুলো আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। চলুন তাহলে দেরি না করে ফটোগ্রাফি গুলো শেয়ার করে নেওয়া যাক।
ফটোগ্রাফি নং-১
ডিভাইস: গুগোল পিক্সেল ৭ প্রো
ক্যামেরা: ৫০মেগাপিক্সেল
লোকেশন:কুষ্টিয়া
আমার প্রথম ফটোগ্রাফিতে রয়েছে সন্ধ্যামালতী ফুল। এই ফুলগুলো বিভিন্ন রং এর হয়ে থাকে। এই ফুল গুলো সকাল বেলা এবং সন্ধ্যা বেলায় ফুটতে দেখা যায়। যেহেতু সকালে এবং সন্ধ্যায় হয়ে থাকে তাই ফুলের নাম সন্ধ্যা মালতি । অনেকে আবার সকাল সন্ধ্যা বলেও ফুলটিকে চিনে থাকে। এই ফুলটি আমার বোনকে নিয়ে পার্কে ঘুরতে গিয়ে ক্যাপচার করেছিলাম।
ফটোগ্রাফি নং-২
ডিভাইস: গুগল পিক্সেল ৭প্রো
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
লোকেশন:কুষ্টিয়া
আমার দ্বিতীয় ফটোগ্রাফি তে রয়েছে আমাদের সকলের খুব চেনা একটি ফুল। ফুলটির নাম হল নয়ন তারা। নয়নতারা ফুল বিভিন্ন রংয়ের হয়ে থাকে। আমি গোলাপি, সাদা এবং হলুদ রঙের নয়ন তারা ফুল রেখেছি। ফটোগ্রাফিতে রয়েছে সাদা রংয়ের নয়নতারা ফুল। এই ফুল আমরা কম বেশি সকলেই জেনে থাকি। সৌন্দর্যের দিক দিয়ে গোলাপি রঙের ফুল গুলো বেশি সুন্দর লাগলেও সাদা রঙের ফুলগুলোও কম যায় না। এই ফুলটি ও পার্ক থেকে ক্যাপচার করে ছিলাম।
ফটোগ্রাফি নং-৩
ডিভাইস: গুগল পিক্সেল ৭প্রো
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
লোকেশন:কুষ্টিয়া
তিন নাম্বার ফটোগ্রাফিতে রয়েছে বেলি ফুল। বেলি ফুল অনেক প্রিয় একটি ফুল। বেলি ফুলে সুগন্ধ কার কার ভালো লাগে? আমার তো বেলি ফুলে সুগন্ধ অনেক ভালো লাগে। বেলি ফুলের মালা গেঁথে তার সুভাষ নিতে আমি খুব পছন্দ করি। ছোটবেলায় প্রতিদিন সকালবেলা এমনটা করতাম। বসন্ত কালে দক্ষিণা বাতাসের সাথে সাথে বেলি ফুলের এই গন্ধ যেন মনকে পাগল করে দেয়। অনেকদিন আগে বাড়িতে গিয়ে ছবিটি তুলেছিলাম।
ফটোগ্রাফি নং-৪
ডিভাইস: গুগল পিক্সেল ৭প্রো।
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
লোকেশন:কুষ্টিয়া
আমার এই ফটোগ্রাফিতে রয়েছে জামরুল ফুলের ফটোগ্রাফি। আমরা তো ফল হিসেবে জামরুলকে সকলেই চিনি। আমার অবশ্য জামরুল খুব একটা পছন্দ না। তবে অনেকে আবার খুব পছন্দ করে। লালন শাহের মাজারে গিয়ে সেখানে বেশ কয়েকটি জামরুল গাছ দেখতে পেয়েছিলাম। অনেকদিন পর জামরুল গাছে ফুল দেখে বেশ ভালো লাগছিল। সেখান থেকে ফুলটি ক্যাপচার করেছিলাম।
ফটোগ্রাফি নং-৫
ডিভাইস: গুগল পিক্সেল ৭ প্রো
ক্যামেরা: ৫০মেগাপিক্সেল
লোকেশন:কুষ্টিয়া
আমার এই ফটোগ্রাফি তে রয়েছে রজনীগন্ধা খুলে ফটোগ্রাফি। রজনীগন্ধা ফুল আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব পছন্দ। এই কিছুদিন আগে থেকেই রজনীগন্ধা ফুল আমার অতি পছন্দের হয়ে গিয়েছে। আগের সময় অসময় গোলাপ ফুল কিনতাম। কিন্তু এখন দেখি গোলাপের থেকে রজনীগন্ধা বেশি ভালো লাগে। কারণ রজনীগন্ধা ফুলের গন্ধটা বেশ কয়েকদিন ধরে থেকে যায়। আমার ঘরে এখনো রজনীগন্ধা ফুল কিনে রাখা আছে। মাঝে মাঝেই আমি রজনীগন্ধা ফুল কিনে রুমে রেখে দিই। সুবাস নিতে খুব ভালো লাগে। কয়েকদিন আগে এই ফুলটি আমার বান্ধবী আমাকে দিয়েছিলো।
ফটোগ্রাফি নং-৬
ডিভাইস:গুগল পিক্সেল ৭প্রো
ক্যামেরা: ৫০ মেগাপিক্সেল
লোকেশন:কুষ্টিয়া
এই ফটোগ্রাফি তে রয়েছে আরো একটি সন্ধ্যা মালতি ফুল। এটা অনেকটা হালকা রঙের সন্ধ্যা মালতি। এই ফুলের ফটোগ্রাফিটিও পার্ক থেকে তুলেছিলাম। পার্কে খুব বেশি ফুলের গাছ নেই। হাতে গোনা কয়েকটা। তবে সবগুলো ফুলের মধ্যে কৃষ্ণচূড়া এবং সন্ধ্যা মালতি ফুল বেশি ভালো লাগছিল। কৃষ্ণচূড়া ফুল দু একটা হাওয়ায় আমি ফটোগ্রাফি তুলতে পারিনি। দূর থেকে জুম করে তুলেছি পরে শেয়ার করব আপনাদের সাথে।
প্রিয় বন্ধুরা,আমার আজকের ব্লগটি কেমন হয়েছে আপনারা সবাই কমেন্টের মাধ্যমে অবশ্যই মন্তব্য করবেন, সামান্য ভুল ত্রুটি হলে অবশ্যই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং সুপরামর্শ দিয়ে সবসময় পাশে থাকবেন। আবার দেখা হবে নতুন কোনো পোস্ট নিয়ে শীঘ্রই, ততক্ষণে সবাই সুস্থ ও সুন্দর থাকবেন।
আমি কে !
