শিবনিবাস শ্রী রাম এবং দেবী সীতা মন্দির
নমস্কার বন্ধুরা,
শিবনিবাসের ঐতিহাসিক মন্দির প্রাঙ্গণে শৈব ও বৈষ্ণব সংস্কৃতির অপূর্ব সহাবস্থান। সেটার প্রমাণ হলো শিবনিবাসের ভগবান শ্রী রাম এবং মা সীতার মন্দির। মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ১৭৬২ সালেই এই মন্দিরটি নির্মিত হয়। মন্দিরটি একটি উঁচু ভিত্তিবেদির ওপর স্থাপিত। মূল গঠনশৈলী চার চালাবিশিষ্ট। মন্দিরটি আংশিক দালানের ওপর তৈরী। লক্ষ্য করবার বিষয় হলো দালানের প্রতিটি ছাদ সমদ্বিবাহু আকৃতির এবং সেই কারণে গর্ভগৃহের ছাদগুলোর গঠনও বেশ ভিন্ন ধরনের। বাংলার মন্দিরের ত্রিভুজাকার ছাদের মতো না হয়ে, অনেকটা ঘণ্টার মতো দুর্লভ আকৃতির। শুধু তাই নয়, দালান ও শিখরের ভেতরের খিলানগুলো ইউরোপীয় গথিক রীতি অনুযায়ী। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের এই স্থাপত্যের দারুন মেলবন্ধন।
মন্দিরের গর্ভগৃহে এক পরম আধ্যাত্মিক পরিবেশ। মূল গর্ভগৃহে পূজিত হচ্ছেন কষ্টিপাথরের তৈরি শ্রী রামচন্দ্রের, আর তাঁর পাশেই শোভা পাচ্ছেন অষ্টধাতু দিয়ে নির্মিত দেবী সীতা ও লক্ষ্মণের অপরূপ মূর্তি। এই মন্দিরটির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো, টেরাকোটার কারুকার্য। পৌনে চারশো বছরের পুরোনো মন্দিরের শিখরে এখন অক্ষত টেরাকোটার ছাপ।
মন্দিরে এক অদ্ভুত ঐশ্বরিক আবহ! বাইরে কোলাহল হলে মন্দিরের ভেতরে শান্ত। ঈশ্বরের স্নিগ্ধ রূপ দেখে আমি অভিভূত। যেহেতু এখানে বিদেশী আক্রান্তারা আসেনি তাই মন্দিরের প্রতি দিক অক্ষত অবস্থায়। পৌনে তিনশো বছর ধরে কত ঝড়, কত মানুষকে বিস্ময় করেছে চূর্ণী নদীর ধারের এই পুণ্যভূমি।
"আমার বাংলা ব্লগ" কমিউনিটির প্রথম MEME Token : $PUSS by RME দাদা
"আমার বাংলা ব্লগের" প্রথম FUN MEME টোকেন $PUSS এখন SUNSWAP -এ লিস্টেড by RME দাদা
X-প্রোমশনের ক্ষেত্রে যে ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন,
@sunpumpmeme @trondao $PUSS