শৈশবটা আসলেই রঙিন।
আজ- ৩০শে কার্তিক ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, হেমন্ত-কাল
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
ছবি এখান হতে নেওয়া হয়েছে।
আসলে শৈশব নিয়ে যতই কথা বলা হবে ততই যেন কম হবে। কারণ আমাদের শৈশব ছিল এতটাই রঙিন যেখানে কোন রঙের আর বাদ থাকে না। যদি কখনো সুযোগ থাকতো শৈশব কিনে নেওয়ার তাহলে আমি আমার জীবনের সমস্ত কিছু দিয়ে হলেও শৈশবটা কিনে নিতাম। কিন্তু সেটা তো হওয়ার নয়। যে সময় চলে গিয়েছে সেটা আর ফিরে পাওয়ার নয়। শৈশব এখন শুধুমাত্র আমাদের স্মৃতির পাতায় থেকে যাবে। আর মাঝে মাঝে আমরা চাইলে শুধুমাত্র স্মৃতির সেই বইটি থেকে পাতা উল্টিয়ে উল্টে সুন্দর সুন্দর কিছু ঘটনা মনে করতে পারি তাছাড়া আমাদের আর বেশি কিছু করার নেই।
আমাদের জীবনের শৈশবটা আসলে একটা রঙিন বক্সের মত। বক্স খুললেই খুঁজে পাওয়া যাবে সুন্দর সুন্দর স্মৃতি, সুন্দর মুহূর্ত, ভালো লাগার কিছু ঘটনায়। আর এ রঙিন বক্সটিকে আমরা প্রত্যেকে আমাদের মনের কোনে খুব সযত্নে রেখে দিয়েছি।
শৈশবের সাদাসিদা ওই জীবন যাপন আসলেই অনেকটাই সুন্দর ছিল । এখনকার জেনারেশনের বাচ্চাদেরকে দেখা যায় তাদের শৈশবটা অনেকটা সময় পার করছে মোবাইল কিংবা কম্পিউটার কিংবা টিভির সামনে বসে। কিন্তু আমাদের সময়টা এমনটা ছিল না। আমাদের সময় আমাদের শৈশবটা টা কাটতো মাঠে ঘাটে কাদামাটি ধুলাবালিতে খেলে দুলে। বন্ধুদের সাথে মারামারি ঝগড়াঝাটি কান্নাকাটি এরপর সালিশ বিচার এরকমই ছিল আমাদের শৈশবটা। এরপর মায়ের হাতে উত্তম মাধ্যম মার, এগুলো তো ছিল খুবই সাধারণ ঘটনা।
এরপর খেলনা কেনা নিয়ে কান্নাকাটি মাটিতে গড়াগড়ি। নতুন কোন খেলনা সর্বোচ্চ থাকতো দুইদিন না হয় তিন দিন। এরপর খেলনা গুলোকে ভেঙে ভিতরে কি আছে তা দেখার জন্য ব্যাকুল হয়ে যাওয়া। এরপর খেলনা ভেঙে ম্যাগনেট গুলোকে নিয়ে নেওয়া। আমি আসলে ছোটবেলায় প্রচুর খেলনা ভেঙে ফেলতাম শুধুমাত্র খেলনার ভেতরেই ম্যাগনেট গুলো নিয়ে নেওয়ার জন্য।
শৈশবের সকল ঘটনা আসলে সবসময় মনে থাকে না কিছু ঘটনা পরিবার কিংবা আত্মীয়-স্বজনদের মুখ থেকে যখন শোনা হয়। তখন যেন আমাদের শৈশবে স্মৃতির সাথে নতুন করে কিছু যোগ হয়।
যাইহোক, আজ এ পর্যন্তই। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। দেখা হবে পরবর্তী দিন আবার অন্য কোন বিষয় নিয়ে। আল্লাহ হাফেজ।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Thank you, friend!


I'm @steem.history, who is steem witness.
Thank you for witnessvoting for me.
please click it!
(Go to https://steemit.com/~witnesses and type fbslo at the bottom of the page)
The weight is reduced because of the lack of Voting Power. If you vote for me as a witness, you can get my little vote.
