ইফতার পার্টি
সত্যি কথা বলতে এখন আর আগের মত ইচ্ছা হয় না যে সকলে মিলে একসাথে বসে ইফতার করি। আগে বন্ধুবান্ধবের সাথে প্রায় রোজার মাসে ইফতার করা হতো। কিন্তু তার বিপরীতে এই রোজার মাসে তেমন কোন ইফতার পার্টি করা হয়নি। যদিও ভার্সিটি থেকে একটি ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়েছে আগামীকাল শুক্রবার। কিন্তু বন্ধুদের সাথে আলাদাভাবে ইফতার পার্টি করা হয়েছিল দুদিন আগে। তবে সেখানে অনেক ভালোই এনজয় করেছিলাম।
ঢাকা শহরে ইফতার করার জন্য রেস্টুরেন্ট কিংবা আরো ভালো ভালো অনেক জায়গা রয়েছে তবে আমাদের মত মধ্যবিত্তদের পকেটে এত পরিমাণে টাকা থাকে না যে একটা ভালো রেস্টুরেন্টে গিয়ে আমরা ইফতার করব। তাই আমরা বেছে নিয়েছি শহরাউদ্দি উদ্দান এবং সেখানে পরিবেশের খোলা আকাশের নিচে বসে ইফতার করার মজাটাই কিন্তু আলাদা।
তবে বেশি জন বন্ধু নিয়ে সেখানে আমরা ইফতার পার্টি করিনি। আমরা পাঁচজন ছিলাম এবং পাঁচজন নরমাল যেসব ইফতার থাকে সেগুলো কিনে নিয়ে আমরা ইফতার করার চেষ্টা করেছিলাম এবং সেই সাথে প্রাকৃতিক খোলা আকাশের নিচে বসে প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে ইফতার করেছিলাম যে অনুভূতিটা হয়তো হাজার টাকার রেস্টুরেন্টে বসে কখনোই পেতাম না।
আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি মাঝে মাঝে বন্ধুদের কেউ সময় দেওয়া দরকার এবং নিজেদের কথাগুলো মন খুলে তাদের সাথে শেয়ার করা দরকার। তাহলে হয়তো জীবনের যে ক্লান্তি ভাবটা রয়েছে সেটা অনেকখানি কমে যাবে এবং আমরাও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারবো। আবার যারা আমাদের ছোটবেলার বন্ধু রয়েছেন তারা আবার একদম ঈদের আগ মুহূর্তে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছে। গতকাল আমাকে ফোন দিয়েছিল যেহেতু নীলফামারী যাচ্ছি তাই সেই ইফতার মাহফিল ও ইনশাল্লাহ আমি শরিক হতে পারবো ধন্যবাদ সবাইকে।