হযরত আওফ ইবনে মালেকের পুত্রের বিস্ময়কর ঘটনা
হযরত আওফ ইবনে মালেকের পুত্রের বিস্ময়কর ঘটনা
অনেক হাদীসে এই ঘটনা উল্লেখ করা হইয়াছে যে, হযরত আওফ এবনে মালেক (রাযিঃ এর পুত্রকে কাফেররা কয়েদ করিল এবং চামড়ার রশি দ্বারা খুব মজবুত করিয়া বাঁধিয়া রাখিল । তাহার উপর অত্যন্ত কঠোর নির্যাতন করা হইত। তাহাকে ক্ষুধার্ত রাখা হইত। তিনি তাহার পিতার নিকট কোন রকমে নিে জর অবস্থা জানাইয়া খবর পাঠাইলেন, যেন হুযুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট তিনি দোয়ার জন্য আবেদন করেন। যখন হুযূর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জানিতে পারিলেন, তখন বলিলেন, তাহার নিকট এই বলিয়া পাঠাও যে , সে যেন আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করিতে থাকে (তাকওয়া অবলম্বন করে) এবং তাঁহারই উপর তাওয়াক্কুল করে এবং সকাল- সন্ধ্যা এই আয়াত (তওবাঃ১২৮) পরিতে থাকে । তাহার নিকট যখন এই সংবাদ পৌছিল, তখন তিনি এই আয়াত পড়িতে শুরু করিলেন। একদিন আপনা আপনিই সেই রশি ছিড়িয়া গেল। তিনি তাহাদেও কয়েদ হইতে ছুটিয়া পালাইয়া আসিলেন এবং তাহাদের কিছু পশু ইত্যাদিও ধরিয়া লইয়া আসিলেন। হযরত ইবনে আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, যে ব্যক্তির কোন বাদশাহের জুলুমের ভয় হয় অথবা কোন হিংস্র জন্তুও অথবা সমুদ্রে ডুবিয়া যাইবার ভয় হয়, সে যদি উক্ত আয়াত শরীফ তেলওয়াত কওে তবে ইনশাআল্লাহ তাহার কোন ক্ষতি হইবে না। অন্য এক হাদীসে এই ঘটনার মধ্যে লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ-ও বেশী পরিমাণে পড়িবার হুকুম বর্ণিত হইয়াছে। আওফ ইবনে মালেক (রাঃ) এর পুত্রের ঘটনা প্রসঙ্গেই এই আয়াত শরীফ নাযিল হইয়াছেঃ অর্থাৎ যে আল্লাহকে ভয় করে আল্লাহ তায়ালা তাহার জন্য রাস্তা খুলিয়া দেন এবং এমন জায়গা হইতে তাহার রিযিক পৌছাইয়া দেন যেখান হইতে তাহার ধারণাও হয় না । ( তালাকঃ ২-৩) আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসা করে আল্লাহ তাযালা তাহার জন্য যথেষ্ট । সেই সাহাবীর এই ধারণাও ছিল না যে, এই কাফের, যে এমন কঠিন জুলুম করিতেছে- তাহারই সম্পদ হইতে তাহার রিযিক নির্ধারিত রহিয়াছে।
Congratulations @mizan570! You have completed some achievement on Steemit and have been rewarded with new badge(s) :
Click on the badge to view your Board of Honor.
If you no longer want to receive notifications, reply to this comment with the word
STOPTo support your work, I also upvoted your post!
tx for comments