হঠাৎ করে মন্দারমনি ঘুরতে যাওয়ার কিছু মূহুর্ত
বন্ধুরা,
আমি যানিনা আপনারা কতজনে বিশ্বাস করেন জীবনে সব কাজ কিন্তু প্ল্যান করে হয়না ঠিক তেমনি আমাদের ঘুরতে যাওয়াটাও প্ল্যান করে হয়নি।
ঘরে বসে বসে সেই সব কথা ভাবতে ভাবতে
তিন বছর আগে মন্দারমনি ঘরতে যওয়ার ঘটনা ভাগ করে নিতে আপনাদের সাথে আপনাদের মাঝে চলে এসেছি।
সেদিনের সেই ঘুরতে যাওয়াটা কিন্তু কোন প্লেন করে হয়নি।
আমার দিদির বাড়িতে আমরা স পরিবারে ঘুরতে গিয়েছিলাম এবং সেখানে বসেই হঠাৎ করে এই ঘুরতে যাওয়াটা ঠিক হয়।
নানা মুনির নানা মতের মত।
এক এক জন এক একটা জায়গার নাম করছিল ঘুরতে যাওয়ার জন্য। যেহেতু ঘোরাটা ঠিক বেশি দিনের জন্য নয় দু এক দিনের জন্য সম্ভব ছিল।
তাই কাছা কাছি দু একটা জায়গার নাম খুজতে খুজতে,দীঘাও মন্দারমনির নাম উঠে আসে।আমার বরের ইচ্ছে ছিল দীঘা আর আমার দিদির ইচ্ছে ছিল মন্দারমনি।
অবশেষে আমরা দীঘা বেরিয়ে পরলাম।
ঠিক করলাম ভোর বেলা এসি বাসে বেড়িয়ে পরবো।
পরেরদিন ভোর ৫টায় আমরা চার জন বেরিয়েও পরলাম।
আমি, আমার মেয়ে, আমার দিদি, আর আমার বর।
আমরা বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছে গেলাম ভোর বেলায় তারপর ওখান থেকে টিকিট কেটে বাসে উঠেপরি।
এবার শুরু হল আমাদের দীঘা যাত্রা।
৫থেকে ৬ঘণ্টা লেগে গেল আমাদের পৌঁছতে।
মাঝখানে একবার দাঁড়িয়ে ছিল কোলাঘাটে।
যেখানে সবাই আমরা টিফিন করি। ১৫মিনিট দাঁড়িয়ে ছিল।তারপর আবার আমরা বাসে উঠেপড়ি।
১২টায় আমরা পৌঁছেগেলাম দীঘা।
এবার শুরু হল হোটেলের রুম খোজা। সে সময় ছিল ছুটির দিন। কোন হোটেল খালি ছিল না। আমাদের কোন হোটেল পছন্দ হয় নি।
তাই ওই মুহূর্তে সবাই ঠিক করলাম মন্দারমনি চলেযাই।
ওখান থেকে টেক্সি করে চললাম মন্দারমনি।
১ঘন্টার মধ্যে পৌঁছে গেলাম। তারপর এখানে
একটা হোটেল নিয়ে নিলাম।
আমার মেয়ে দোলনা চড়তে খুব ভালোবাসে, আর আমাদের হোটেলে ভেতরে ফুলের বাগানও দোলনা দুটোই ছিল। আমার মেয়ের তো সোনায় সোহাগা।
মেয়ে দোলনা দেখে খুব খুশি হয়েছিল।
তারপর হোটেলের রুমে গিয়ে সবাই একে একে স্নান সেরে দুপুরের খাবার খাই। এরপর একটু বিশ্রাম করে, ঠিক সন্ধায় বেড়িয়ে পরি সমুদ্রের ধারে।
সন্ধার সেই সমুদ্রের ধার আমাদের যেন মুগ্ধ করে দিয়েছিল।
এরকম শান্ত সমুদ্র হয়তো আমি কখন দেখিনি।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যেন এই মন্দারমনিতেই লুকিয়ে রয়েছে।
সন্ধা থেকে রাত হয়ে গেলো, আমার যেন সেই সমুদ্রের ধার থেকে যেতে ইচ্ছে করছিল না।
সমুদ্রের ধার যেন আমার সারাদিনের সব ক্লান্তি দূর করে দিচ্ছিলো।
অনেক সময় পেরনোর পর আমরা সবাই রুমে চলে যাই।
হোটেল থেকে রাতের খাবার অর্ডার করি, খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পরি।
পরের দিন সকালে উঠে টিফিন খেয়ে সমুদ্রে স্নানের জন্য বেরিয়ে পরি।
সমুদ্রে স্নান সেরে আবার হোটেলের রুমে ফিরে যাই।
তারপর আমরা দুপুরের খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম নিয়ে, বিকেলে বাড়ির দিকে রওনা দেই।
আজ এখানেই শেষ করলাম আমার ঘুরতে যাওয়াব় মূহুর্ত।
কাল আবার আপনাদের মাঝে চলে আসবো জীবনের কিছু অভিজ্ঞতা নিয়ে।
ভালো থাকবেন ।সুস্থ থাকবেন।
নমস্কার।
@piudey আপনার ঘোরার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।মন্দারমনি যাওয়া হয়নি কখনোই, ইচ্ছে রইল।
I have heard the name of this place so many times that I have fallen in love with this place but I have not gone yet but I have a desire to visit this place once the world is calm.
I heard about this place from my husband and again my husband heard from one of his acquaintances but we want to go there. Thanks for share your travel memories.
আমিও ঘুরতে গেছিলাম Mandarmani , সত্যি বলতে দীঘার থেকেও আমার বেশি পছন্দের জায়গা mandarmani, ধন্যবাদ আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করবার জন্য @piudey
এরকম পরিবেশে থাকতে সবারই ভালো লাগে বোলুন? আপনি যদি কখন সময় করে উঠতে পারেন তাহলে আরেকবার ঘুরে আসবেন অবশ্যই।
আরে বাবা! সানগ্লাস পড়ে তো দারুন দেখাচ্ছে আপনাকে ম্যাডাম @piudey , আমিও বেশ কয়েকবার গেছি Mandarmani, ধন্যবাদ আপনার উপলব্ধি ভাগ করে নেবার জন্য।
In a word amazing post.