প্রত্যেকটা মানুষের জন্ম থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত যদি সুখের সময় বলা হয়ে থাকে তাহলে সেই সময়টা শৈশবকাল। প্রত্যেকটা মানুষের শৈশবের জীবনটা মধুময়। শৈশবের দিনগুলো কখনো ভোলা যায় না। যেখানে পিছনে ফেরার কোন সময় নেই সামনে কি হবে সেটা ভাবার বিষয় না। যেখানে কোন বাধা ধরার নিয়ম নেই। শৈশবের এই জীবন প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে বড় স্মৃতি হয়ে থাকবে।
This post has been upvoted by @italygame witness curation trail
If you like our work and want to support us, please consider to approve our witness
Come and visit Italy Community
Hi @moh.arif,
my name is @ilnegro and I voted your post using steem-fanbase.com.
Come and visit Italy Community
বেশ দারুন বলেছেন তো। আমাদের শৈশব হলো আমাদের মনের কোনে রাখা রঙিন বাক্স। যখনই মনে চায় উকিঁ মেরে কিন্তু আমরা আমাদের সেই রঙিন দিন গুলো কে দেখতে পারি। ভাইয়া আমার মনে হয় প্রতিটি মানুষের শৈশবের স্মৃতিগুলো কে আপনি আপনার পোস্টের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। মায়ের হাতের সেই বকুনী আর বন্ধুদের সাথে মারামারি কিন্তু আজও ভুলিনি। দারুন ছিল আজকের পোস্টটি।
আসলেই ভাই আমাদের শৈশবটা রঙিন ছিলো। তাইতো বারবার ফিরে যেতে ইচ্ছে করে সেই মধুর শৈশবে। সারাদিন কতো ধরনের খেলা খেলতাম এবং কতো দৌড়াদৌড়ি করতাম। বৃষ্টির মধ্যে ফুটবল খেলে বাসায় আসার পর মায়ের হাতে ইচ্ছেমতো মার খেতাম। তবুও আবার ছুটে যেতাম মাঠে। আর এখনকার বেশিরভাগ বাচ্চারা মোবাইল নিয়েই থাকে সারাক্ষণ। যাইহোক এতো চমৎকার একটি পোস্ট আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।
জি আপনি একদম ঠিক বলেছেন, সবার শৈশব রঙিন ছিল অনেকটা রঙিন বক্সের মতো।তবে বর্তমান সময়ে শিশুরা আগেকার সেই রঙিন শৈশব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।আধুনিক সব ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার এর জন্য।নতুন নতুন খেলনা ভেঙে ম্যাগনেট নিয়ে নেওয়া এই কাজটি আমার ভাই ও করে দেখি।ভালো লেগেছে আপনার পোস্টটি।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।
ভাই আপনার পোস্ট যখন থেকে পড়া শুরু করেছি প্রতিটা কথা হৃদয়ে কিছুটা হলেও সারা জাগিয়ে তুলেছে। কারণ শৈশবের যে মুহূর্তটা সত্যিই অনেক মধুর ছিল। সাদামাটা হলেও জীবনের সেরা মুহূর্ত ছিল। কত ধরনের খেলাধুলায় মেতে থাকতাম। প্রযুক্তির যে ব্যবহার সেটা তখন শৈশবের মুহূর্তে কেউই স্পর্শ করতে পারেনি । গ্রামের সকল সমবয়সীরা একত্রিত হয়ে খেলাধুলায় মাতো হারা হয়ে যেতাম। বর্তমান সময়ে সেটা আর দেখতে পাই না গ্রাম অঞ্চলে শহরের মতো হয়ে গিয়েছে সবাই আলাদাভাবে জীবন যাপন করে। নিজের সন্তানদের প্রযুক্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছে।
শৈশবে খেলনার মধ্যে প্রিয় ছিল বন্ধুক আর প্লাস্টিকের মেবাইল। যেটাতে গান শোনা যেত সাথে রাতের বেলা আলোও দেখা যেত। আর প্রিয় ছিল বিড়াল জুতা! প্যাপু প্যাপু শব্দ করে সাড়া বাড়ি হাটাঁহাটিঁ! এইতো আমার হারানো শৈশব। এখনকার জেনারেশন এসব বুঝে না। তারা প্লাস্টিকের মোবাইল থেকেও স্মার্টফোনে বেশি আনন্দ পায়