একশো আঠাশ বছরের Ralli's
নমস্কার বন্ধুরা,
সেদিন মহাত্মা গান্ধী রোডে যেতে হয়েছিল মূলত গুচ্ছ কাজকর্ম হাতে নিয়ে। চাঁদনি চক সংলগ্ন কলকাতার এই রাস্তা সবসময় একইরকম দেখছি, ব্যস্ত মানুষের ভিড়, খাবারের দোকান আর অলি গলিতে দোকান। সেই সবের মাঝে হাঁটতে হাঁটতে শরীরটা কিছু তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে গলা শুকিয়ে কাঠ। ঠিক সেই সময়েই চোখে পড়ল কলকাতার জুস এবং পানীয়র অত্যন্ত চেনা নাম, Ralli’s। ১৮৯৮ সালে স্থাপিত এই জুস আর পানীয়র দোকানটা শুধু একটা দোকান নয়, সময়ের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকা এক জীবন্ত স্মৃতি। কত মানুষ ক্লান্ত, তৃষ্ণার্ত হয়ে একটু স্বস্তির খোঁজে এখানে দাঁড়িয়েছে, কত যুগল তাদের গলা ভেজানোর জন্য এখানে এসেছে তার ইয়ত্তা নেই। হেঁটে যখন যাচ্ছিলাম সেই সময় যখন নজর পড়লো দোকানের সামনে দাঁড়ালাম। দোকানের সামনে দাঁড়াতেই ঠান্ডা পানীয়ের বোতল, সিরাপের রঙিন সারি নজর কেড়ে নিল।
তৃষ্ণা এখানেই মিটিয়ে নেব ভেবে দাঁড়িয়ে ভাবছিলাম কী খাবো। তালিকা এত লম্বা চোখ ঘুরে যাবে, শরবত, মিল্ক শেক, ফ্রুট জুস আর কত কী! লম্বা তালিকা দেখে নিজের জন্য কিছু বেছে নিতে পারছিলাম না তখন দোকানে দাঁড়ানো ভদ্রলোককে বললাম তিনি যেটা পছন্দ করে দেবেন সেটাই খাবো। সিদ্ধান্তটা তার হাতেই ছেড়ে দেওয়ার সময় বললাম, আপনার পছন্দের কিছু একটা বানিয়ে দিন। ভদ্রলোক একটু হাসলেন। আমাকে তার পছন্দের কেশর দুধ খাওয়ার জন্য বললেন। আমিও তাতে সম্মতি জানাতে উনি কাজে লেগে গেলেন। কয়েক মুহূর্ত পর আমার হাতে এসে পড়ল এক গ্লাস কেশর মিল্ক শেক। আমি বরফ দিতে নিষেধ করেছিলাম তাই এক টুকরো বরফ তাতে আসেনি।
গ্লাস হাতে নিয়ে প্রথম চুমুকেই গলা ভিজে গেল আর নিমিষেই শরীরটা ঠান্ডা হালকা হয়ে গেল। কেশরের মৃদু সুবাস, দুধের নরম মোলায়েম স্বাদ, গলার ভেতর দিয়ে নামতেই ক্লান্তি নিমিষে কমে গেলো। তাছাড়া যে বিষয়টা তাদের সবচাইতে ভালো লাগলো দোকানের হাইজিন। পুরো কাজটাই হাতে গ্লাভস পড়ে হচ্ছে এবং যা কিছু জিনিস ব্যবহার হচ্ছে সবই অত্যন্ত পরিষ্কার এবং পরিচ্ছন্নতার সাথে। যেমন আমি স্বাদ পেলাম তেমনি আমি অত্যন্ত তৃপ্ত হলাম তাদের পরিছন্নতায়।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS