ভালোবাসার গল্প তৃতীয় পর্ব

in আমার বাংলা ব্লগlast year

আসসালামু আলাইকুম

আমার প্রিয় বাংলা ব্লগ এর সকল ভাই ও বোনেরা কেমন আছেন? নিশ্চয় মহান সৃষ্টিকর্তার রহমতে সবাই বাড়ির সকল সদস্যকে নিয়ে ভালো আছেন সুস্থ আছেন। আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালো আছি, সুস্থ আছি।সকলকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে শুরু করেছি আজকের পোস্ট।

ভালোবাসার গল্প তৃতীয় পর্ব

1000027059.jpg

Source

বরাবরের মতো আজও আমি আপনাদের মাঝে এসেছি নতুন একটা পোস্ট নিয়ে। আসলে আজ এসেছি একটা গল্প নিয়ে। আর গল্প মানে আমাদের চারপাশে ঘটে যাওয়া সকল ঘটনা। গল্প লিখতে ও পড়তে আমার কাছে অনেক ভালো লাগে। তাইতো সপ্তাহে একটি করে গল্প লিখার চেষ্টা করি। আর ভালোবাসার গল্প গুলো আমার কাছে একটু বেশি ভালো লাগে। তবে এক তরফা ভালোবাসা মেনে নেওয়া কষ্টকর। যাইহোক গতপর্বে ভালোবাসার গল্প শেয়ার করেছিলাম আপনাদের ভালো লেগেছিল তাই আজ আর এক পর্ব নিয়ে এসেছি।তাহলে চলুন শুরু করি আজকের পোস্ট।

আকাশ ও নদী ভালোবেসে যখন বিয়ে করেছে।তাই তাদেরকে বাবা মা মেনে নেব এটাই স্বাভাবিক। যাইহোক হঠাৎ করেই যখন আকাশের শশুর মারা গেল আবার এদিকে তার শালা বাইরে চলে গিয়েছে। এখন একা বাসায় আকাশের শাশুড়ি কিভাবে থাকবে।এদিকে কিছু দিনের মধ্যে আকাশের একটা মেয়ে বাবু হলো।তবে আকাশ সবার সাথে খারাপ ব্যবহার করলেও কখনো নদীর সাথে করেনি।আসলে আকাশ মন থেকে নদীকে ভালোবাসে।তবে নদীর যে শশুর বাড়িতে থাকে এটা নদী কখনো মনেই করে না।কিন্তু শশুর বাড়িকে শুশুর বাড়ি মনে করা উচিত। আর নদীকে যদি আকাশের মামা কিছু বলতে চায়। নদীর থেকে আকাশ বেশি রেগে যায়।তাহলে আর কিছু বলার থাকে না।

এভাবে দেখতে দেখতে কয়েক বছর চলে গেল। নদীর মা একবার তার বাবার বাড়িতে থাকে আবার শশুর বাড়িতে থাকে। তারপর কিছু দিনের মধ্যে নদীর ভাই বিয়ে করে বউকে বিদেশে নিয়ে গেল।এদিকে আকাশ তার বউকে নিয়ে বাসায় আর থাকবে না।তবে আকাশ অন্য জায়গায় থাকবে কিন্তু টাকা পয়সা সব আকাশের বাবাকে দিতে হবে।কিন্তু এটা আকাশের মার পছন্দ না। সে বলে তোরা ইনকাম করে খা।যাইহোক এক পর্যায়ে আকাশ তার বউকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে আসল।এদিকে আকাশের শাশুড়ি একটা বাসা নিল।কিন্তু তারা সেখানে ও যাবে না। নদী বলেছে সে আকাশের ইনকাম ছাড়া কারো সাহায্য নেবে না। প্রয়োজনে না খেয়ে থাকবে।

আকাশ নদীকে অনেক ভালোবাসে তাই যেকোন কথা নদীর শোনতে পারবে।তবে সে অনেক আরামে থাকা মানুষ। এখন এত কষ্ট কিভাবে করবে।কিন্তু তার ভালোবাসার জন্য সে সকল কিছু করতে প্রস্তুুত। এটা দেখে আকাশের মা প্রথমে মনে কষ্ট পেলেও পরে তার কাছে ভালো লেগেছে। আসলে তার ছেলে ভালোবাসার জন্য হলেও ইনকাম করতে শিখছে।তারপর নদী কিছু টাকা পয়সা দিয়ে আকাশে বাইরে যাবার জন্য ট্রেনিং করালো। আকাশ ও বাইরে যাবার জন্য সকল পরীক্ষায় পাশ করল।তবে এখন তাদের তিনজনের বাইরে যেতে ত্রিশ লক্ষ টাকার দরকার। তখন নদী বলছে আকাশের বাবার কাছ থেকে টাকা আনতে।তারপর আকাশ তার বাবার কাছ থেকে টাকা নিতে আসল।[চলবে]



1000000176.gif

প্রলয়োজনীয়উপকরণ
ফটোগ্রাফার@parul19
ডিভাইসredmi note 12
লোকেসনফরিদপুর

আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি। আবার দেখা হবে অন্য কোন ব্লগে অন্য কোন লেখা নিয়ে। সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।

1000000175.png

আমি পারুল। আমার ইউজার নেম@parul19। আমার মাতৃভাষা বাংলা। বাংলাদেশ আমার জন্মভূমি।আমি ফরিদ পুর জেলায় বসবাস করি।আমার দুটি মেয়ে আছে। আমি বাংলাই লিখতে ও পড়তে ভালোবাসি। আমি নতুন নতুন রেসিপি তৈরি করতে ও ঘুরতে পছন্দ করি।এই অপরুপ বাংলার বুকে জন্ম নিয়ে নিজেকে ধন্যবাদ মনে করি।

1000000177.gif

1000000178.png

Coin Marketplace

STEEM 0.04
TRX 0.32
JST 0.082
BTC 60000.47
ETH 1565.58
USDT 1.00
SBD 0.42