ঝিঁঝিঁ'র আত্মহত্যা এবং কেনো আত্মহত্যা করে ?
ঝিঁঝিঁ'র আত্মহত্যা এবং কেনো আত্মহত্যা করে ? ঝিঝি'র এই আত্মহত্যা নিয়ে আপনাদের মনে নানা ধরণের প্রশ্ন জাগতে পারে । সেই প্রশ্নগুলোর চিরন্তন মারাত্মক কিছু তথ্য আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো । প্রকৃতির কারবার বোঝার সাধ্য আমাদের নাই। ভাঙাগড়নের খেলায় বাধ্যগত দাস হল প্রাণীজগত । আমরা যারা গ্রামে বসবাস করেছি তাঁরা জানি আসলে ঝিঁঝিঁ কি আর শহরে হয়েছি তাঁরা হয়তো বাঁ জানি কোনো সিনেমা,নাটক অথবা কোনো গল্পের মাধ্যমে ।এই ঝিঁঝিঁ পোকা সাধারণত রাতের বেলায় ডাকে দিনের বেলা খুব বেশি শোনা যায় না ডাক। খুব বেশি দেখা না গেলেও তাদের গলার সুর শুনে আমরা ঠিক বুঝতে পারি ঝিঁঝিঁ পোকা ডাকছে । কিন্তু ঝিঁঝিঁ'র পথচলায় সামান্য কিছু ভুল হওয়ায় জীবন দিতে হয় আত্মহত্যা করে ।পৃথিবীর সকল প্রাণীকেই জীবন ধারণের জন্য খাদ্য গ্রহন করতে হয় ।ঝিঁঝিঁও তার ব্যতীক্রম নয় ।ঝিঁঝিঁ খাদ্য সংগ্রহরের জন্য বিভিন্ন পোকা- মাকড়ের মল এ যখন লাগায় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এই মল জমে থাকা সূতা কৃমির জীবানু ঝিঁঝিঁ'র পেটে ঢুকে যায় ।এরপর থেকেই বাঁজতে থাকে ঝিঁঝিঁর মরনঘন্টা । ভুলক্রমে আহারের সাথে সূতা কৃমি পেটে ঢুকে এখানেই ঝিঁঝিঁর রক্তমাংস খেয়ে বড় হতে থাকে ।এক পর্যায়ে এই কৃমিগুলো ঝিঁঝিঁকে আত্মহত্যা করতে বাধ্য করে । আস্তে আস্তে পেটের ভিতর অসহ্য যন্ত্রনায় ঝিঁঝিঁ অসহায় হয়ে বাধ্য হয় রাতের গভীরে চাঁদের আলোতে পানিতে ঝাঁপিয়ে আত্মহত্যা করতে ।কিন্তু আত্মহত্যা এত সহজ নয় । পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ার পর ঝিঁঝিঁ'র পেটের ভিতরে থাকা সূতাকৃমিগুলো পেট চিঁড়ে আস্তে আস্তে কিলবিল করতে করতে বের হতে থাকে ।এইদিকে মৃত্যু হয় অসহায় ঝিঁঝিঁর ।।