হঠাৎ ঘোরাঘুরি করার মূহুর্ত
আসসালামু আলাইকুম
আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করেছি আজকের পোস্ট।
হঠাৎ ঘোরাঘুরি করার মূহুর্ত
বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এসেছি একটা ঘোরাঘুরি পোস্ট নিয়ে। সত্যি বলতে ঘোরতে আমরা সবাই অনেক পছন্দ করি। তবে সেই ঘোরা যদি প্রিয় কোন জায়গায় হয় তাহলে তো কথায় নেই। আসলে আমি প্রায় বারো বছর পরে আমার কয়েক জন মিলে গিয়েছিলাম রাজবাড়ী জেলা আমার ছোট ফুফুর বাড়িতে। আমাদের দেখে ফুফু অনেক খুশি। তারপর আমরা বেশ কিছু সময় ফুফুর বাড়িতে ছিলাম। তারপর দুপুরে খাওয়া দাওয়া শেষ করে ফুফু আমাদের একটু তাদের চারপাশে ঘুরে দেখাল।আসলে তাদের বাড়ির সাথেই স্কুল, কলেজ হাসপাতাল সব কিছু। আমরা ছোট বেলায় এখানে অনেক গিয়েছি।যদিও এবার হাতে তেমন সময় ছিল না তারজন্য বেশি দূরে যেতে পারিনি।
ফুফুদের ঘরের পিছনেই বড় বাজার। যদিও আমরা সময়ের অভাবে সব কিছু দেখতে পারিনি।যাইহোক আমরা ঘুরতে বের হব তখনি শুরু হলো বৃষ্টি। তারপর আমরা কিছু সময় অপেক্ষা করলাম।তারপর আমার মেয়ে আকাশের কিছু ফটোগ্রাফি করলাম। আসলে আকাশ দেখতে বেশ ভালো লেগেছিল। তারপর আমরা সবাই মিলে বাজারে ভিতরে একটু ঘুরে আসলাম। আসলে বাজারে দাঁতের ডাক্তার অনেক নামকরা।তার সাথে একটু কথা বলল আমার বড় আপু।এভাবে কিছু সময় বাজারের ভিতরে ঘুরে বের হয়ে আসলাম।আসলে পুরো জায়গা ঘুরে দেখতে অনেক সময়ের প্রয়োজন। তারপর পরিচিত কিছু জায়গায় তো যেতেই হয়।এক যুগ পরে দেখা। বেশ ভালো লেগেছিল।
যাইহোক তারপর আসলাম প্রাইমারি স্কুলে। আসলে এই স্কুলে অনেক স্মৃতি আমার আছে।আমি যখন ক্লাস থ্রি ফোরে পড়ি তখন থেকে আমি এই স্কুলে যেতাম। সত্যি বলতে। আসলে ফুফুদের বাড়িতে যাবার সাথে সাথে আমরা স্কুলে চলে যেতাম।তারপর আমার ফুফাতো ভাই ও ফুফুর ভাসুরের মেয়ে আমার সাথে পড়াশোনা করত।আর সেই সুবিধায় আমি ফুফুদের বাড়িতে গেলে ওদের সাথে স্কুলে যেতাম। আর এবার এক যুগ পরে গিয়েছিলাম।যদিও ফুফুদের বাড়িতে এক কেউ নেই। ফুফু আর ফুফা থাকেন, সাথে তার মেজ ছেলের বউ থাকে।আসলে ফুফুর চার ছেলে তিনজন সরকারি বড় চাকরি করেন। তাই তারা সবাই পরিবার নিয়ে বাসায় থাকেন।আর একজন আমেরিকা থাকে। যাইহোক আমরা সবাই মিলে স্কুল যখন গিয়েছিলাম তখন আমার শৈশবের সকল স্মৃতি মনে পড়ে গিয়েছিল। তারপর সামনে এমন খেলার মাঠ সত্যি অনেক ভালো লেগেছিল। তবে ছিল না সেই শৈশবের লোকজন গুলো। তারা সবাই আলাদা আলাদা জায়গায় থাকে। তার ঈদের সময় ঘুরতে আসে। বেশ ভালো লেগেছিল।
তারপর আমরা নতুন যে বিল্ডিং করেছে সেটা ঘুরে দেখলাম। সত্যি অনেক সুন্দর করে সাজিয়েছে।কতো সুন্দর করে সাজিয়েছে। তার পরে ও যেন হয়েছিল অনেক কিছুর অভাব।আসলে প্রিয় জায়গায় প্রিয় কোন লোকজন না থাকলে সত্যি ভালো লাগে না। যাইহোক বেশ ভালো সময় কাটিয়েছি।আশাকরি আপনাদের কাছে অনেক ভালো লাগলো।
| প্রয়োজনীয় | উপকরণ |
|---|---|
| ফটোগ্রাফার | @parul19 |
| ডিভাইস | redmi note 12 |
| লোকেসন | রাজবাড়ী |
আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1963972094481535372?t=YTGqaXD_Hl50gH1JgWYWtw&s=19
https://x.com/MimiRimi1683671/status/1963973269268447727?t=iisFCnR0sN5UjXoIwoAFlA&s=19
ঘোরাঘুরি করতে আর ফটোগ্রাফি করতে ভালো লাগে। আর চমৎকার সময়গুলো উপভোগ করতে ভালো লাগে। আপনার সুন্দর মুহূর্ত গুলো আপনি ক্যামেরা বন্দি করেছেন দেখে ভালো লাগলো আপু।