প্রকৃত নির্দেশনা মেনে নিজেকে মুসলিম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করি
কথার মাধ্যমে নিজেকে মুসলিম বললেই মুসলিম হওয়া যায় না। মুসলিম হওয়া একটা সাধনার ব্যাপার। কাজে কর্মে আচার ব্যবহারে কথার মাধ্যমে নিজেকে মুসলিম প্রমাণ করতে হয়। পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করলেই আপনি মানুষ হবেন। পৃথিবীর প্রত্যেকটা ধর্মের পরিবারগুলোতে জন্মগ্রহণ করলে আপনি সেই ধর্মের অনুসারী হতে পারবেন। কিন্তু মুসলিম হওয়ার জন্য আপনাকে ইসলামের নির্ধারিত কিছু বিষয় রয়েছে যে বিষয়গুলো আপনাকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। ভর্তি হওয়ার জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে। আমাদের মধ্যে অনেকেই মনে করি ইসলাম ধর্মের পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছি বলেই আমি মুসলিম হয়ে গিয়েছি। এই ভুল ধারণাটা আমাদের সবার মধ্যেই রয়েছে যে মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেই মুসলিম হওয়া যায়। আমরা যদি একটু কোরআন কিংবা ইসলামের ইতিহাস নিয়ে পর্যালোচনা করি তাহলে এখানে কিছু বিষয় ক্লিয়ার করে বলা আছে। পবিত্র কোরআন এবং মহান আল্লাহ বলেছেন ।
হে মুমিনগণ তোমরা আল্লাহকে ভয় কর ঠিক যতটুকু ভয় করা উচিত এবং মুসলিম না হয়ে মৃত্যুবরণ করিও না। সূরা আল ইমরানের এই আয়াতটা পড়েই বুঝা যায় যে মুসলিমের যোগ্যতা অর্জন করতে হয় এটা জন্মসূত্র পাওয়া যায় না।
এছাড়া পবিত্র কোরআনের নূহ নবীর যে ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে সেটা যদি আমরা মনোযোগ সহকারে লক্ষ্য করি তাহলে আমরা খেয়াল করবো। নূহ নবীর যে ছেলেটি ছিল সে কিন্তু ইসলামের অনুসারী ছিল না। কিংবা নূহ নবী তাকে আল্লাহর যে নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলেছিল সে সেটাই বিরোধী ছিল। যার ফলাফল দেখা যায় যখন মহা প্লাবন আল্লাহর নির্দেশে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল তখন কিন্তু নূর নবীর ছেলে রক্ষা পায়নি। জন্ম সূত্রে যদি মুসলিম হওয়া যেত তাহলে নূহ নবীর ছেলে কিন্তু জন্মসূত্রে মুসলিম হয়ে যেত। সে ক্ষেত্রে সে কিন্তু মহাপ্লাবন থেকে রক্ষা পাওয়ার কথা। একজন নবীর ছেলে হয়েও সেই মহাপ্লাবন থেকে রক্ষা পেল না। অতএব বুঝাই যাচ্ছে আপনি মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহণ করলেই মুসলিম হতে পারবেন না। মুসলিম হওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।
যুগে যুগে কালে কালে আল্লাহ কিতাবের মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করেছেন। আর এই কিতাবগুলো প্রচার করার দায়িত্ব নিয়েছিলেন নবী রাসুলগণ। নবী রাসূলগণের প্রধান দায়িত্বই ছিল মানুষকে আল্লাহকে চেনানো এবং কিভাবে মুসলিম হতে হয় সেই পথ বলে দেওয়া। সুতরাং একজন প্রকৃত মুসলিম হতে চাইলে আমাদের অবশ্যই কিতাব পাঠ করতে হবে এবং মুসলিম হওয়ার বৈশিষ্ট্য গুলো জেনে নিতে হবে। তবে আমরা একজন প্রকৃত মুসলিম হিসেবে সমাজের প্রতিষ্ঠা হতে পারব এবং মহান আল্লাহর সামনে সম্মানের সাথে দাঁড়াতে পারবো। আসুন আমরা আমাদের কিতাব পবিত্র কোরআন পাঠ করি এবং মুসলিম হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করি। সকলে সঠিক এবং সহজ সরল পথ পাবো ইনশাল্লাহ।
ধন্যবাদ আপনাদের সবাইকে শেষ পর্যন্ত লেখাটি পড়ার জন্য ।
আরও একটি নতুন লেখা নিয়ে পুনরায় আপনাদের সামনে উপস্থিত হব
Bro you have downvoted my post.Please see my first post dated 25th I hope you will upvoteThank you.
I think it was mistake.. Sorry brother