বিভিন্ন ধরনের পাখির খাবার
আসসালামু আলাইকুম/আদাব আমার বাংলা ব্লগ স্টিম কমিউনিটির বন্ধু গন আমি @kibreay001 বাংলাদেশ থেকে বলছি আজ (২৮-০৪-২০২৩)
আসলামু আলাইকুম আমার স্টিম বন্ধু গন আশা করি আপনারা অনেক ভালো আছেন । আপনাদের দোয়ায় আমিও অনেক ভালো আছি। আমি @kibreay001 আমি আজকে আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে যাচ্ছি বিভিন্ন ধরনের পাখির খাবার। গতকালকে ব্যস্ততার কারণে আপনাদের মাঝে পোস্ট শেয়ার করতে পারি নাই। আজকে তাই সকাল সকাল পোস্ট করতে চলে আসলাম। আসলে গতকাল আমাদের এলাকায় একটি অনুষ্ঠান ছিল তাই খুবই ব্যস্ত সময় পার করছিলাম। পাখির খামার দেখতে গিয়েছিলাম মূলত মোস্তাফিজুর মামা পাখির খামার তৈরি করবে এই জন্য। আমি একদিন দুপুর বেলার দিকে ঘুমিয়ে ছিলাম বাড়িতে। মুস্তাফিজুর রহমান হঠাৎ করে আমাকে ফোন দিয়ে বলে আমাদের বাড়িতে যেতে। বাড়িতে যাওয়ার পর মামা বলে চল একটা পাখির খাবার দেখে আসি আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে চলেন যাই। তারপরে আমি মুস্তাফিজুর মামা আর মুস্তাফিজুর মামার মেজো ভাই তিনজন মিলে চলে গেলাম পাখির খামার দেখতে। পাখির খামার দেখে সেখান থেকে আমরা পাখি কিনে নিয়ে এসেছিলাম মোস্তফিজুল মামার পাখির খামারের জন্য। তবে চলুন আজকে পোস্ট শেয়ার করা যাক......
প্রথমে আপনার উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দুটি কাকাতুয়া পাখি দেখতে পারবেন। আসলে আমরা যে পাখির খামার দেখতে গিয়েছিলাম সেখানে অনেকগুলো কাকাতুয়া পাখি ছিল। বিশেষ করে বাংলাদেশে কাকাতোয়া পাখির দাম এখন অনেক বেশি। মুস্তাফিজুর মামা দুইটি কাকাতুয়া পাখি সেখান থেকে কিনতে চেয়েছিল। কিন্তু পাখির দাম বলেছিল ৯০০০ টাকা। তারপর মুস্তাফিজ মামা বলল কাকাতোয়া পাখি কিনবে না। কাকাতুয়া পাখির খাঁচার পাশে আপনারা কাঠের ঢপ দেখতে পারছেন। কাকাতুয়া পাখি কাঠে ঢপের মধ্যে ডিম পেড়ে তাওয়া দেয়। তারপর সেই ডিম থেকে তারা বাচ্চা ফোটায়।
এবার আপনারা উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন একটি খাঁচার মধ্যে অনেকগুলো বাজরিকা পাখি রয়েছে। আসলে বাজরিকা পাখি আমাদের দেশে যেখানে সেখানে দেখা যায়। এই বাজরিকা পাখির দাম খুবই অল্প পরিমাণের। মোস্তাফিজুর মামা আমাকে বলেছিল প্রথমদিকে বাজরিকা পাখি দিয়ে খামার শুরু করা যাক আমি বলেছিলাম ঠিক আছে কোন সমস্যা নেই। তারপরে মুস্তাফিজুর মামা ৪০০ টাকা জোড়া করে । সেখান থেকে মোট তিন জোড়া পাখি কিনেছিল।
এবার আপনারা দেখতে পারছেন বাজরিকা পাখির খাবার এর ছবি তুলে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছি। আপনার উপরের ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন। এই খাবারের নাম হচ্ছে মূলত কাউন। দেখতে এগুলো পুরো ভৈরর চালের মত। আসলে এগুলো মাঠে বোনা হয়। এই খাবার বাজার থেকে ক্রয় করতে গেলে প্রায় প্রতি কেজির দাম ৭৩ টাকা।
এবার আপনাদের উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন দুটি পাখি অনেক সুন্দর ভাবে খাঁচার মধ্যে বসে ডিমে তাওয়া দিচ্ছে। আসলে পাখি দুটি তাদের ডিম থেকে বাচ্চা ফোটাবে বলে অনেক কষ্ট করে তাদের ডিম তাদের নিজের কাছে আগলে রাখে। এই পাখির বাজারে প্রায় ৬০০ টাকায় ২ পিস করে বিক্রয় করা হয়। আসলে এই পাখিটার নাম ভুলে গিয়েছি। আপনারা যদি কেউ জেনে থাকেন তাহলে কমেন্ট বক্সে লিখে দিয়েন।
এবার আপনার উপরে ছবির দিকে লক্ষ্য করলে দেখতে পারবেন চার পিস কাকাতুয়া পাখি একটি খাঁচার মধ্যে রাখা হয়েছে। আসলে চার পিস কাকাতুয়া সাদা কালারের পাখি দেখতে বেশ ভালো লাগছে। কাকাতোয়া পাখির মাথার উপরের ঝুটি আমার কাছে দেখতে সবথেকে বেশি ভালো লেগেছে। আমার কাছে পাখির খামার দেখার পরে মনে হয়েছে সব পাখির মধ্যে কাকাতুয়া পাখি চঞ্চল একটু বেশি।
