লাইফ স্টাইল // ছোট ভাই ও বন্ধুর সাথে রাতে মুড়ি খাওয়ার আড্ডা
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (০৮-০৯-২০২৩)
আসসালামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি ছোট ভাই ও বন্ধুদের সাথে রাতে মুড়ি খাওয়ার আড্ডা। আসলে প্রত্যেকদিন বেশ ব্যস্ত সময় পার করতে হয়। সকাল বেলায় ঘুম থেকে উঠে আজকে আর্জেন্টিনা বনাম ইকোয়েটারের ফুটবল খেলা দেখেছিলাম। তারপরে খেলাটা আপনাদের মাঝে রিভিউ এর মাধ্যমে শেয়ার করেছিলাম। তারপরে আজকে সারাদিন বেশ ব্যস্ততার মাঝেই কাটে। দুপুরবেলায় গোসল শেষ করে নামাজের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিলাম। নামাজ থেকে ফিরে খাওয়া দাওয়া করে আপনাদের সাথে অল্প একটু যুক্ত হয়েছিলাম। তারপরে ঘুমিয়ে গেছিলাম বিকেল বেলায় উঠে পোস্ট লেখা শুরু করেছি। তবে চলুন আপনাদের মাঝে পোস্টটি শেয়ার করা যাক.....
| ক্রমিক নম্বর | উপাদান |
|---|---|
| ১ | এক প্যাকেট মুড়ি |
| ২ | এক প্যাকেট চানাচুর |
| ৩ | ছোলা |
| ৪ | মরিচ |
| ৫ | পিঁয়াজ |
| ৬ | তেল |
| ৭ | লবণ |
| ৮ | লেবু |
মুড়ি মাখানো শুরু হওয়ার আগ মুহূর্তে সবাই মিলে যখন মরিচ ও পিঁয়াজ কাটছিল তখন আমি অনেক সুন্দর ভাবে একটি ছবি তুলে রেখেছিলাম আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বলে। আসলে মেসের ছোট ভাইদের সাথে সব মিলিয়ে এমনভাবে প্রতিদিন আড্ডা দিতে বেশ ভালোই লাগে।
আপনার ওপরে ছবি দেখে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন মুড়ি মাখানোর আগে আমি অনেক সুন্দর ভাবে আপনাদের মাঝে মরিচ ও পিঁয়াজ কেটে ছবি তুলে শেয়ার করেছি। আসলে মুড়ি মাখানোর সময় মরিচ যত বেশি দেওয়া যায় মুড়ি খেতে তত বেশি টেস্ট লাগে। তাই আমরা মরিচ ও পিঁয়াজ একটু বেশি দিয়েছিলাম মুড়ির খাওয়ার সময় আপনারা লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন।
এবার আপনার উপরে ছবি দেখে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি অনেক সুন্দর ভাবে আবারও লেবু কেটে লেবুর ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে লেবু দিলে মুড়ি খেতে সব থেকে বেশি টেস্ট লাগে। মুড়ি খাওয়ার সময় লেবু যখন দাঁতের নিচে পড়ে তখন সব থেকে বেশি মজা লাগে। আপনারা যদি এভাবে কখনো মুড়ি মাখিয়ে না খেয়ে থাকেন অবশ্যই খেয়ে দেখবেন কেমন টেস্ট লাগে।
এবার আপনারা উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি অনেক সুন্দর ভাবে এক প্যাকেট মুড়ির ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে এইসব বাজার করার সময় দোকানে আমি গিয়েছিলাম। এক প্যাকেট মুরগির দাম নিয়েছিল ৪৫ টাকা। আসলে এই মা মুড়ি খেতে বেশ ভালোই লাগে। মুড়ি গুলা প্যাকেটের মধ্যে বেশ ভালই শক্ত ছিল মুখের মধ্যে মুচমুচ করছিল।
