পায়ে পায়ে কলকাতা: পর্ব ৫
নমস্কার বন্ধুরা,
মেমোরিয়ালের এক অংশে নেতাজি সংগ্রহালয় করে রাখা হয়েছে যেটা বছরে প্রত্যেকটা সময় একই রকম থাকে। আরেকটা অংশে করা হয়েছে গ্যালারি। যেখানে সারা বছরই বিভিন্ন ধরনের ছবির এক্সিবিশন হয়, সেটা হাতে আঁকা কিংবা ক্যামেরা বন্দি। ভারতীয় চিত্রকলা থেকে শুরু করে পাশ্চাত্য চিত্রকলার সব ধরনেরই ছবি সময় অনুযায়ী দেখানো হয়। আমরা যখন গিয়েছিলাম তখন চলছিল ইয়াং মাইন্ড দ্বারা পরিচালিত বিশেষ কিছু ফটোগ্রাফির এক্সিবিশন।
মেমোরিয়ালের নেতাজি সংগ্রহালয়ের পাশাপাশি যে আরো এক্সিবিশন সারাক্ষণ চলতে থাকে সে ব্যাপারটার তাদের ওয়েবসাইট থেকে কিছুটা হলেও অনুমান করেছিলাম। তবে উনবিংশ শতাব্দীর স্থাপত্যের কারুকার্যের মধ্যে প্রাকৃতিক দৃশপটের এক্সিবিশন যেন একটু ভিন্ন রকমের ভালো লাগছিলো।
মূলত প্রকৃতির এবং প্রকৃতি সংক্রান্ত ছবি এখানে সাজানো ছিল। যেগুলো ছিলো বিভিন্ন ফটোগ্রাফারদের হাতে তোলা, ছবিগুলো সহ আশপাশটা দেখে দেখে আমরা ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। তার সাথে ছিল ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল এর অসাধারণ হল ঘর। যার উপর দিকটা ততটাই সুন্দর যতটা ভিক্টোরিয়া বাইরেটা। ছবিগুলো ঘুরে ফিরে যখন দেখছিলাম তখন তার মধ্যে আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছিল নয়ন খানোয়ালকারের ওয়াটারিং হোল, যেখানে এক বাঘিনী মা এবং তার চারটে বাচ্চা সাথে জল খাওয়ার ছবি।
হাতে কিছুটা সময় থাকলে বেশ ভালো হতো। কারণ ছবিগুলো আরো ভালো করে দেখতে পেতাম কিন্তু আমাদের বেশ কিছু জায়গায় যাওয়ার ছিলো ওদিকে হাতের সময় অত্যন্ত কম। তাই আমরা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল থেকে বেরিয়ে পড়লাম....
| 250 SP | 500 SP | 1000 SP | 2000 SP | 5000 SP |
ইস্ তাড়াহুড়ার জন্য এক্সিবিশনটা একটু ভালো করে দেখার সুযোগও হলো না। এমন এক্সিবিউশন দেখতে যাওয়ার মত আলাদা সময় পাওয়া ও তো অনেক সময় সাপেক্ষ। কিন্তু আর কিছুক্ষন থেকে আরও কিছু এক্সিবিশন দেখলেও তো পারতেন। আমার তো ভালোই লাগছিল।
ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল ঘরেরর উপরের দিকটা আসলেই তো অনেক সুন্দর।ফটোগ্রাফি তে দেখা যাচ্ছে।মেমোরিয়ালের বিভিন্ন অংশে বিভিন্ন সংগ্রহালয় রয়েছে।ফটোগ্রাফারদের তোলা প্রকৃতির ফটোগ্রাফিও দেখতে ভালো লাগছে।এর মধ্যে থেকে আপনার একটি ছবি ভালো লেগেছিল ওয়াটারিং হোল।ধন্যবাদ ভাইয়া সুন্দর পোস্টটি শেয়ার করার জন্য।