আমি পূর্ণিমা বিশ্বাস, আমার ইউজার নেম @purnima14। আমি আমার মাতা-পিতা এবং নিজের মাতৃভূমি ও মাতৃভাষাকে ভালবাসি। আমি হৃদয় থেকে ভালবাসি সৃষ্টিকর্তা ও তার সকল সৃষ্টিকে। আমি বর্তমানে কুষ্টিয়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে সিভিল টেকনোলজিতে ডিপ্লোমা ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে লেখাপড়া করছি। আমি ভ্রমণ করতে, কবিতা লিখতে ও আবৃত্তি করতে, গান শুনতে, যেকোনো ধরনের রেসিপি তৈরি করতে ও প্রাকৃতিক দৃশ্যের ফটোগ্রাফি করতে অনেক পছন্দ করি। "আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটিতে কাজ করতে পেরে আমি গর্বিত।
@purnima14

দারুন বলেছো ফুলের সুবাস নিতে আসলে ভীষণ ভালো লাগে। মাঝেমধ্যে রজনীগন্ধা ফুল কিনে নিয়ে সুবাস নেওয়ার জন্য ঘরে রেখে দাও জেনে ভালো লাগলো। ফুল প্রেমিক মানুষেরা এমনই করে। অনেক সুন্দর একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
ফুল সবারই খুবই পছন্দের একটি জিনিস। তাই ফুলের ফটোগ্রাফিও দেখতে অনেক বেশি ভালো লাগে। আপনার ফটোগ্রাফি গুলো দেখে অনেক ভালো লাগলো এবং আপনার পোস্টটি পড়েও বেশ ভালো লাগলো।
পরিচিত বেশ কিছু ফুলের ফটোগ্রাফি শেয়ার করেছেন দেখে ভালো লাগলো।প্রত্যেকটি ফুলের ফটোগ্রাফি সুন্দর ছিল দিদি,বিশেষ করে রজনীগন্ধা ফুলটি অনেক বেশি সুন্দর ছিল।ধন্যবাদ আপনাকে।
জাস্ট মুগ্ধ হয়ে এক নজরে তাকিয়ে থাকার মত বেশ কিছু ফটোগ্রাফি আপনি আজকে করেছেন। আপনার তোলা প্রতিটা ফটোগ্রাফি আমার তো অনেক পছন্দ হয়েছে। এরকম ফটোগ্রাফি গুলো দেখলে চোখ ফেরানো যায় না। আপনি কিন্তু অনেক সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে পারেন এটা বলতেই হচ্ছে।
আজ আপনি এত সুন্দর এবং মনোমুগ্ধকর দেখতে ফটোগ্রাফি করেছেন দেখে তো এক নজরে তাকিয়ে ছিলাম। ধৈর্য ধরে এরকম ভাবে ফটোগ্রাফি করা হলে বেশি সুন্দর হয়। আর অনেক সুন্দর ভাবেই ফুটে ওঠে। আপনি অনেক সুন্দর করেই ফটোগ্রাফি করতে পারেন। এভাবে চেষ্টা করলে আরো সুন্দর সুন্দর ফটোগ্রাফি করতে পারবেন পরবর্তীতে। আপনার পরবর্তী ফটোগ্রাফি পোস্ট দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
ভালো লাগে যখন ফুলের ফটোগ্রাফি দেখি। আজকে আপনি বিভিন্ন ধরনের চমৎকার কিছু ফুলের ফটোগ্রাফি করেছেন। তবে আপনার ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো অসাধারণ হয়েছে। বিশেষ করে সন্ধ্যা মালতি ও নয়ন তারা ফুলের ফটোগ্রাফি বেশি চমৎকার লাগলো। আর আপনি সবগুলো ফটোগ্রাফি অনেক সুন্দর করে বর্ণনা দিয়ে আমাদের মাঝে শেয়ার করেছেন।
https://x.com/PurnimaBis34652/status/1916516688276640230?t=dEQEj-ivjBtoXAFaTvk6IQ&s=19
https://x.com/PurnimaBis34652/status/1916517444874621328?t=9-kDcDSw2QGeReJP_zug2Q&s=19
সন্ধ্যা মালতি ফুলটা বেশ দারুণ লাগছে। নয়নতারা ফুলটাও বেশ চমৎকার ছিল। জামরুলের ফুলটা দেখলাম অনেক দিন পরে। সবমিলিয়ে বেশ সুন্দর করছেন ফুলের ফটোগ্রাফি গুলো। ধন্যবাদ আমাদের সাথে শেয়ার করে নেওয়ার জন্য।।