মধ্যযুগের কবিতা থেকে নেওয়া, চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের "কালকেতু উপখ্যান"।
Hello,
Everyone,
How are you all in the coming winter? I am fine Today. I am here to share with you Chandimangal poetry by poet Mukundaram Chakraborty. I like the poem 'Kalketu Upakhyan' very much so I will try to present it in my language with you, I hope you will like it so let's start.
কবিতা এবং উপন্যাস আমার বরাবরই ভালো লাগে, আর সে ভালোলাগা থেকে আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব মধ্যযুগের কবিতা লিখেছেন।
কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের 'কালকেতু উপাখ্যান' এ যে নতুন একটা বৈশিষ্ট্য পরিচয় পাওয়া যায় তাতে তাকে একজন প্রতিভাবান জীবন সচেতন কবি হিসেবে বিবেচনা করা যায় । 'কালকেতু উপাখ্যান' কালকেতু ও ফুল্লরা গল্পটি খুবই সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন,
মূল কাহিনী বর্ণনা
মানুষের ঘরে দেবী করা হয়, সেই লক্ষ্যেইই স্বর্গের দেবরাজ ইন্দ্রর পুত্র নীলাম্বর শাপভ্রষ্ট হয়ে মর্তের বেদ ধুুর্মকেতু ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। এরপর তার নাম হয় কালকেতু নীলাম্বরের স্ত্রী ছায়া ও স্বামী অনুগামী হয়ে, অন্যদিকে, অন্যদিকে কিরাত নগরেরর সঞ্জয়কেতুর হীরামতির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন তার নাম রেখেছেন ফুল্লরা। কালকেতু ও ফুল্লরা কে উপযুক্ত বয়সে ববিবাহ দেয়া হয়েছে, এখানে কালকেতু ছিল অসীম শক্তির অধিকারী তার অনেক শক্তি ছিল। দেয়া হয়েছে, এখানে কালকেতু কে উপযক্সত তার অনেক শক্তি ছিল। কালকে তো পররশু শিকার করত আর সেই মাংস ফুল্লরাাজারে নিয়ে গিয়ে গিয়ে বিক্রি করতো এতেই তাদের অনেক দুঃখের সংসার চলতো।
একদিন, কালকেতু বনে গিয়ে শিকারের জন্য পশু দেখছিলেন না বেশ কিছুক্ষণ পরে দেবী চন্ডী এই স্বর্ণগোধিকা রুপ ধরে থাকেন। পরবর্তীতে কালকেতুর কোন কিছু না পেয়ে এই স্বর্ণগোধিকা কাকে বিরক্ত হয়ে কালকেতু গামছা বেঁধে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসে। দেবী তখন সুন্দরী নারী রূপে ধরে কালকেতুর বাড়িতে অবস্থান করে।কালকেতু অনেক শক্তি শালী একজন ব্যক্তি ছিল শিকার করতেন এবং সেই মাংস বিক্রি করে, তাদের এই সংসার চালাতেন যে দিন শিকার করতেন না সেদিন তারা খাবার খেতে পারতেন না। এবং তার এই পশু শিকারের জন্য বনের সকল পশু তার বিরুদ্ধে দেবীর কাছে বিচার দিয়েছিলেন এবং দেবীকে ফুল্লরা তার বারোমাস্যা কিভাবে পার করেন সে কষ্টের কাহিনী খুব সুন্দর ভাবে বর্ণনা করেছেন।
কালকেতু উপাখ্যান থেকে নেওয়া দেবী চণ্ডীর কাছে যখন ফুল্লার বলে বারোমাস্যা দুঃখের কথা
পাশেতে বাসয়া বামা কহে দুঃখের বাণী।
ভাঙ্গা কুড়্যা ঘরখানি পণে ছাওনি
ভেরেগুার খাম তার আছে মধ্য ঘরে
প্রথম বৈশাখ মাসে নিত্য ভাঙ্গে ঝরে
"পাপিষ্ট যষ্ঠ মাস পাপিষ্ট যষ্ট মাস বেঙেচের ফল খ্যায়্যা করি উপবাস।"
আষাঢ় মাসে মাংসের ছড়া লয়া বলি ঘরে ঘরে ।
কিছু খুদ কুড়াইয়া মিলে উদার না পুড়ে।
শ্রাবনের বরিষে মেঘ দিবস রজনী।
সিতাসেত দুই পক্ষ একই না জানি
ভাদ্র পদ মাসে বড় দুরন্ত বদলি,
নদ-নদী এককার আট দিকে জল
আশ্বিনে তাদের দুঃখের শেষ থাকে না কারণ,
" উত্তপ্ত বসনে বেশ করিতে বনিতা ।
অভাগী ফুল্লার করে উদারের চিন্তা।
মাংস কেহ না আদরে মাংস কেহ না আদরে।
দেবীর প্রসাদ মাংস প্রতি ঘরে ঘরে"
এভাবে তিনি বারো মাসের বর্ণনা দিয়েছেন।
স্বামী বণিতার যে বিধাতা
স্বামী যে পরমধন
স্বামী বিনে অন্যজন
কেউ নহে সুখ-মোক্ষ দাতা'
দেবী ফুল্লার কাছ থেকে সম্পূর্ণ ঘটনা শোনার পরে, দিবি তখন দেবী চণ্ডী, কালকেতু ও ফুল্লরা কাছে তার নিজের পরিচয় দিয়ে তাদের কে অনেক সম্পদ দান করেন দেবী চণ্ডী, কালকেতু দেবী প্রদত্ত বনে গুজরাট নাগরীর পত্তন করে নিজের রাজা হয়ে রাজ্য চালাতে থাকে । খলচরিত্রে ভাডুদত্তের চক্রান্তে কলিঙ্গ রাজার সাথে যুদ্ধ হয়। এবং কালকেতু বন্দী হয় দেবীর স্বপ্নাদেশ পেয়ে কলিঙ্গরাজ কালকেতুকে মর্যাদার সাথে মুক্তি দেয়। তারপর কালকেতুর ছেলে পুষ্পকেতুর উপরে রাজ্যের ভার দিয়ে নীলাম্বরর রূপে ধারণ করে স্বর্গে চলে যান এবং তখন থেকে দেবী পূজার প্রচালন শুরু হয়।
এই কাব্যটির এক টা পোস্টে বর্ণনা দিয়ে শেষ করার মত নয়, তবে আমি যতটুকু পেরেছি আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করেছি সাথে বই থেকে নেওয়া কিছু ছবি আপনাদের সাথে শেয়ার করেছি আমি আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে, আর আজকের পোস্ট টা কেমন হয়েছে অবশ্যই জানাতে কিন্তুু ভুলবেন না।
I am Bangladeshi, I like to write and speak in the Bengali language. So, through this post, I have tried to present to you the Kalketu story of medieval Chandimangal poetry, I hope you will like it, and many thanks to everyone.
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য আমি কিছু কিছু পড়ে বোঝার চেষ্টা করেছি কিন্তু আমার কাছে খুব কঠিন লেগেছে তাই আগ্রহ পাই নাই তেমন একটা। যাই হোক আপনি সেই সময়কালের সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করেছেন এজন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
ভালো থাকবেন সবসময়। শুভকামনা রইলো আপনার জন্য
ধন্যবাদ আপনাকে পোষ্টটি পড়ার জন্য এবং খুব সুন্দর একটি মন্তব্য করার জন্য।