নগরের জীবন।
আজ- ২৩শে কার্তিক ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, হেমন্তকাল
আসসালামু-আলাইকুম। আদাব - নমস্কার। মাতৃভাষা বাংলা ব্লগিং এর একমাত্র কমিউনিটি আমার বাংলা ব্লগ এর ভারতীয় এবং বাংলাদেশী সদস্যগণ, আশা করি সবাই ভাল আছেন।
এ যান্ত্রিক জীবনে আমরা যন্ত্রের মধ্য প্রতিনিয়ত ছুটে চলছি। এখন যদিও গ্রাম এবং শহর দুটোই সমান তালে উন্নয়ন হচ্ছে তারপরও শহরের জীবন যেন গ্রামীণ সে জীবন গুলো থেকে অনেকটাই ভিন্ন।
আজও অনেক গ্রামে ভালো ডাক্তারের ব্যবস্থা নেই ভালো চিকিৎসার অভাবে রোগীরা প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়ছে। এখনো গ্রামের অনেক মানুষ আছে যারা ভালো চিকিৎসার জন্য শহরগুলোতে আসে। নিঃসন্দেহে তাদের শহরের আসাটা একটি দুর্ভোগের মতো। কোন আত্মীয়-স্বজন কিংবা হোটেলগুলোতে থেকে শহরের চিকিৎসা করে তাদের গ্রামে বাড়িতে ফিরতে হয়।
তাছাড়া গ্রামে ভালো শিক্ষার ব্যবস্থা নেই ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য আসতে হচ্ছে শহরে। এত কিছু সুযোগ সুবিধা থাকার পরেও শহর জীবন কেমন যেন নিষ্প্রাণ গ্রামীণ জীবন থেকে।
শহরের জীবনের এই চাকচিক্যর আড়ালে রয়েছে বিষাদ। গ্রামীন জীবনটাই না কত সুন্দর প্রকৃতির কত কাছাকাছি উন্মুক্ত পরিবেশ। আশেপাশের মানুষ জন আত্মীয়-স্বজন সবাইকে নিয়ে দারুন উপভোগ্য একটি জীবন।
নগরের এই বড় বড় দালানের মাঝে ছোট ছোট ঘর গুলোতে কতই না বৈচিত্র লুকিয়ে রয়েছে। কত দুঃখ, কত আনন্দ কত রকমেরইনা ঘটনা ঘটে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত ।
মাঝে মধ্যেই আনমনে দাঁড়িয়ে ছোট ছোট এই ঘরগুলোর ভিতরের আত্মকাহিনী গুলো যেন শুনতে মন চাই। এত চাকচিক্য এত কোলাহলের ভেতরের প্রত্যেকটি মানুষকি সুখী? নাকি শুধুমাত্র বেঁচে থাকার জন্যই বেঁচে আছে তারা এই যান্ত্রিক জীবনে।
সকলকে ধন্যবাদ অনুচ্ছেদ টি পড়ার জন্য।
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
VOTE @bangla.witness as witness
OR
আমার মনে হয় শুধুমাত্র বেঁচে থাকার জন্যই বেঁচে আছে তারা এই যান্ত্রিক জীবনে। কারণ শহুরে জীবনে শুধুমাত্র বিভিন্ন ধরনের সুযোগ সুবিধা পাওয়া যায়। আর যারা প্রকৃতিকে ভালোবাসে,তাদের কাছে গ্রাম্য জীবন বেস্ট। যাইহোক পোস্টটি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।