আপনারা এবার উপর ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন। আমি অনেক সুন্দরভাবে মড়িতে দেওয়া তেল ধরে রেখে অনেক সুন্দর একটি ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে এটি মাংসের মসলার তেল। এই তেল দিয়ে মুড়ি মাখালে খেতে বেশ ভালোই লাগে। আমরা প্রায় দিনে মেসে মুড়ি পার্টি করে থাকি এভাবে।
এবার আপনার উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন আমি অনেক সুন্দর ভাবে চানাচুরের প্যাকেট হাতে ধরে রেখে ছবি তুলে শেয়ার করেছে। আসলে এক প্যাকেট চানাচুরের দাম নিয়েছিল ৯০ টাকা। এই বনফুড চানাচুর খেতে বেশ ভালোই লাগে। আমি প্রায় সময় এই চানাচুর খেয়ে থাকি।
এবার আপনারা উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন। অনেক সুন্দর ভাবে বিট লবণ হাতের উপরে ধরে রেখে একটি ছবি তুলে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আসলে বিট লবণ দিয়ে মুড়ি মাখালে খেতে বেশ ভালোই লাগে। আসলে এই মুড়ি খেতে খেতে বেশ মজা বুঝে গেছি তাই মুড়ি খাওয়ার আড্ডা আর বাদ দিতে পারছিনা।
আপনার এবার উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন। মসলাগুলো যখন সব গাবলার মধ্যে দেওয়া হয়ে গেছে। তখন একজন ছোট ভাই হাত দিয়ে অনেক সুন্দর ভাবে মাখাতে ছিল। সেই সময় আমি একটি ছবি তুলে রেখেছিলাম আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বলে। আসলে এভাবে মুড়ি মাখিয়ে একসাথে সবাই মিলে খাওয়া যে কি মজার বলে বোঝানো যাবে না।
এবার আপনারা দেখতে পারছেন মুড়ি মাখানো শেষ হয়ে গিয়েছে। তখন মুড়ি খাওয়ার আগ মুহূর্তে আমি সবাইকে নিয়ে একটি সেলফি তুলে রেখে দিয়েছিলাম আপনাদের মাঝে শেয়ার করব বলে। আসলে ছোট ভাইদের সাথে মেসে বেশ আনন্দ উপভোগ করে থাকি সবসময়। আসলে মুড়ি খেতে কি যে টেস্ট হয়েছিল বলে বোঝানো যাবে না মুড়ি না খেলে। আশা করি পোস্টে আপনাদের সকলের কাছে ভালো লাগবে। আপনাদের সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
Twitter link
ছোট ভাই এবং বন্ধুদের সাথে খুব ভালো সময় কাটিয়েছেন ভাইয়া। আমাদের সাথে মুড়ি মাখানোর রেসিপিটাও শেয়ার করলেন দেখে খুব ভালো লাগলো। এভাবে মুড়ি মাখানো এবং সবাই মিলে খাওয়ার মজাই আলাদা। সুন্দর এই মুহূর্ত এবং রেসিপি শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাকে।
ঠিক বলেছেন আপু আপনি এভাবে মুড়ি মাখিয়ে যদি সবাই মিলে খাওয়া যায় তাহলে বেশ মজাই লাগে। ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