এবার আপনারা দেখতে পারছেন অনেকগুলো ডাম রয়েছে ডামের মধ্যে পাখির খাবার। আসলে অনেকগুলো পাখি থাকার কারণে খাবার কিনে এনে রেখে দিয়েছে। দুইটি ডামের মধ্যে সেখানে পানি রয়েছে। তারপরে আপনারা একটি ডামের উপরে দুইটি ওষুধের বোতল দেখতে পারছেন এবং একটি ওষুধের পাতা দেখতে পাচ্ছেন। আসলে পাখিদের রোগ জীবাণু হয়ে থাকে ওষুধ দেওয়ার পর তারা রোগ জীবাণু থেকে মুক্ত হতে পারে। আসলে পাখিদের যদি বেশি রোগ জীবাণু আক্রান্ত হয় তাহলে অনেকগুলো পাখি মারা যায়। এই কারণে পাখির ঔষধ নিয়ে এসে সব সময় খামারে রেখে দিতে হয়।
এবার আপনারা দেখতে পারছেন সবার শেষে আমি আপনাদের মাঝে আমার নিজের একটি ছবি তুলে শেয়ার করেছি পাখির খামারের সাথে। আশা করি পাখির খামার আপনাদের কাছে ভালো লাগবে। মোস্তাফিজুর মামার এখন ছয়টা পাখি থেকে অনেকগুলো পাখি হয়ে গিয়েছে। আপনাদের সকলের মতামত নিচে কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে জানাবেন। আপনাদের সকলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা রইল।
আমি মোঃ কিবরিয়া হোসেন। আমি বাংলাদেশ খুলনা বিভাগে মেহেরপুর জেলার গাংনী থানায় কামারখালী গ্রামে বসবাস করি। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের সবাইকে জানাই প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি বর্তমানে একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। আমার মাতৃভাষা বাংলা। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে এবং লিখতে অনেক ভালোবাসি। সব থেকে আমি বেশি পছন্দ করি ফটোগ্রাফি করতে। আমি বেশিরভাগ সময় বিভিন্ন জায়গা ঘোরাঘুরি করে থাকি। কয়েকটি শখের মধ্যে আমার প্রধান শখ হচ্ছে ঘোরাঘুরি করা। সংক্ষিপ্ত আকারে আমি আমার নিজের পরিচয় শেয়ার করলাম আপনাদের মাঝে। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য শুভকামনা রইল।
(১০% প্রিয় লাজুক খ্যাঁক এর জন্য )
VOTE @bangla.witness as witness
OR
https://twitter.com/GKibreay/status/1651796080827453440?t=PeXK9eKZ6F_g7R7crpvQBw&s=19
আসলে পাখিগুলোর দাম এত বেশি ছিল তাই কিনতে পারিনি। চিন্তা রয়েছে পরবর্তী কোন এক সময় বাকিগুলো কিনব। পাখিগুলো দেখে খুবই ভালো লেগেছিল আমার।
ধন্যবাদ মামা এত সুন্দর ভাবে আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করার জন্য।
মামা ভাগিনা মিলে পাখি কিনতে গেলেন। যদিও আপনার আরেকটি মামা ছিল মোস্তাফিজ রহমান মিয়ার ভাই। তবে আমি নিজেও অবাক হয়ে গেলাম পাখিগুলোর দাম শুনে।কাকাতুয়া পাখি গুলোর দাম ৯০০০ টাকা একজোড়া। যাই হোক পরে অন্য পাখি কিনলেন শুনে খুব ভালো লাগলো। সত্যি বলতে এরকম পাখিগুলোর সামনে থেকে দেখতে অনেক ভালোই লাগে। অনেক সুন্দর করে পোস্টটি আমাদের মাঝে শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ঠিক বলেছেন আপু আপনি প্রথমবার আমিও কাকাতুয়া পাখির দাম শুনে বেশ অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করে পাশে থাকার জন্য।
ভাইরে ভাই পাখির এত দাম। একজোড়া পাখি ৯০০০ টাকা। মামা ভাগিনা মিলে পাখি দেখতে এবং কিনতে গেলেন। তবে আমি কখনো শুনিনি পাখিগুলো এত দাম। যাই হোক লাস্ট পর্যন্ত মোস্তাফিজ ভাই তিন জোড়া পাখি কিনলেন। এক জোড়া পাখি মাত্র ৪০০ টাকা করে। তবে আপনি খুব সুন্দর করে পাখিগুলোর ফটোগ্রাফি করেছেন। অনেক সুন্দর করে পাখি দেখার অনুভূতি আমাদের মাঝে শেয়ার করলেন।
ধন্যবাদ ভাই আপনার মূল্যবান মতামত শেয়ার করে পাশে থাকার জন্য। মোস্তাফিজুর মামার এখন তিন জোড়া পাখি থেকে অনেক পাখি হয়ে গিয়েছে।