এভাবে মুড়ি খেতে আমিও বেশ পছন্দ করি মামা, তবে সমস্যা হয় একটা গ্যাসের প্রবলেম। এর পরেও মাঝেমধ্যে বৃষ্টি ভেজা দিনে এগুলো খেয়ে থাকি আমি। বেশ ভালো লাগলো বন্ধুদের সাথে সুন্দর একটি আইটেম করতে দেখে।
ঠিক বলেছেন মামা এই সমস্যা সবারই হয়ে থাকে আমি মুড়ি খাওয়ার পরেই গ্যাসের বড়ি খেয়ে থাকি। ধন্যবাদ মতামত দেওয়ার জন্য।
ভাগ্নে সবাইকে মিলে একসাথে মুড়ি খাচ্ছো আর আমি বাদ থাকলাম এটা কি ঠিক হলো। তোমাদের এই বয়সে আমরা আমাদের বন্ধুদের নিয়ে অনেক মুড়ি খেয়েছি। রাত্রে দশটা বারোটা, একটা, দুইটা দেখাদেখি নেই যখন মন বলছে তখন খেয়েছে। সেসব মুহূর্তগুলো এখন মনে পড়লে নিজের কাছে অনেক খারাপ লাগে। ছোট ভাই এবং বন্ধুদের সাথে একত্রে মুড়ি খাওয়ার আড্ডা আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
আসলে মামা মুড়ি খেতে হলে আমাদের সাথে চলে আসেন যেকোনো সময় মুড়ি মাখিয়ে খাওয়াবো কোন সমস্যা নেই। আসলে এই বয়সে সবাই একটু বেশি মুড়ি মাখিয়ে খেয়ে থাকে।
আপনি তো ঠিক বলছেন ভাইয়া আসলেই ব্যস্ততা যেন পিছু ছাড়ে না। প্রতিদিন সকাল শুরু হয় রাত অব্দি সারাদিন পর্যন্ত ব্যস্ত থাকতে হয়। তারপরও শত ব্যস্ততার মাঝে নিজের ধারাবাহিক কাজ গুলো করার জন্য চেষ্টা করি। সবাই মিলে এভাবে মুড়ি মাখা খেতে খুবই ভালো লাগে। সবাই মিলে তো অনেক মজার করলেন মেসের মধ্যে অনেক। অনেক ধন্যবাদ খুব সুন্দর একটি মুহূর্ত কাটালেন। সেই সাথে আমাদের সাথে ভাগ করে নিলেন অনেক ধন্যবাদ।
আসলে আপু আমরা মেসে প্রায় দিন এমন মুড়ি পার্টির আড্ডা দিয়ে থাকে বেশ ভালই লাগে সকলে মিলে যখন একসাথে খাই।
আপনারা তো দেখছি অনেকগুলো উপকরণের সমন্বয়ে মুড়ি মাখিয়েছেন ভাই। এইভাবে মুড়ি মাখলে আসলে যে কারোরই খেতে ইচ্ছা করে। বিশেষ করে মাংসের তেল আর চানাচুর দেওয়ার ফলে সেটি খেতে আরও অনেক বেশি সুস্বাদু হয়ে গেছে বলে আমার মনে হচ্ছে। তার সাথে আবার পেঁয়াজ কুচি আর কাঁচা লঙ্কা কুচি , জাস্ট অসাধারণ।
আসলে আপু মাংসের তেল দিলে মুড়ি মাখানো খেতে সবথেকে বেশি টেস্ট লাগে।
মেস লাইফের দারুন একটি মুহূর্ত হলো এই সময়টা। আমি আমার মেস লাইফটাকে খুব মিস করি। বন্ধুদের সাথে দুষ্টামি করা,আড্ডা দেওয়া, জ্বাল মুড়ি বানিয়ে খাওয়া মহূর্ত গুলো ভুলা যায় না। লেবু আর বিট লবণ টা দেওয়ার কারনে স্বাদটা বেশি পেয়েছেন। ধন্যবাদ।
ঠিক বলেছেন ভাই মুড়ির ভিতরে লেবু আর বিট লবণ দেওয়ার কারণে মুড়ি খেতে বেশ ভালো লেগেছে।
মেস লাইফের সবথেকে মজার বিষয় এটা। আমিও যখন মেসে থাকতাম এইভাবে মুড়ি মাখিয়ে খেতাম সবাই। আমার কাছেও মুড়ির মধ্যে লেবু দিলে সেটা খেতে খুবই ভালো লাগে। যদি আমাকে দাওয়াত দিতেন তাহলে আমিও মুড়ি খেতে চলে যেতাম
আসলে মামা যেকোনো সময় চলে আসেন বন্ধুদের সাথে আবারও আপনাকে মুড়ি মাখিয়ে খাওয়াবো।